ইউ মাস্ট বি কিডিং – জেমস হ্যাডলী চেজ

›› অনুবাদ  ›› উপন্যাসের অংশ বিশেষ  

অনুবাদঃ পৃথ্বীরাজ সেন

………মেয়েটির পরনে ছিল রঙ চটা আঁটো জীনসের ‘টি শার্ট। তার কাধ দুই দুই চুলগুলাে দেখে মনে হয় এই মাত্র স্নান করে এলাে সে। তার চুলগুলাের মধ্যে একটা তীব্র আকর্ষণীয় শক্তি ছিল, পুরুষচিত্ত চঞ্চল করে তােলার মতই। তার বড় বড় চোখে বুজ সমুদ্রের গভীরতা, তার মুখের গড়ন মনে রেখাপাত করবার মতই উচু চিবুক, ছােট নাক, পুরু ঠোট।

কেনের দৃষ্টি মেয়েটির সারা শরীরময় আবর্তিত হতে লাগল। মেয়েটির স্তন দুটি অর্ধ আনারসের মত আঁটো, টি সার্টের ওপর তার ছাপ অতি সুস্পষ্ট। তার লম্বা পা দুটো সুন্দর সুডৌল, বাসনায় সাড়া জাগানাে যুবতী নারীর মতন।…….

……কারেন সন্তুষ্ট হয়। সে বলে-রবিবার আমার অন্য কাজ ছিল, তবে ওটা আমি বাতিল করে দেব, আমার মনে হয়, এটা খুব সুন্দর পরিকল্পনা,বাবা খুব খুশী হবেন।’—কারেন হাসল-হাসতে গিয়ে তার বুকটা কিছুটা ঠেলে উঠল।………কেন তার পুরুষ্ট স্তনজোড়া সম্পর্কে সচেতন।‘তােমার জন্য আরাে কিছু করতে পারি। তবে | আজ রাতে আমার কাজের ব্যস্ততা রয়েছে।…..

……..বিছানায় কেটি ঘুমিয়ে, কিন্তু কেন তখনও জেগে। প্রায় সারারাত জুড়ে কেনের হৃদয় আন্দোলিত হচ্ছিল কারেনের চিন্তায়। তার কমনীয় দেহ খানা কেনের চোখের সামনে ভেসে উঠছিল।সুন্দর পুরুষ্ট স্তন জোড়া, ভারী নিতম্ব, সুডৌল পা সে কিছুতেই ভুলতে পারে না। অন্যদিনের তুলনায় একটু বেশী ঘুমাল সেদিন কেন, রাত্রি জাগরণের কারণে।……….

………আগে হাঁটছে কারেন ও তার পিছনে কেন! একটু থেমে সেকারেনের নিটোল গােল ও সুগঠিত নিতম্ব বেশ তারিয়ে তারিয়ে দেখল। তার ভঙ্গিমাও বেশ আকর্ষণীয়……….

…….. কারেন তার পােষাকের পিছন দিকের জিপারটা টেনে নিচের দিকে নামাতে সেটা তার পায়ের নিচে লুটিয়ে পড়ল, তার পরনে তখন কেবলমাত্র প্যান্টি। কেনের দিকে সে দুহাত বাড়িয়ে দিল। ………

…….অন্ধকার! কিছুই দেখা যাচ্ছে না। হাত বাড়াতেই পেল বেড সুইচ। সুইচ টিপতেই ঘরটা আলােয় আলােকিত হয়ে উঠল। তার পাশেই শুয়েছিল কারেন, সে তখন সম্পূর্ণ নগ্ন। তার লম্বা পা দুটি দুদিকে অনেকখানি ছড়ানাে। এর ফলে তার দুই উরুর সংযােগস্থল অনেকখানি উন্মুক্ত ও স্পষ্ট। তার হাত দুটির নীচে স্তনযুগল ঢাকা পড়ে গেছে। কেন বিছানা থেকে নামার জন্য তার পা দুটো সরাতেই কারেনের ঘুম ভেঙ্গে গেল, চোখ মেলে তাকাল।

মেঝের উপর দাঁড়িয়ে কেন তার কজি ঘড়ির দিকে তাকাল-আটটা কুড়ি। খানিক আগে ঘটে যাওয়া হট সীনগুলাে তার চোখের সামনে ভেসে উঠল এক এক করে। কারেন যেন তাকে মাকড়সার মত পেঁচিয়ে ধরেছিল, দীর্ঘ নিবিড় চুম্বনের স্পর্শ নগ্ন দেহের সর্বাঙ্গে। কারেন নিজের হাতে তার দেহ থেকে সব পােষাক খুলে দিয়েছিল। তাকে কিছুই করতে হয়নি। তার হাতের পুতুলের মত শুয়েছিল সে তার বিছানায়। কারেন তখন তার যৌন ক্ষুধায় প্রচণ্ড উত্তেজিত। তার দেহ থেকে সব কিছু নিঃশেষ করে নিংড়ে নিতে চাইছিল কারেন। কেন তার বন্য ইচ্ছার স্বপ্নে কখনাে চিন্তাও করেনি, কারেন তাকে নিয়ে যা করেছে, বােধ হয় অন্য কোন নারী তা করতে পারে না। কারেনের জন্য তার সমস্ত যৌন আবেগ, উত্তেজনা সম্পূর্ণভাবে প্রশমিত হয়ে যায় তার নগ্ন দেহের তপ্ত আলিঙ্গন ও চরম মিলনের মধ্যে। কজি ঘড়ির দিকে তাকিয়ে সে ভাবতে শুরু করে, এখন পার্টিতে কেটির সঙ্গে মিলিত হতে গেলে সবাই তাকে সন্দেহের চোখে দেখবে। আর এর পরে গেলেও তাে কথাই নেই।……

……….এই সময় কারেন এল, তার অফিসঘরের দরজার সামনে দাড়িয়ে জিজ্ঞাসা করল-কোন সমস্যা নেই তাে?’কেন কারেনের দিকে তাকিয়ে দেখল, দেহের সঙ্গে সেঁটে থাকা জীনস আর ঘামে ভেজা আঁটো শার্ট এর নীচ থেকে স্তনজোড়া বড় বেশী কামনার উদ্রেক করছিল। তার চোখ থেকে কামনার-আগুন ঝরে পড়তে লাগল। তবু সে কারেনের প্রতি একটুও আকর্ষণ বােধ করল……

……. সে নিজের মনে মনে মেয়েটির গড়ন সম্পর্কে একবার আওড়ে নিল। মেয়েটির গায়ের রং কফির মত। পরনে আঁটো সাদা সূতীর স্ন্যাক্স। রক্ত লাল জার্সি টপ। লেপস্কির মনে হল—সব দিক থেকে এমন নিখুত একটি যুবতীর দেহ সে দেখেনি। মেয়েটির স্তন দুটি একটা বড় আকারের আনারস দু’ভাগ করে তার বুকের উপর বসিয়ে দেওয়ার মত দেখাচ্ছিল। সরু কোমর, লম্বা-সুডৌল পা দুটির গড়ন রীতিমত উত্তেজনার খােরাক জোগানাের মত।………

………..ক্রিমপিন বলল–আমাকে কিছু একটা করতে হবে। কয়েক মিনিটের বেশী লাগবে না। তােমার কি খুব তাড়া আছে?’ সুন্দর সুপুরুষ চেহারা দেখে কাবেনের দেহের রক্ত ইতিমধ্যেই চঞ্চল হয়ে উঠেছিল, সে একটু জোরে হাসল তার হাসির দমকে ব্ৰাহীন স্তন জোড়া ব্লাউজের নিচ থেকে ঠেলে বেরিয়ে আসতে চাইল। বলল—“আমরা দুজনে যৌথভাবে করলে হয়ত কাজটা ভাল হবে। ……

…….. কারেন তার কেবিনের দরজা খুলে ক্রিমপিনকে আমন্ত্রণ জানাল। উচ্ছ্বসিত হয়ে উঠল ক্রিমপিন, কারেনের চোখে স্থির-দৃষ্টি ফেলে কেনিটার প্রশংসা করল। তারপর সুলেমান পেন্ডেন্টেটার উপর একটা হাত রেখে অপর হাত দিয়ে কারেনের শিরদাড়ায় বিলি কাটল। দারুণ যৌন উত্তেজনায় অস্থির হয়ে সে বলে উঠল—“ওরকম আর একবার করাে প্লিজ’। কারেনের শিরদাঁড়ার উপর যতই হাতটা ঘােরাফেরা করে ততই তীব্র কামনার-আগুন কারেনকে গ্রাস করে। ক্রিমপিন একসময় তাকে বিছানার দিকে টেনে নেবার চেষ্টা করতেই কারেন একটু সময় চাইল। তারপর সে তার শরীর থেকে টি-শার্ট, জিনস, তারপর প্যান্টি খুলে ফেলে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে মুখ নিচে করে বিছানায় সােজা হয়ে শুয়ে পড়ে। শিরদাঁড়ায় বিলি কাটার জন্য ক্রিমপিনের কাছে আবেদন করে।

কারেনের নগ্ন পিঠ, নিতম্ব ও সুডৌল পা ক্রিমপিনের মনেও এক যৌন উত্তেজনার সৃষ্টি করে। কিন্তু সে সুলেমান পেন্ডেন্টটার ওপর চাপ দিয়ে অধিক যৌন উত্তেজনা অনুভব করে। একসময় তার একটা হাত পেভেটর কবির ওপর পড়তে ধারাল ছুরিটা বেরিয়ে এল। এক হিংস্র উত্তেজনায়। .……..

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *