দ্য অ্যানডুয়িং অফ জেনি – মাইক স্কিনার

›› অনুবাদ  ›› উপন্যাসের অংশ বিশেষ  ›› ১৮+  

অনুবাদ : উত্তম ঘােষ

………….হঠাৎ ভীষণ উত্তেজিত নিক, তার মনে হলাে, জেনিকে তার এখনই চাই। হ্যা, এই মুহুর্তে, এইখানেই! এই দুর্গন্ধের উত্তেজক পরিবেশের মধ্যে। দেয়ালে আরও শক্ত করে চেপে ধরতে হয় জেনিকে। বুঝতে অসুবিধে হয় না, জেনির শরীরও উত্তেজনায় কাঁপছে থরথর করে, জেনির দেহ যেন একগাদা শক্ত-নরম মাংসের ঢেউ, প্রত্যেকটা পেশি খেলা করছে। নিক টের পায় তার কঠিন উরু, সরু কোমর, আর পশ্চাদদেশের দুই শক্ত গােলার্ধ।

রঙে দোলা লাগে। তৃষ্ণার্ত দোলা। নিকের হাত এবার জেনির দুই বুকে খেলা শুরু করে— বিশাল অবিশ্বাস্য আকৃতির দুই বুক। জেনিও এখন বন্য, দুই উরু দিয়ে নিককে চেপে ধরে সে। ……..

………জেনি প্রথম প্রথম হাসছিলাে, উপচে পড়া মজার হাসি যখন নিক জেনির সােয়েটারটা দুপাশে পাজরের ওপর তুলে ফেলেছিলাে কিন্তু যখন সে জেনির ব্রা-এর হুক খুলে ফেলেছিলাে, তখন তাকে চিৎকার করতে হয়েছিলাে-অ্যাই নিক, এসব কি হচ্ছে। কি করছ নিক আমার নিয়ে! বলতে বলতে কিন্তু আবার নিকের কাধেই মাথা রেখেছিল। কয়েক সেকেণ্ড সে নড়তে পারে নি, কানেও কিছু শুনতে পাচ্ছিল না। ততক্ষণে শঙ্খের মতাে সাদা তার দুই বুক নিকের হাতের মুঠোয়। নিকের তপ্ত ঠোট সেই বুকের ওপর, আর প্রাণপণ চেষ্টা হাটু দিয়ে ভেনির শক্ত দুপায়ের মধ্যে চিড় ধরাতে!

সত্যিই নিকের কোন জ্ঞান নেই এমন একটি মাত্র লক্ষ্য ছাড়া। জেনির বুকের দুই বৃত্ত থরথর করে কাপছে। নিক শুষতে চাইছে সেখানকার রস। কুমারী বুকের মধুপানে সে উম্মত্ত ভ্রমর। দুই বোটায় দাতের দংশন যেন কুসুমকলির ওপর অলির হুলের আঘাত। মিষ্টি যন্ত্রনা!………..

……..না, জেনি নয়। রাস্তায় শিকারের অপেক্ষায় এক গার্ল। দূর থেকে যে চেহারাটা আকর্ষণীয় লেগেছিলাে, কাছে এসে দেখা গেল, তা নয়। সােয়েটারে নিচে প্যাড দিয়ে নেমে যাওয়া বুকটাকে জাের করে উচু করা হয়েছে। নিকের অভি চোখে তা বুঝতে কষ্ট হয় না। জেনির ব্রা পরার বিশেষ দরকারই হয় না। আর এরা-! ……….

……….কিন্তু পরমুহুতেই আবার মনে পড়ে যায় সেই অসাধারণ বুক আর পশ্চাদদেশ, কোন আঘাতেই যাদের ঘায়েল করা যায় না। সিংহের থাবার শক্তি নিয়ে চেপে ধরলেও বুক জোড়া হাতের চাপ ঠেলে উঠে দাড়ায়, যেন স্প্রিং রয়েছে ভেতরে। আর নিতম্বের নৃত্য-ও, নিক শুধু চিন্তা করলেই পাগল হয়ে যায়। তার মাথা ঘুরতে থাকে, আত্মগ্লানি আনে। বুঝতে পারে— এমা দেহটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো কেউ। ইস, জেনিকে এখুনি এর পেতে ইচ্ছে করছে।………

……একসময়ে জেনির চেহারার মধ্যে হয়তাে একটু আধা-গ্রাম্য ছাপ ছিল, কিন্তু এখন তা ধুয়ে মুছে আধুনিক হয়ে গেছে। বিদেশি সিনেমা অভিনেত্রীরা মেয়েশরীরে যে বুক আর পশ্চাদের অত্যধিক গুরুত্ব নিয়ে এসেছে, সেই ঢেউ-এর এক সুন্দর মডেল জেনি। তার বুক জােড়া অদ্ভুত—বিশাল আয়তন, অথচ সূতীব্র উচু ও পাহাড়ের ভাঙা শিলার মতাে সােজা, এবং সুগােল। নিপল দুটি ছােট কিন্তু তীক্ষ্ম, মসৃণ গজালের মতাে কিন্তু যেন নরম স্পঞ্জ। মুখে নিলে মনে হয় তীরের শেপের চকলেট।………..

………জেনির দুকাধ ধরে এক ঝটকায় কাছে টানলাে। জেনির ভারী শরীর রেলের ইঞ্জিনের মতাে এনে ধাক্কা খেল তার গায়ে। মুহুর্তে মধ্যে নিক জেনির জামার গলার মধ্যে দিয়ে হাত গলিয়ে দুই হাতে দুই বুক চেপে ধরলো। কঠোরভাবে দুহাতে দুই মাসের পাহাড়ের ওপর খুব কায়দা করে খেলা শুরু করে দিল। দ্রুত এবং অবিরাম। জেনির দম বন্ধ হয়ে এলাে। …… ঠোট কামড়ে ধরলাে নিক, জোর করে তার দু-ঠোট ফাক করে জিভ ঢুকিয়ে দিল। জেনি লড়াই চালাচ্ছে। কিন্তু নিকের পাঁচ পাচ দশ আঙ্গুল এবার সমস্ত নখ বিধিয়ে খাবলে ধরলাে জেনির সুন্দর স্তন। ক্রমশ নিস্তেজ হয়ে আসছে জেনির প্রতিরােধ, মুখও হাঁ হয়ে গেল। তবু মাথা সরিয়ে কথা বলার চেষ্টা করলাে—তুমি আমাকে যন্ত্রণা দিচ্ছ। গোঙানির মত স্বর। 

নিকের হাত ওর বুক দুটো থেকে সরেনি, এবার একটু নরম আদর শুরু করেছে। কি সাইজ। অবাক হওয়ার মতাে, কেমন শক্ত, মেয়েদের বুক এত শক্ত হয় কোন পুরুষ কল্পনা করতে পারবে না। নিকের একটি উরু এসে এবার জেনির দুই থাই-এর মাঝে স্থান নিল।

ঠিক এই সময় আবার প্রতিরােধ শুরু করলাে জেনি। নিকের সার্টের মধ্যে তার হাত এবার ঠেলতে শুরু করলাে, কিন্তু ভুল করে পিঠটা আর্চের মতাে বেঁকিয়ে ফেলেছিলাে জেনি। ফলে যেই তার তলপেট আর থাই নিকের দুই উরুর সন্ধিক্ষণে ঘষা খেল, উন্মাদ, হয়ে গেল নিক।

কিন্তু জেনির দু’চোখ এখন আধবােজা, বেড়ালের মতাে। গলায় একটা গোঁ গোঁ আওয়াজ। কামনাজর্জর নিক এখন একটা খালি হাতে জেনির পােশাক পায়ের দিক থেকে ওপরে তুলে দিল। সুডৌল বিশাল দুই উরুস্তম্ভ। বিশাল চেহারার এই নগ্ন নারীদেহ এখন তার দেহের সাথে তাল মিলিয়ে ছন্দ দোলায় দুলবে। ভাবতেই নিকের সমস্ত চিন্তাশক্তি অন্ধ হয়ে গেল। জেনি তবু লড়ছে। কিন্তু তার দুই হিপ কাপছে, নিঃশ্বাস দ্রুতলয়ে।

-না, প্লীজ, না। এমন কাজ করাে না।

উলের ড্রেসের চেন টেনে নামিয়েছে নিক। একহাত বুকে উঠে গিয়ে ঠেলে ব্রাসিয়ার উপরে তুলে দিচ্ছে, আরও উপরে । দুই বুক এবার ব্রা-মুক্ত হয়ে পূর্ণ প্রকাশিত।

এইবার হঠাৎ স্থির হয়ে গেল জেনি। “ঠিক আছে, নিক, ঠিক আছে। তুমি যা চাও-

যেন খানিকটা অনিচ্ছায় নিকও থেমে গেল। জেনির দেহটা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিল সে, কিন্তু দু-চোখ ভরে দেখতে থাকলাে এই বিস্ময়কর নগ্ন সৌন্দর্য। জেনি গম্ভীর মুখে উঠে বসে ওপরের পােশাক খুলে পাশে ছুঁড়ে ফেললাে। দুই বুড়াে আঙ্গুল ঢুকিয়ে প্যান্টির বেল্ট খুলে, নামিয়ে দিল অধাে-অঙ্গের আবরণ। সম্পূর্ণ বসনমুক্ত হয়ে এবার দুহাতে সে নিজের দুই সুন্দর স্তন দুটি, যা এমনিতেই উদ্ধত ও উন্নত, তাদের আরও তুলে ধরলাে। সু-উন্নত, সুগােল দুই বাতাবি লেবু।

-এই তাে, এই নাও। এটাই তাে তুমি চাইছিলে। এর মধ্যে কিন্তু এক ফোঁটা ভালােবাসা নেই। আমার শরীরটাই তােমার চাহিদা। ভালাে কথা। তােমার কটুগন্ধের নিঃশ্বাস এড়িয়ে চঞ্চল বেড়ালের মতাে আর ছুটে পালাতে পারছি না। আমি ক্লান্ত। তাই নাও, যা খুশি করাে, মারাে-ধরাে, কিন্তু জেনে রাখাে, কোন সময় যদি দেখ আমার শরীর সাড়া দিচ্ছে, সেটা কিন্তু আমার সম্পূর্ণ অনিচ্ছায়, ঘৃণায়, শুধু শারীরিক যন্ত্রের নিয়মমাফিক। ……….

ড্রিংকের গেলাস হাতে নিয়ে নিক কন্টির গায়ে কোলােনের গন্ধ পেল। মাথার চুল চুড়াে করে বাঁধা। হাঁটাচলার সময়ে সার্টিনের হাউসকোটের ফাকে পুরুষ্ট উরু আর জংঘা স্পষ্টই দেখা যাচ্ছে, লুকোচুরি খেলছে যেন। স্বীকার করতে হবে কন্টির নিম্নাঙ্গ সুদৃঢ়।

ড্রিংকসে চুমুক দিল নিক। মনে হচ্ছে সময়টা খারাপ যাবে না। পরিষ্কার বােঝা যাচ্ছে, আর একটু পরেই ওরা দুজনেই পরস্পরকে মধুর হিংস্রতা নিয়ে আক্রমণ করবে। বােঝা যাচ্ছে, কন্টির হাউসকোটের নিচে ব্রা নেই। তার দুই পূর্ণস্তন ওজনভারে একটু নত হলেও বেশ আকর্ষণীয়। হাউসকোটের ওপরভাগ ইচ্ছে করেই এতটা খুলে রাখা হয়েছে।

অন্ধকারে কন্টির গলা একটু ভৌতিক শােনালো—সব কিছু খুলেছ তাে, ডার্লিং, কমপ্লিটলি নেকেড তাে?

ইতিমধ্যে নিক তৈরি, ততক্ষণে মেঝের কম্বলের ওপর আশ্রয় নিয়েছে কন্টি। চাদর সরিয়ে সে কো উঁচু করে পিঠ আচ করলাে, বিশাল দুই উরু পরস্পরকে মথিত করছে—এপাশ ওপাশ

সেকি, মেঝেতে?

—হ্যা ডালিং। কম্বলের পশমগুলােকে মনে হয় যেন দুর্বোঘাস। আমরা দুজন এখন দুই কিশাের প্রেমিক-প্রেমিকা। পিকনিকে এসে হঠাৎ শরীরের খিদেয় ক্ষুধার্ত হয়ে পড়েছি। তাই ঘাসের ওপরেই

বাঃ, বেশ আদিম-আদিম ব্যাপার, তাই না? বিশাল নিতম্বদোলা একটু থামলাে। চোখ কুঁচকে কন্টি বলল-হ্যা, আমি চাই প্রকৃত একজন পুরুষের মতাে তুমি আমায় নাও। আ রিয়েল হী-ম্যান! এমন একজন যে আমাকে চাইবে, আর আমাকে বুঝিয়ে দেবে–আমি যেন একটা শাকুনিমারা গাড়ির ব্যাকসীটে শুয়ে আছি।

হাটু গেড়ে গুড়ি দিয়ে এক চারপেয়ে পশুর মতাে এগােতে হলাে নিককে। বিশাল দেহের ওপর নিজেকে নিয়ে আছড়ে পড়লাে নিক। প্রথমে দুজন দুজনকে একটু এলােপাথাড়ি হাতড়ে নিয়ে ক্রমশঃ খুব সুন্দর ভঙ্গিতে তৈরি করে নিল।

কষ্টি পুরাে শরীর জুড়ে নিজেকে যথাযথভাবে অ্যাডযাস্ট করলাে নিক। হ্যা এইবার কন্টির শরীরের মাপ তাকে অবাক করলাে। তার দুই বুক আর থাই জেনির চেয়ে খুব একটা কম বিশাল নয়। বয়সে বিচার করলে তাে আরো মুগ্ধ হতে হয়। এখনও শরীরের এই সব অংশ যেন শক্ত রবারের মতাে। পেট আর তলপেট ফ্ল্যাট, বিন্দুমাত্র মেদ জমেনি। যেন স্পঞ্জের কুশন নিকের দেহভার বইবার জন্য।

—হ্যা, আমাকে ঠিক যেমন ধরেছ, এইভাবে ধরে থাকে। হ্যা, একদম হাত সরিয়োনা।

নিক বাধ্য সেবকের মতাে নির্দেশ পালন করে যাচ্ছে। কন্টি এখন সম্ৰাজ্ঞী, নিক অনুগত প্রজা। কিন্তু প্রজার আদরের সেবায় রাণী এখন গােঙাতে শুরু করেছে, তাকেও পাল্টা আদর করছে, আর সাথে সাথে মুখ দিয়ে অশ্রাব্য অশ্লীল কথার ঝড় তুলছে। চুমু খেতে বাধ্য হলাে নিক। এই খেলা খেলতে খেলতে নিককে ভাণ করতে হবে তার কব্জায় এই নারীদেহ এক সুরম্য লােভাতুর তরুণীর, এবং সে তার একনিষ্ঠ প্রেমিক। কন্টির দুচোখ এখন কঠিনভাবে বােজা, তার ডাই করা চুলের রাশি ছড়িয়ে পড়েছে পাখার মতাে, ত্রা মাথা এপাশ-ওপাশ করছে—ডান-বা , বা-ডান।

এইবার, এইবার, এইবার, ইউ বাস্টার্ড, ও ইউ শয়ার কা বাচ্চা, আঃ তুমি আমাকে ঝুলিয়ে রাখছ কেন? ডােন্ট মেক মি ওয়েট এনি মাের।

ওরা মিশে গেল। ……এটা একটা চ্যালেঞ্জ। নিককে জবাব দিতেই হবে। কিন্তু কন্টির শক্তি আর আবেগ সত্যি তাকে চমৎকৃত করেছে। কন্টির ভােগশক্তি অসীম, অপার, কিন্তু তাকে বিজয়িনী করা চলবে না। নিককে এবার প্রভু হতে হবে, প্রজার মাথায় এবার সম্রাটের মুকুট। কন্টি বরং এখন তার সেবাদাসী। বেপরােয়া নিক এবার কন্টির বুকের মাঝে নিজের মুখের কবর খুঁজে পায়, বুকের দুই পাহাড়ের মধ্যে গিরিপথে সজােরে মুখ ঘষে সে কন্টিকে আনন্দ ও বেদনায় আর্তনাদ করিয়ে ছাড়ে।

প্রথমে কন্টি শেষ হয়, আর পরমুহুর্তেই নিক। দুজনের দেহের রস ও ঘাম মিলে মিশে এক হয়ে যায়।………..

…..নিজের দুই উরুতে মৃদু চাপড় মারে কষ্টি। এক চোখ বুজে বিদ্রুপের ভঙ্গি করে, যেন ষড়যন্ত্রকারী।

-হ্যা, আমার টেরিফিক শেপ—তাই না? ওপর থেকে অনেকে আমাকে একটু মুটকি মনে করে। কিন্তু যখন আমি পােশাক খুলি আর দেখাই আমার কি আছে, তখন ওরা বােঝে আসল জায়গাটুকু বাদে আমি মার্বেল স্ট্যাচুর মতাে শক্ত। আমার বুকও অসাধারণ, চল্লিশ ইঞ্চি মাপ, আর ওজন বেশি বলেই একটু ঝুলেছে কিন্তু নরম নয়। এমন শক্ত মাসল বহু ইয়ং মেয়ের মধ্যেও পাবে না!

লক্ষ্য করলাে নিক-দুই পরিপক্ক বুক, সুন্দর রেখায় গঠিত, সুদৃঢ় নিতম্বদ্বয়, সুঠাম দুই পা। সত্যিই স্ট্যাচু, নিক ভূলে গেল সে এখানে আসলে ‘পুরুষ-বেশ্যার’ কাজ করতে এসেছে। নিজের সিগারেট শেষ করে সে বলল-ওয়ান ফর দ্য রােড।…………

……ববি এর জেনির গলার মাঝখানে সরু শিরার ওপর চুমু দিল। সঙ্গে সঙ্গে খুব যত্ন নিয়ে পশমের পোশাক খুলে নামিয়ে দিল। এইবার একটু দ্রুত হাতে দক্ষতা নিয়ে ব্রাসিয়ারের হকে টান মারলো। ব্রা-মুক্ত জেনির সেই একজােড়া মারাত্মক বুক এবার যেন লাফিয়ে উঠে এলাে হাইজাম্পের ভঙ্গি নিয়ে। ববি চমকে উঠলাে—অবিশ্বাস্য! চোখের পলক পড়ে না। দমবন্ধকরা সৌন্দর্যে ভরপুর জেনির যুগলবক্ষ।

-মাই গড, জেনি, আমার কোন ধারণাই ছিল না যে —
দুহাতের বিচিত্র আসর শুরু হলাে দুই বুক নিয়ে। হাত বুলিয়ে, চেপে ধরে, তুলে ধরে তাদের ওজন পরীক্ষা থেকে শুরু করে যাবতীয় সমাদর। যা এরকম বুকের প্রাপ্য। সিল্কের নতে চামড়ায় পালকের মতো সুড়সুড়ি, দু আঙ্গুল দিয়ে স্তনের বোঁটায় পাগল করা চিমটি।

জেনি এবার চিৎকার করলেও, ববি, প্লীজ, স্টপ। প্লীজ।

সারা শরীর কাঁপছে থরথর করে। এবার জেনি নিজেই দুহাতে ববির মাথা জড়িয়ে ধরে বুকের মধ্যে চেপে ধরলো। তার নিজের শরীরে যে ঢেউ জাগছে, তাকে এবার সামলাতে অক্ষম সে। এখন আর খেয়াল নেই, কি ঘটতে চলেছে। উচিৎ-অনুচিত, ভুল-ঠিক এসব প্রশ্ন অবাত্তর এখন। সে এখন চাইছে ববি তার শরীরে অমৃতসুখের যন্ত্রণা দিক। নিজের মুখ দিয়ে সে কি বলতে তা নিজেই জানেনা।

আ. আ, হ্যা, ডার্লিং , এই রকম, ইয়েস!.. ববি ক্রমাগত মুখ ঘষে তার দুই বুকের উদ্দামতাকে শান্ত করতে চাইছে, কিন্তু এখন সুকঠিন। ইতিমধ্যে জেনি সেইখানে পৌছে গেছে যেখানে স্থানকাল জ্ঞান লােপ পায়। ক্রমশঃ মনে হবে এবার একটু কঠোর কর্কশ হয়ে উঠছে। আর এই কর্কশতাই তার জ্ঞান ফিরিয়ে দিল। জেনি বুঝতে পারলাে সে কি হারাতে চলেছে।

—প্লীজ ববি, এবার থামাে, স্টপ ইট! 

কিন্তু বললে কি হবে। মুখ বলছে এক কথা, শরীর বলছে অন্য কিছু। দুটো ভাষা মিলছে না। আর এত আদর পেয়ে নরম হওয়ার বদলে দুই স্তন আরও শক্ত হয়ে উঠছে ফুলে উঠছে নিপল দুটো গজালের মতাে কঠিন অবিশ্বাস্য আধ-ইঞ্চি লােহার টুকরো যেন।

এইবার জেনির শরীরের উপর ববির দেহের ভার । দুহাতে হিপের নিচ ধরে সাজোরে নিজের কাছে জেনিকে টানতে চাইলাে ববি।

ববি!! গলা চিড়ে আর্তনাদ। জেনির নিদারুণ যন্ত্রণা। মারাত্মক কষ্ট। দমবন্ধ হয়ে আসছে।……..

– হেল, হল, হেল চোখের জলে ভেসে গিয়ে যেন অন্ধ হয়ে গেল জেনি। মুখ হাঁ হয়ে গেল যন্ত্রনায়, কিন্তু শব্দহীন ক্রন্দন। ভয়ংকর মুহুর্ত, কিন্তু কিছু করার নেই। বরি দেহের উত্থান-পতনের সাথে জেনির রক্ত-মাংসের কাঠামােটা তাল মেলাতে থাকলাে।

সহস্রবার উচ্চারিত শুধু একটা কথাই-স্টপ, প্লীজ, স্টপ ইট। কোন ফল নেই, এই কথা এখন ববির কানে প্রবেশ করতে পারে না। সামান্য যেটুকু জ্ঞান আছে, তাতেই জেনি চরম লজ্জা নিয়ে অনুভব করলাে—সম্পূর্ণ অনিচ্ছা সত্বেও তার শরীর ববির প্রতিটি ভংগীর সাথে ছন্দ মিলিয়ে যাচ্ছে। জেনির শরীর এখন আর তার নিজের নয়, যেন অন্য কারুর। ববির শরীর থেকে উত্তাপ এসে জেনিকে তপ্ত করছে। দুজনেই এখন পশুর মতাে যুদ্ধ করে চলেছে! বাচার লড়াই, কে বলবে, আসলে একটি পুরুষ এবং একটি নারী সঙ্গমের চরম ক্লাইমেয়ে পৌছতে চাইছে!
জেনির দুহাত এবার ববির পিঠ-জড়িয়ে ধরেছে, জড়িয়ে ধরার তীব্রতা বলছে—আমাকে কঠোর শাস্তি দাও। ববির দশ আঙুল জেনির শরীরে দানবের থাবার মতাে আক্রমণ চালাচ্ছে, সারা মস্তিষ্ক এখন শূন্য, ফাকা, মন বলে কিছুর অস্তিত্ব নেই। এমন কি ববির শরীর যখন স্থির হয়ে এলাে, তখন জেনির বিশাল দেহ থরথর করে কাপছে ঘুরছে, পাক বাচ্ছে। 
ববি গড়িয়ে সরে গেল। জেনি এখন মুক্ত। আর হারানাের কিছু নেই।……..

জেনি এখন স্থির হয়ে পড়ে আছে। ওর শরীরে ঘামের নদী বইছে দুই উরু বেয়ে। আশ্চয্য, বুক দুটো এখনও উচু হয়ে ফুলে রয়েছে, কঠিন স্তনবৃন্ত দুটো যেন আকাশের শূন্যতাকে বিদীর্ণ গ্রতে চাইছে। ঘনঘন নিঃশাস, চর অবসাদ। পাশ ফিরে শুবির দিকে অবােজা চোখে তাকাতেই হঠাৎ অসীম লজ্জা এসে ছেয়ে ফেললাে তাকে। হাত বাড়িয়ে আশেপাশে কিছু একটা খুজলাে যা দিয়ে নগ্নতা ঢাকা যায়।…………

…….স্যালি একটু পিছিয়ে গেল। স্মিথকে ভালাে করে দেখে বলল—আমার চোখে তাে তােমাকে বেশ সুস্থ দেখাচ্ছে।

সি. স্মিথের হাতে দুই থাবা এখন পেয়ালার ভঙ্গি নিয়ে আচমকা সাপের মতাে গতিতে এগিয়ে এসে বিনা ভূমিকায় স্যালির দুই স্তন চেপে ধরলাে। হাতে সুখ স্পর্শে মনে হলাে দুই শক্ত বাতাবি লেবু।

মুখে ছাড়াে’ বললেও স্যালি নিজেকে ছাড়াবার কোন চেষ্টাই করলাে না। তবু বললঃকি হচ্ছে স্মিথ! আফটার অল, ইট ইজ মেন্স রুম।

উত্তেজিত স্মিথ তার নিজের কাছে এবার আরও বেশি করে মন-সংযােগ করলাে। বিশাল বুক দুটোকে সে ধীরে ধীরে হাতের আদরে উত্তপ্ত করে তুললাে।

—স্যালি, কি চেহারা বানিয়েছ? স্যালি এবার চোখ বুজলাে। বন্দিনীর ভঙ্গিতে স্মিথের মােটকা শরীরের ওপর লুটিয়ে আর উঃ করতে শুরু করলাে। নাকি সুরে বলল—কি বলছ কিছু বুঝতে পারছি না।

স্মিথ খুশি মনে এবার একটা হাত ওর ব্লাউজের মধ্যে প্রবেশ করালাে। ব্রাসিয়ারের স্ট্রাপটা নিয়ে টানাটানি শুরু করলাে।……..

জ্যাকলিন তার দেহ-প্রদর্শন খেলা শুরু করেছে। বাঁকাচোরা ভঙ্গিতে সে স্মার্ট খুলে ফেলেছে। লােভাতুর কামনার ভঙ্গি। দুই পশ্চাদদেশের নিচে প্যান্টিও টেনে নামিয়েছে। সুন্দর নিতম্ব-পেশি নাচছে। এইবার স্কার্ট ও প্যান্টি-দুটোই সে দর্শকদের মধ্যে ছুঁড়ে ফেললাে। ফিসফিস করে বলল–কি! আরো চাই?…….

সি. স্মিথ দু চোখ দিয়ে জ্যাকুলিনের শরীরটা গিলছিলাে। -বেবি, তােমার বুকে যা রয়েছে, তা ওর তুলনায় ছোট্ট পাখীর বাসা মাত্র! বুথে জ্যাকলিনের নিতম্বদোলা শুরু হয়েছে। নৃত্য পটিয়সী, এক-একটা পশ্চাদ-অংশ সে পৃথক পৃথক ভঙ্গিতে ঘোরাচ্ছে, ওপরের ঠোটে ঘাম জমেছে, ঘনঘন শ্বাস। কিন্তু তার দর্শক ও আছে। এখানে প্রত্যেকটি পুরুষের চোখে জ্যাকলিন চরম কামনা। এইবার সে তার সারা অঙ্গে অতি ধীরে হাত বােলাচ্ছে, উচ্চ স্ফটিক-স্বচ্ছ বুকের ওপর কালাে সােয়াটার এখনও রয়েছে।……..

জ্যাকলিন দুই বাহু ক্রস করলাে। একটানে সােয়েটার খুলে আবার দর্শকদের মধ্যে ছুঁড়ে দিল। দুহাত তােলার সময় দেখা গেল বগলের তলা ঘামে চকচক করছে। দুই বুক ব্রায়ের নিচ থেকে ফেটে বেরিয়ে আসছে। ব্রাকাপ তাদের আটকাতে পারছে না। ব্রা-য়ের ফিতে তার বুকের মাংসে কেটে বসেছে।…..

…….দরজা বন্ধ করলাে জ্যাকলিন। জুতাে আর অন্তবাস এক ধারে ছুঁড়ে দিল। তার উত্তর হারিয়ে গেল যখন সে মাথায় ওপর সােয়েটার টেনে খুলে ফেললাে। সেই মারাত্মক পরিণত দুই স্তন। নিকের শাস স্তদ্ধ হয়ে গেল।

নিকের মুখের ভেতরটা শুস্ক। টোক গিলে সে গলা পরিষ্কার করতে চাইলাে। খসখস শব্দ। জ্যাকলিনের স্কার্ট পায়ের নিচে খসে পড়েছে। জ্যাকলিনের শরীরে এখন মিশ্র গন্ধ-ঘাম আর প্রসাধনের।

অনেকটা চার পেয়ে জানোয়ারের ভঙ্গিতে জ্যাকলিন বিছানায় উঠে এলাে। একটা দৃঢ় উষ্ণ বাহু নিকের গলা জড়ালাে। নিকের হাত এবার ওর দুই বুকে। সত্যিই বিশাল, শক্ত, বোটাগুলো যেন ইলাস্টিকের মতাে যুগপৎ শক্ত ও নরম। নিক ধীরে ধীরে ম্যাসেজ শুরু করলাে। জ্যাকলিন এবার সর্বশক্তিতে তার তলপেট আর উরু নিকের উপর চেপে ধরলাে।

জ্যাকলিনকে জাগিয়ে তুলতে নিক একটু সময় নিল। নিকের আদরে ক্রমশঃ উম্মত্ত জ্যাকলিন। তারও দমবন্ধ হয়ে আসছে। সে উঠে এলাে নিকের শরীরে।

শীগগির, প্লীজ, তাড়াতাড়ি। -আরে, আমার পােশাক— কিন্তু জ্যাকলিন এখন নিককে মাপে মাপে ধরে ফেলেছে। আর ছাড়া যায় না। নিকের পক্ষেও নিজেকে ছাড়ানাে সম্ভব নয়।

নিকের বুদ্ধি হারিয়ে গেল, একটু ধস্তাধস্তি ঘটে গেল। জ্যাকলিন বলল না, ডার্লিং না, নট লাইক দ্যাট।……হা, হ্যা, এখানে, এইভাবে আমাকে ধরাে
নিক দু-হাতে জ্যাকলিন নিতম্বদেশ আকড়ে ধরে প্রচণ্ড জোরে নিজের দিকে টানলাে। মনে হলাে, জ্যাকলিন যেন কেঁদে উঠলাে। এবার সেই রমণীয় দেহে নিক কববস্থ। ভালােবাসার নৃত্য ও !
ক্রমশঃ ভয়ংকর হলাে এই সঙ্গম। হিংস্রতা মিশে আরও ভয়াল-সুন্দর। যতই শক্তি পায়, ততই আবেগ বন্যা। যখন তারা পরস্পরের মধ্যে দলিত-মথিত, যখন যুক্তিবুদ্ধি বাহ্যজ্ঞান বিলুপ্ত তখনও দুই দেহ বন্যপুলকে মুক্তির সন্ধানে তীব্র সংগ্রাম করে চলেছে।

গতি এবার ছন্দময়, শরীর বিকসিত ও মুদ্রিত। দুটো হৃৎস্পন্দন একতালে ধুকপুক করছে। নিক যেন শিশুর মতাে দুর্বল হয়ে যাচ্ছে জ্যাকলিনের লাস্যময়ী বিরাটত্বের কাছে। নিতম্বতল থেকে হাত সরিয়ে এনে সেই দুই স্তন অধিকার করলাে। মনে হলাে, বৃহৎ স্তন দুটি আরও বৃহৎ আকার ধারণ করেছে, তার হাতের পরিমাপ যথেষ্ট নয়। এমন অবিশ্বাস্য চিন্তা মুহূর্তে হাঁপ ধরে গেল নিকের। অ্যাকলিনের উষ্ণ ঠোট তার গলায়, এই নারীর প্রতিটি চুম্বন এখন যেন এক একটি হিংস্র দংশন, তার আঙুলের নখ পিঠ তী। নিকের পিঠে সরু সরু রঙ ধারা। সারাঘর তাদের চিৎকারে প্রকম্পিত।……

……….সারাটা দিন দুজনের পক্ষেই খুব ক্লান্তিকর গেছে। ও আবার লড়াই। দম ফুরিয়েও ওরা মেঝেতে গড়াগড়ি খাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত দেখা গেল, দুজনেই শ্রান্ত হয়ে পাশাপাশি শুয়ে। পরক্ষণেই নিক জেনির আলিঙ্গনে বদ্ধ। নিকের বুক জেনির দুই ঐশয্যশালী স্তনের সাথে যেন পরস্পরকে পিষ্ট করছে। নিক নিজেকে ছাড়ানাের ব্যর্থ চেষ্টা করলাে। জেনির দুহাতে প্রচণ্ড শক্তি।……….

……..জেনির নগ্ন বুকে এক নতুন উত্ত্যপ জাগে। তার দেহ নিকের গায়ের ওপর স্পর্শের আকুলতায় এক প্রার্থনা জানায়। আন্তরিক বাসনা, সত্যিকারের প্রেমময় দেহপিপাসা। নিকও সাড়া দেয়, তার সারা দেহে আগুন ছড়িয়ে যায়। জেনি বুঝতে পারে সে সফল হয়েছে, নিক সাড়া দিচ্ছে। তাই পা দৃঢ় করে সে আবার পিঠ আর্চ করে, তার সেই মনােরম ভঙ্গি।……….জেনির পর্ণ দুই স্তন এখন পালিশ করা দুই গ্লোবের মতাে উদ্ধত হয়ে ঝকমক করছে। | ডেনির সুন্দর মুখের দিকে তাকিয়ে নিক আবার আবেগ-মথিত।……….

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *