….এই রাত মধুময়। কুহকিনী মায়ামাখা। ঝকঝকে রাতের আকাশে চাঁদ-তারা একসঙ্গে জেগে। সব ঝড় থেমে গেছে। এক মন পাগল হাওয়ার সুখস্পর্শ দেবলীনার বেডরুমে। দেবলীনা আর সুমিতের বেডরুমে। নীল আলোর পৃথিবীতে সাদা বিছানায় আজ মিথুন মূর্তি। সুমিতের গরম নিঃশ্বাস ছুঁয়ে যাচ্ছে দেবলীনাকে। বলবে সে এখন সেইসব হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের কথা? হাটে হাঁড়ি ভেঙে দেবে সুমিতের? তাতে অ্যাট লিস্ট সুমিত ওয়ার্নড হবে! মিলনের আবেশের মধ্যেও কথাগুলো মনে হল দেবলীনার। তার পরেই মনে হল ধুর! এসব করে কী হবে?
কমফোর্ট জোন ছেড়ে, পছন্দের পুরুষ ছেড়ে সে কোথায় যাবে? কেন যাবে? যে সংসারে অলরেডি তিনবছরের উপর দিয়ে দিয়েছে, সেখানে বাকি জীবনটাও দিয়ে একবার লাক-ট্রাই করা যাক না! দেখা যাক না ভাগ্যে কী আছে? ভাগ্যের হাতে সব ছাড়া মাত্রই শরীর অবশ হয়ে এল দেবলীনার। তার শরীরের ত্রিকোণমিতি রহস্যে প্রবেশ করছে গরম সিসা। ব-দ্বীপের ভেতর ত্রিশূল চিহ্ন আঁকা হয়ে যাচ্ছে। রহস্যের ভিতরে ডুবে যাচ্ছে দেবলীনা। সুমিত ফিসফিস করে দেবলীনার কানে কানে বলে, “কী চাই তোমার দেবী? ছেলে না মেয়ে?…” একেই বোধহয় বলে সেই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল। যার ভেতর সর্বসত্ত্বা দিয়ে ঢুকে যেতে হয়…. বর্হিজগতের সঙ্গে যোগাযোগ শূন্য হয়ে আবহমানের জন্য আটকে পড়তে হয়!।….
