আই উড রেদার স্টে পুওর – জেমস হ্যাডলী চেজ

›› অনুবাদ  ›› উপন্যাসের অংশ বিশেষ  

অনুবাদঃ পৃথ্বীরাজ সেন

……..মিসেস লােরিং নিজে অভ্যর্থনা জানাতে এগিয়ে এসেছে। লােরিং-এর চেহারা ও পােশাক একটু অন্য জাতের। বুক দুটো খুব বড় কিন্তু ঝুলে পড়ে নি। ভারী নিতম্ব কিন্তু কোমরে অতিরিক্ত চর্বি নেই। লম্বাটে মুখ ও দাঁত বড় বড়। পরণের স্কার্টটা বেডপ, লম্বায় ছােট বলে প্রায় জানু অব্দি নাঙ্গা এই চেহারায় এমন কিছু আছে যা পুরুষকে তা এবং জমজমাট যৌন ভাবনার কুয়াশা জমে…।……..

………মিস ক্রেগের মধ্যে যৌনচেতনা কম থাকাটা শাপে বর হয়েছে কারণ কলেভিন অফিসের বাইরে যা কিছুই করুক না কেন, অফিসের মধ্যে কোন সহকর্মিনীর সঙ্গে ফস্টিনস্টিকরা বুদ্ধিমানের কাজ বলে মনে হয় না। তার এখন যাবতীয় যৌনকল্পনা মিসেস লােরিংকে নিয়ে। একখানা জবরদস্ত ফিগার বটে। যেমন বুক তেমনি পাছা। কদাচিৎ দেখা সাক্ষাৎ হয়। তবু যতবার সে তাকে কাছে বা দূরে থেকে দেখতে পেয়েছে ততবার মনে হয়েছে ঐ রকম যৌন আবেদনকারী নারী দুনিয়ায় আর দ্বিতীয়টি নেই। রাতে বিছানায় শুয়ে বদ্ধ কপাটের দিকে চেয়েই থাকে। কখনাে কোন উত্তেজক আহ্বানে ঐ বদ্ধ দুয়ার কি খুলে যেতে পারে না?……..

…….কী আশ্চর্য  বদ্ধ দুয়ার খুলে গেছে। কলেভিনের বুকের মধ্যে যে বন্দী বাঘ এতদিন ক্রুদ্ধ আর্তনাদ ছেড়েছে, আজ সে বেরিয়ে এসেছে। …… স্বচ্ছ মশারির তলায় শুয়ে থাকা মিসেস লােবিংকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। পরনে গােলাপি নাইটি। বুক দুটো উচু হয়ে আছে। কোমরের কাছ থেকে শরীরটা একটু বেঁকে আছে, একটা হাঁটু মাথা তুলে বুঝি জানিয়ে দিচ্ছে, যে কোন শক্তিমান পুরুষের সঙ্গে দ্বিমুখী দ্বন্দ্বের জন্যে প্রস্তুত হয়ে আছে এই রমনী দেহ। লােরিং এবং কলেভিন-দুজন একে অপরের দিকে চেয়ে আছে। কলেভিন ধীরে ধীরে বিছানায় পৌছে বসে পড়লাে। কলেভিন মশারির মধ্যে হাত ঢুকিয়ে লোরিংয়ের বাহু স্পর্শ করলাে তারপর নাইটির তলায় ভরাট বুক অব্দি পৌছে গিয়েও কোন প্রতিরােধ না পেয়ে সত্যিই এক ক্ষুধার্ত বাঘের মতন মিসেস লােরিংয়ের দেহের ওপর ঝাপিয়ে পড়লো। নাইটি ফাইটি কোথায় গুটিয়ে ফেলে নিজের তােয়ালেটা ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে কলেভিন লােরিংয়ের যাবতীয় গভীরতাকে ছিড়ে ফুড়ে তপ্ত তৃপ্তির সন্ধান করতে থাকে। তার প্রয়াসের, উদ্দীপনার অন্ত নেই। কিন্তু মিসেস লােরিং আশ্চর্য নিষ্ক্রিয়, নির্বাক। এ সময় কোন প্রেমিকা যেভাবে সাড়া দেয়, সুখ ও তৃপ্তিতে সমান ভাগ বসাতে চায়, মিসেস লােরিংয়ের মধ্যে তা দেখা গেল না। স্ফলন-লগ্নে কলেভিনের মনে হলাে, তার চৈতন্যে দোলা দিয়ে গেল সেই বিরুক্তির অনুভূতি; আমি এই মুহুর্তে যেন এক বেশ্যা সংসর্গ সমাপ্ত করছি। কোন সাড়া নেই, পুরস্কার নেই…..যাচ্ছে তাই…..।……..

…….কলেভিন পা দিয়ে এলিসের বাহুমূল স্পর্শ করে। শরীরটা এখনো শক্ত হয়নি। সে ওর গালে আঙ্গুল বােলায়, ওর তলপেটে চাপ দেয়। ওর স্কার্টের তলায় হাত ঢুকিয়ে ডান স্তন ও বাম স্তন ধরতে থাকে। খুব একটা নরম নয়। যেমনটি হয়ে থাকে নিখাদ কুমারীদেব-প্রাণ ও চেতনা যদি থাকত, অস্ফুট শব্দ উথিত হত। ঠোটের রং কদাপি তার রক্তাভ নয়, ঈষৎ কালচে। এখন কিন্তু নীলাভ। কলেভিন ঠোটের ওপর তর্জনী রাখে, খানিকটা চটচটে শুকনাে রক্ত লাগে। কলেভিন যে কী দুর্দান্ত ও ভয়াবহ, সে এলিসকে বিবস্ত্র করে। নিবিষ্ট তন্ময়তায় পরখ করে এলিসের যােনিদেশ এবং এক দীর্ঘশ্বাস ও আক্ষেপ উচ্চারণ, ইস্। এই বয়সেও এলিস ক্রেগ যথার্থ কুমারী ছিল………

………অফিস, যেখানে গত দেড় বছর ধরে তৎপরতা তার কেবল একটা ব্যাপারেই —অফিসে একমেবাদ্বিতীয়ম সহকর্মিনী মাভিস হার্টের সঙ্গে চুটিয়ে ফুর্তি ফাৰ্তা করা। শরীর তার যখনই গরম হয়, মাভিস পােশাক-টোশাক খুলে এগিয়ে আসে তাকে ঠাণ্ডা করতে! ঝড় থেমে গেলে ঢক ঢক করে এক গেলাস দুধ খায় ইস্ট এবং মাভিস অবােধ্য ভাষায় কি সব বলে খিক খিক হাসে। মাভিস সুন্দরী নয়, সামনে পিছনে মাংস নেই বললেই চলে। তবে যুবতী, পঞ্চাশ বছরের এক প্রৌঢ়ের কাছে লােভনীয়। ইস্টনের বউ ব্যাপারটা নিয়ে ভেবেছে, সন্দেহ করেছে। ইস্টন যখনই ঘরে ফেরে, বউ-এর বাক্যবাণে একবারে অস্থির হয়ে ওঠে।……….

……. ইস্টন কিন্তু কিটিকে দেখে একেবারে মােহিত, সত্যিকারের রূপবতী, যৌবনবতী বলতে যা বােঝায়। ভরাট বুক, মাংসল পশ্চাৎদেশ, সরু কোমর, পা থেকে থাই অব্দি নির্লোম গােলাপী মুক্তাঙ্গন ইস্টন যেন দুচোখে ওকে চাটছে। ওর কাছে মাভিস তাে নেহাৎ পেত্নী। কিটিব কথার দিকে তেমন মন না দিয়ে সে ওর শরীর নিয়েই নানারকম কল্পনা করে।………..

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *