রক্তের নেশা – সুমন চৌধুরী

›› পেপারব্যাক  

…….চোখেমুখে একরাশ আতংক মেখে ভয়াবহ দুজন লোকের দিকে তাকিয়ে আছে অনিন্দ্য সুন্দরী এক যুবতী। কিন্তু, ত্রাসে, শংকায় ওর চেহারা কালো দেখাচ্ছে এখন। বাঙ্কের দুই পায়ার সাথে টান টান করে বাঁধা ওর দুহাত। মেঝেতে বসিয়ে রাখা হয়েছে ওকে। পা দুটো সামনের দিকে ছড়ানো। হাটু পর্যন্ত ঢাকা পাতলা সুতির স্কার্টে। তার নিচে আর কিছু নেই। স্কার্টের বুকে মেয়েটির সু-উচ্চ দুই স্তনের আভাস। নিঃশ্বাসের তালে তালে ওঠানামা করছে ভরাট স্তন দুটো। ওর ঠিক সামনেই টেবিলে বসেছে লােক দুটো। দুজনেরই হাতের গ্লাসে হুইস্কি। সামনে একটা বোতল নিয়ে বসেছে ওরা।

থেকে থেকেই খ্যাক খ্যাক করে হেসে উঠছে দুজন। বিকৃত কামনায় ওদের মুখ বেঁকে গেছে। সারাক্ষণ তারিয়ে তারিয়ে দেখছে ওরা মেয়েটিকে। ওদের দৃষ্টির সামনে অসহায় বােধ করছে মেয়েটি। ……

……‘আমাদের দয়া টয়া নেই, সুন্দরী। দয়া করলে, আনন্দ পাবাে কোথায়? বললো আলিফ, জিভ দিয়ে ঠোট চাটতে চাটতে।

ব্লাউজের সামনের দিকে গলার কাছটা মুঠো করে ধরলাে ডাচ। একটা হ্যাচকা টান দিলাে। পড় পড় করে ছিড়ে নেমে এলাে ব্লাউজ। ফর্সা, উন্নত স্তন দুটো উন্মুক্ত হয়ে পড়লাে মুহুর্তেই । ডাচের টানের ধাককায় থর থর করে কাপছে উচু স্তন দুটো। সম্মোহিতের মতাে ওদিকে চেয়ে অাছে ডাচ। হাটু গেড়ে বসে আছে ও গার্থার পাশে।

‘এটা আর থাকে কেন?’ বলেই আলফ একটান মেরে স্কার্টটা খুলে ফেললাে। স্কার্টের কোমরে ইলাস্টিক থাকায় ওটা আর ছেড়ার প্রয়ােজন পড়লাে না।

পা দুটো গুটিয়ে বুকের কাছে নিয়ে এলো গার্থা লজ্জা ঢাকার জন্যে। কিন্তু পারলাে না। এক থাবা মেরে হাটু দুটো দুদিকে সরিয়ে দিলাে আলক। চমক ভাঙ্গলাে ডাচের। বলে উঠলো, থামো, আমি প্রথমে।

শ্রাগ করলো আলফ। ঠিক আছে তুমি আগে, তারপর আমি, তারপর তুমি, তারপর ••••••।

নিজের প্যান্টের বেল্টটা খুলে ফেলে গর্থিার নগ্ন যৌবনের ওপর ঝাপিয়ে পড়লাে ডাচ। চিৎকার করে উঠলাে গাৰ্থ। কিন্তু, কিছুক্ষণ পর দুই উন্মত্ত পুরুষের উন্মত্ততা ছাড়া আর কিছুই রইলাে  ঘরের ভেতর। ……

…..জগটা খালি দেখে একজন সুন্দরী বারমেইড ছুটে এলাে, দেহে সাগরের উত্তাল-তরঙ্গ নিয়ে। পরনে পােষাক খুবই সংক্ষিপ্ত। ছোট একটা ব্লাউজ, খাটো স্কার্ট। স্কার্টের ঝুল কোমরের নিচে নিতম্ব পুরোটা ছাড়িয়ে যেতে পারেনি। টেবিলের সামনে এসে ঝুকে দাড়িয়েছে ও, ব্লাউজের সংক্ষিপ্ত বাধন থেকে স্তন দুটো লাফিয়ে বেরিয়ে আসার যােগাড়।

আর কিছু লাগবে ? মুখে কামাতুর হাসি ফুটিয়ে জিজ্ঞেস করলো ও।

‘না, এখন আর না। আমাদের জরুরী কিছু কথাবার্তা আছে, সেগুলো সেরে নেই—তারপর, বললেন জ্যাকব। “ঠিক আছে, মেয়েটি চলে গেলাে।

বে। জ্যাকব জনের উদ্দেশে বললেন, তাহলে তােমার সাথে কথা-বার্তা পাকা হয়ে গেল। তুমি কাজ করছে, আমার রাঞ্চের হয়ে আর কোন কথা ?

‘না, আর কোন কথা নেই, বললাে জন, ‘তবে বর-কাউন্টারের ওদিক থেকে কয়েকটি মেয়ে তাকিয়ে রয়েছে আমাদের টেবিলের দিকে। খুব সুবিধেজনক মনে হচ্ছে না আমার।”

ওদিক থেকে চোখ ফিরিয়ে জ্যাকব বললেন, ‘ঘাবড়াচ্ছে। কেন, ওরা তাে স্রেফ মেয়েমানুষ। আবার ওদিকে ফিরে গলা ছড়িয়ে ডাকলেন, এই লুসি, এদিকে এসাে। বারের সবচেয়ে দীর্ঘকায়া মেয়েটি টলােমলাে পায়ে এগিয়ে এলাে ওদের টেবিলের দিকে। ওদের সামনে টেবিলের ওপর দুহাতের ভর দিরে লুসি নামের মেয়েটি ঝুকে দাড়ালাে। ওর গাউনের বড়ো করে করে কাটা গলার ভেতর স্তনের খাড়াইয়ের মধ্যে দেখা গেলাে গভীর উপত্যাকা, ভেতরের অন্ধকারের মধ্যে হারিয়ে গেছে। ওদিকে লােলুপ দৃষ্টি মেলে চেয়ে আছেন জ্যাকব। ‘ব্যস্ত নাকি ? লুসিকে জিজ্ঞেস করলেন জ্যাকব। ‘না’ কেন?’ পাল্টা প্রশ্ন করলো লুসি। ‘চলাে, তাহলে যাওয়া যাক, রাতটা এক সাথেই কাটাই, লুসির উদ্দেশ্যে কথা ক’টা বলে দাড়ালেন জ্যাকব। জনের উদ্দেশ্য বললেন, “তােমার জন্যও ওপরে একটা রুম ঠিক করা আছে, গিয়ে বিশ্রাম নাও, কেমন ?……

……..ঘরের দরজা বন্ধ করে কয়েক মিনিটের মধ্যেই জন সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে গেল। বিছানার দিকে পা বাড়িয়েছে মাত্র, এমন সময় নক হলে দরজায়। ঝট করে চেহারের সাথে ঝােলালাে হােলস্টার থেকে রিভলবারটা তুলে নিলো ও। দরজার দিকে রিভলবার তাক করে জিজ্ঞেস করলো, কে ওখানে?

‘আমি, নরম নারী কন্ঠে জবাব ভেসে এলো, আমি, রাউল।। এগিয়ে আস্তে করে খিলটা ঘুলে আবার পিছিয়ে এলাে।  হাতের রিভলবার তেমনি চেয়ে আছে দরজার দিকে। হাকলো জন, দরজা খোলাই আছে, ভেতরে এসো।

কঁচি কোচ শব্দ করে দরজার পাল্লা ফাক হলাে, একজন মানুষ গলবার জন্য যথেষ্ট। করিডােরের আলােয় রাউলাকে দেখা যাচ্ছে স্পষ্ট। নিচু গলায় বললো ও, এ্যাই, আমি অন্ধকারে কিছুই দেখতে পাচ্ছি না।

‘আমি কিন্তু দেখতে পাচ্ছি তোমাকে, হাল্কা গলায় বললো জন, ‘তাড়াতাড়ি ভেতরে এসে’, আর দরজাটা লাগিয়ে দাও।

দরজা লাগানাের শব্দ হলো খুট করে। ছিটকিনিও লাগিয়ে দিলো রাউলা। আঁকড়ে ধরলাে ওকে। একি জন। বিস্মিত, জিজ্ঞাসা করলো রাউল, ‘একেবারে নগ্ন যে। ‘ঘুমােতে যাচ্ছিলাম। ‘আমাকে নেবে না? অনেকদিন পর দেখা আমাদের। নরম কণ্ঠে বললো রাউল।

‘হ্যা, অনেকদিন পর এলাম গ্রেজে। যাকগে, তুমি তাে কোনদিন আমার অনুমতি চাইতে না, আজ হলাে কি ? রাউলার দেহের কাপন অনুভব করছে জন নিজের দেহে। ওর সিল্ক গাউনের এখানে ওখানে কয়েকটা টান দিলাে জন, অন্ধকারের মধ্যেই ঠাহর করে করে। ঝপাত করে পায়ের কাছে পড়ে গেলো ওটা। এখন দুজনেরই পরনে আর একটিও সূততা নেই। বিছানার দিকে ওকে আকর্ষণ করলে জন। এরপর অন্ধকারের মধ্যে দুজনের ভারি নিঃশ্বাস, শেষে পরিতৃপ্তির আনন্দ-ধ্বনি এলাে রাউলার কণ্ঠ থকে।

বেশ কিছুক্ষণ ধরে পাশাপাশি শুয়ে রয়েছে ওরা। প্রথম উত্তেজনার ধকল কাটাচ্ছে ওরা। জন রাউলার নগ্নদেহ আবার টেনে নিলো বুকের মাঝে। এখন রাউলার দেহে আর সারা নেই। তবুও জনের কোমরের উপর তুলে দিলো রাউলা ওর ডান পা।………

………একটা গাছের আড়ালে দাড়িয়ে উকি মেরে আগে পরিস্থিতি বুঝে নিতে চাইলাে জন। স্থির হয়ে গেছে ও। দেখতে পাচ্ছে পুকুর থেকে একটা মেয়েকে পাঁজাকোলা করে তুলে নিয়ে আসছে একটা বিকট দর্শন লোক। পুকুর পাড়ে দাড়িয়ে রয়েছে আরেক জন। হাঃহাঃ করে হাসছে লােকটা। স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, লোকটার মুখ থেকে লােভের লালা গড়িয়ে পড়তে চাইছে। মেয়েটা ছটফট করছে লোকটার হাতের শক্ত বঁধনে। দুজনেরই কাপড় ভিজে গেছে। পাড়ে এসে শুকনো মাটির ওপর ধপাশ করে ফেলে দিলাে মেয়েটাকে, ককিয়ে উঠলাে ও। ওর পরনে পাতলা গাউন ভিজে হাটুর ওপর ওঠে গেছে। নগ্ন পা দুটো অদ্ভুত রকম ছন্দময় ও সুঠাম। ভিজে কাপড় গায়ে সেঁটে থাকায় ওর যৌবন প্রায় উন্মুক্ত। একদিকে কাধের ওপর থেকে ছিড়ে নেমে গেছে গাউন। ফলে একটা স্তন স্বল্প আলােয়ও ঝক ঝক করে উঠছে। পাড়ে অপেক্ষমান লােকটা এগিয়ে গিয়ে মেয়েটার পাশে দুপা ফাক করে দাড়ালো।

থর থর করে কাঁপছে মেয়েটার ভিজে দেহ। মেয়েটাকে যে তুলে নিয়ে এসেছে তার দিকে তাকিয়ে দ্বিতীয় লােকটা বললো, “ভাল কাজ দেখিয়েছে, দোনােহাে। এবার আমার পালা। আমার পর তুমিও ভাগ পাবে, কেমন ?

“ঠিক আছে, লিউক, তুমি আমার ওস্তাদ। যা বলবে তাই হবে, গদ গদ কণ্ঠে বললো দোনোহো।

একটু দুরে সরে এসে দোনোহো দেখার জন্য দাড়ালে পরিবাত ঘটনা। জিভ দিয়ে ঠোট দুটো চেটে নিলাে। ওর চোখ মেয়েটির নগ্ন যৌবনের ওপর। লিউক ওর জুতো শুদ্ধো একটা পা চাপিয়ে দিলো মেয়েটির একটি খোলা স্তনের ওপর।

কুত্তার বাচ্ছা। চাপা কণ্ঠে চিৎকার করে উঠলো। মেয়েটা। জবাবে হ্যা, হ্যা, করে হাসলো লোকটা। পা নামিয়ে নিয়ে এবার ঝুকে পড়লো মেয়েটার ওপর। বাম হাতে মুঠো করে ধরলে ওর বুকের কাছের কাপড়। অসহায় ভাবে মাথা এপাশ ওপাশ করছে মেয়েটা।

পুরো পরিস্থিতি বিবেচনা করে মুহূর্তেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললো জন। ওরা যেই হােক, ওর হাত থেকে আজ আর রক্ষা নেই।…..

……..ফিস ফিস করে বলে উঠলাে ছায়ামূর্তি, ‘জন, আমি, আমি ! নারীকণ্ঠ। | ‘কে, ম্যাগী ? তেমনি ফিস ফিস করে জিজ্ঞেস করলো জন। যদিও ও বুঝতে পেরেছে এটা ম্যাগী ছাড়া আর কেউ নয়। ‘হঁ, আমি, নরম কণ্ঠে জবাব দিলো ম্যাগী। খসখস শব্দ শােনা গেল অন্ধকারের মধ্যে। অন্ধকারে এখন চোখ সয়ে এসেছে জনের। ম্যগীর আবছা মুতি দেখতে পাচ্ছে ও। গলায় গাউনের বাঁধন খোলার চেষ্টা করছে মাগী। কয়েকটা টান দিতেই পায়ের কাছে ঝুপ করে গড়লাে সিল্কের গাউন। এখন ম্যাগীর পরনে আর কিছু নেই। উন্নত, পুষ্ট স্তন দুটো উজ্জলে হয়ে যেন আলাের মত জ্বলছে। এগিয়ে এলাে বিছানার দিকে। ঠোঁটের কোণে মৃদু হাসি। গর্বিত ভঙ্গীতে দুলে দুলে উঠছে স্তন দুটো। প্রশস্ত বুকের নিচে সরু কোমর। তার নিচে গুরু নিতম্ব। বিছানায় নিতম্ব স্থাপন করে জনের মুখের ওপর ঝুঁকে পড়লো ও। একটা পুরুষ হাত বেষ্টন করলাে রমণীর নরম কোমর, আরেকটা হাত আঁকড়ে ধরলো পুষ্ট স্তনের একটা। ম্যাগীর দেহে কাটা দিয়ে উঠলো। জনের ঠোটে সেঁটে গেল মাগীর নরম দুই ঠোট। ওর একটা হাত আবিস্কারের ভঙ্গীতে নেমে যাচ্ছে জনের পেটের ওপর দিয়ে নিচের দিকে। তল পেটের নিচে গিয়ে মাগীর হাত প্যান্টের ওপর দিয়েই অনুভব করলো পৌরুষের কাঠিন্য। এক ঝটকায় জন ওকে তুলে নিলাে বুকের ওপর।  খাটটা ক্যাচ ক্যাচ শব্দ তুলে প্রতিবাদ জানাতে থাকলাে।……

…….ঘরের সব প্রান্তে আলো পৌছায়নি ঠিক মতাে। বিছানা থেকে লাফ দিয়ে উঠলো একটা নগ্নদেহ। আর্তনাদ করে উঠলো মেয়েটা জনের দিকে চেয়ে। ঝট করে পাশ থেকে পেটিকোট তুলে নিয়ে সামনে ধরে ওর নগ্ন দেহ আড়াল করার চেষ্টা করছে। চোখে-মুখে স্পষ্ট আতংক। ওদিকে নজর দিলাে না জন। ……..

………এক পলকে জন ওর উম্নত বুকের শেষে গহীন অন্ধকার পর্যন্ত দেখলো, গাউনের বড়ো করে কাটা গলার ভেতর দিয়ে। উত্তেজনা সঞ্চারিত হলো সারাদেহে। নিজেকে কেমন যেন অভুক্ত অভুক্ত মনে হচ্ছে ওর। কয়েক পেগ হুইস্কি টানার পর রাতের খাবার শেষ করে ধীরে-সুস্থে উঠে গেল ওপরে। খুট করে শব্দ হলাে দরজায়, আস্তে আস্তে ফাক হলো একটু।

বিছানার ওপর উঠে বসলো জন। নিচে মাতালদের হৈহুল্লোড় কমে গেছে, রাত গভীর এখন। ল্যাম্পের আলাে একটু কমিয়ে দিয়ে চিৎ হয়ে শুয়ে ছিলো ও এতােক্ষণ। প্রথমে মাথা ঢোকালো রাউলা দরজার ফাক দিয়ে তারপর দেহ নিয়ে গলে পড়লো ফাক বড়ো করে, নিঃশব্দে। পেছনে হাত দিয়ে ঠেলে দিলো, আবার দরজা বন্ধ হয়ে গেলাে।

বিছানার পাশে এসে জনের চোখে চোখ রেখে হাসলো রাউলা পরনে গলা থেকে পায়ের গােড়ালী পর্যন্ত ঢাকা সিল্কের একটা গাউন। সামনের দিকটা পুরোটাই চেরা। গলার কাছে শুধু একটা বাধন। রাউলার হাত চলে গেলাে গলার ফিতের কাছে। একটা টান দিতেই কঁধ থেকে খসে গিয়ে ঝুপ করে পায়ের কাছে পড়লো গাউনটা। এখন একেবারে নিরাবরন দেই ওর। ওর সু-উচ্চ দুই স্তনের বােটা সূচের মতো খাড়া হয়ে আছে। বিছানার ওপর বসে রাজ-রাণীর মতাে পা-দুটো তুললাে ও। শুয়ে পড়লো কাত হয়ে জনের পাশে। জন শুয়ে শুয়ে এতােক্ষণ ওর কাণ্ড দেখছিলাে। ওর মুখেও হাসি। ওর একটা হাত চলে এলাে রাউলার বুকে। আর রাউলার একটা হাত চলে গেল জনের তলপেটের দিকে। একটানে প্যান্টের সামনের বোতাম খুলে ফেললাে ও। বাকী কাজটুকু করতে সাহায্য করলাে জন, নড়ে-চড়ে। এখন দুজনেই অদিম আর ইভ। মৃদু হেসে নিজেকে স্থাপিত করলো জন রাউলার ওপর। শুরু হলাে শরীরের দোলা।

‘আরে, আরাে জোরে জন, প্রিয় অামার, রাজপুত্র আমার ! খস খসে স্বরে বলতে লাগলো রাউলা। | দোলা বাড়লাে আরো। এখন খাটের সাথে সাথে গােটা ঘর কাপতে শুরু করেছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই রাউলার কথা যেন এক ধ্বনিতে পরিণত হলো। জনের শরীরের আন্দোলনের সাথে তাল দিয়ে চললো রাউলার কণ্ঠধ্বনি।

চুড়ান্ত পরিণতিতে পৌছে গেল ওর। কিছুক্ষণের মধ্যেই। শেষ পর্যন্ত আনন্দ ধ্বনি করে রাউলা জনকে চেপে ধরলাে বুকের ওপর। দুহাতের চাপে পিষে ফেলতে চাইছে যেন। ওর নরম দুই স্তন জনের বুকের তলায় নিষ্পেষিত হয়ে চ্যাপটা হয়ে গেল। | বেশ কিছুক্ষণ পর, দুজনে পাশাপাশি শুয়ে আছে। রাউলার ডান পা-টা জনের তলপেটের ওপর। ডান হাত বুকের ওপর। জনের বাম হাত ওর দুটো স্তন নিয়ে মৃদু খেলা করে চলেছে। নিরবতা ভাঙ্গলো রাউল।……

……জর্জ সেমসের বাড়ীর একটি ঘর গভীর রাতে অন্ধকারে ঘরের ভেতর দৃষ্টি চলে না। এরই মধ্যে খাটের ওপর শুয়ে আছে জন। ……হঠাৎ টুকটুক শব্দ হলো দরজায়। ধড়মড় করে উঠে বসলো জন। ওর সব চিন্তার খেই হারিয়ে ফেলেছে। কে হতে পারে ? নিজেকেই নিজে প্রশ্ন করলো জন। খাট থেকে আস্তে করে পা রাখলো মেঝেতে। উঠে দাড়ালো নিঃশব্দে। ধীরে ধীরে হেঁটে এলো দরজার কাছে। কোনােদিকে কোনাে রকম শব্দ নেই। ফিস ফিস করে জিজ্ঞেস করলো, কে ? ‘আমি, আস্তে করে জবাব দিলো একটি মেয়েলী কণ্ঠ।

এবার আর সময় নষ্ট করলো না জন। আস্তে করে দরজাটা খুলে ফেললাে। অন্ধকারের মধ্যে কোমল কিছুর স্পর্শ পেলাে ও। খােলা দরজা দিয়ে ঢুকেই ম্যাগী ঝাপটে ধরেছে জনকে। সময় নষ্ট না করে জন দরজাটা বন্ধ করে দিলাে। | সিল্কের গাউনে খস খস শব্দ করে হেঁটে চলেছে ম্যাগী বিছানার দিকে। খুব আস্তে চারপাশে হাত বাড়িয়ে ঠাহর করে এগুচ্ছে ও পাশেই জন। জন ওর সরু কোমড়টা জড়িয়ে ধরলাে। এক ঝটকায় টেনে এনে ফেললো বিছানার ওপর। ওর নিষ্ঠুর দুই ঠোট চেপে বসলাে ম্যাগীর নরম কোমল দুই ঠোটের ওপর। ইতিমধ্যে জনের হাত দুটো সক্রিয় হয়ে উঠেছে। শরীরের যত্রতত্র বিচরণ করছে জনের হাত দুটো। | এক ঝটকায় সরিয়ে দিলো ম্যাগী জনকে। ফিস ফিস করে বললো, “থামে না, একটুও তর সইছে না যেন। এতােদিন কি করে ধৈর্য ধরে ছিলো। জন উঠে বসলাে। ও বুঝতে পেরেছে ম্যাগীর এটা কপট রাগ।

অবািরাে খস খস করে শব্দ। এবার ঝাপিয়ে পড়লাে ম্যাগী জনের ওপর। হাত বুলিয়ে দেখলাে জন, মাগীর দেহে একটি সুতােও নেই। একটি হাত মাগীর উচু স্তনের ওপর পড়লো। দলিত-মথিত হতে লাগলাে মাগীর কোমল স্তন। ডান হাতটা ধীরে ধীরে পেটের উপর দিয়ে নেমে যাচ্ছে নিচের দিকে। শিউরে উঠলাে ম্যাগী। আর নিজেকে ধরে রাখতে পারছে না ও।

এবার উঠে দাড়ালাে জন ম্যাগীকে ছেড়ে। পলকের মধ্যে কোমরের বেল্টটা খুলে প্যান্টটা নামিয়ে আনলো। ওর উর্ধাঙ্গে পরনে কিছুই ছিলাে না। ঝাপিয়ে পড়লো ও ম্যাগীর নিবারণ দেহে।

অনেকক্ষণ পর। ক্লান্ত শরীরে শুয়ে আছে জন ও ম্যাগী। কিছুক্ষণ আগের তাণ্ডব এখন শান্ত হয়ে গেছে। শুধু নিঃশ্বাসের তালে তালে ওঠানামা করছে ওদের বুক। ওইটুকুই শুধু প্রাণের স্পন্দন জানান দিচ্ছে।…….

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *