দেহের মাঝে বাগান আছে – বাল্মীকি চট্টোপাধ্যায়

›› গল্পের অংশ বিশেষ  

….স্কার্টটা খুলল সুধা। আগুন রঙা ব্রা আর লেস দেওয়া হ্যাঙ্কি প্যান্টি। ঝাঁপিয়ে পড়ল জলে। শরীরের মনটা কিচমিচ করে উঠল। চারিদিকে তাকিয়ে দেখল অরিত্র। না, জনপ্রাণী নেই। সুধাটা একটু অদ্ভুত বিহেব করছে! লাগামছাড়া আনন্দ পেয়েছে মনে হচ্ছে!

“এই এস না প্লিজ,” চেঁচিয়ে ডাকল সুধা। ভেজা চুলগুলো বুক ছুঁয়ে আছে। পাগল-পাগল লাগছে ওকে। অরিত্র সামান্য উত্তেজিত। দুটো বিয়ার শেষ। চাচা মাথা নিচু করে আরও দুটো দিয়ে গিয়েছে।

“আমাকে বিয়ার দেবে প্লিজ,” পুল থেকে বলল সুধা। মেজাজটা ফুরফুরে হয়ে গিয়েছে। একটা ক্যান ছুড়ে দিল অরিত্র। ক্যাচ মিস। ডুব দিয়ে জল থেকে তুলল। খুলে এক চুমুক দিল। পাড়ের দিকে এগিয়ে এসে রাখল।

“ এস না প্লিজ, খুব আদর করতে ইচ্ছে করছে।”

গেঞ্জিটা খুলে ফেলল অরিত্র। চো করে বড় একটা চুমুক দিল। সাবধানে পুলে নামল। জলটা ঠান্ডা। হালকা কেঁপে উঠল। মাছের মতো সাঁতরে এল সুধা। জড়িয়ে ধরল। গরম এর শরীর। আদরে আদরে উন্মাদ করে দিচ্ছে। অরিত্র আর কোনও দিকে তাকাল না।

ফকিরের কাছে এগিয়ে গেল মাম। পিঠের দিক থেকে আদর করতে লাগল। একবার কেঁপে উঠে ফের গাইতে লাগল ফকির। আরও জোরে। আরও উদাত্ত গলায়। চোখ বোজা। সামনে চলে এল মাম। ফকিরকে জড়িয়ে দুলতে লাগল। ফ্রকটা খুলে ফেলল। গাল ধরল ফকিরের। ওর মুখটা চেপে ধরল বুকে। গান থেমে গেল। গলায় গোঙানির শব্দ।

“আল্লা, কী পরীক্ষা নিচ্ছ আমার। হায় খোদা।” জাপটে ধরল মাম। উঠে বসল ফকিরের কোলে। আস্তে আস্তে খুলে দিল আলখাল্লা। কাঠ হয়ে বসে রয়েছে ফকির। ওকে উন্মত্ত আদর করে চলেছে মাম।

” এখনও দেবে না সাড়া। তাকাও তাকাও। দেখো আমাকে। এক নারী তোমার দুয়ারে। তোমার সুধার সুধা খাও। তাকাও!”

চোখ খুলল ফকির। জড়িয়ে ধরল উদ্ধত শরীরী সুধাকে। এত বছরের সাধনা! গুরুর সাবধান বাণী, ‘সময় গেলে সাধন হবে না। দিন থাকিতে দিনের সাধন কেন করলে না।’ নষ্ট হয়ে গেল সব। এক নারীর জন্য। আগুন জ্বলা এক নারী, সামনে সাধক।

“সুধা।”

নিবিড় আলিঙ্গন করল ফকির। ওর শরীরী

উত্তাপে পুড়ে যাচ্ছে শরীর।

“সুধা। সুধা।”

চাচাকে ধাক্কা মেরে ফেলে ব্রিজের মাঝখানে গিয়ে চমকে উঠল অরিত্র। সম্পূর্ণ বিবস্ত্র সুধা। একটা ধুনি জ্বলছে। তাকে ঘিরে নাচছে। নাচের ভঙ্গি অসম্ভব শরীরী। যেন কাউকে দেখাচ্ছে সে

নাচ! আদর করছে! জড়াচ্ছে! সঙ্গম করছে। গলায় শীৎকার!…..