হট গার্ল – ফেরদৌস আলম

›› পেপারব্যাক  ›› ১৮+  

পৃঃ১০..

……….ঝড়ো হাওয়া বইতে শুরু করল। আমার নাকে ! এ্যাঞ্জেলায়ও। পরস্পরের চোখে মুখে আছড়ে পড়ছে গরম নিঃশ্বাস। আরো শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো আমাকে। সেটে থাকলো আমার শরীরে সঙ্গে। আমি ওর কোমল বুক খানা বুকে চেপে পরস্পরের মধ্যে বিলীন হয়ে যেতে চাইছি। আর কি চাই । ……

নিঃশব্দে ঠোট ছাড়িয়ে ওর গলায় চুমু খেলাম। ভিজে গেলো জায়গাটা। ওর ঠোঁটের আদরের রসে।

নিঃশব্দে পাঁজা কোলা করে তুলে নিয়ে ওকে শুইয়ে দিলাম খাটে।

উঠে পরলাম আমিও আমাকে দুহাত বাড়িয়ে বুকে টেনে আনলো এ্যাঞ্জেল । দু’জনে গড়াগড়ি খেলাম আমার কোমরে ওপর একটা পা তুলে দিয়ে বুকের ওপর বুক চাপিয়ে দিলো । চোখে চোখে তাকিয়ে হাসলো।

“তুই তাে পাগল করে ফেলবি আমাকে। ‘পাগল তো হয়েই আছি আমরা দু’জনে’ বলে হাসলাম।

আমার চোখে মুখে ঠোটে ছুইয়ে আদর করলাে এঞ্জেলা। গলায় কাছে মুখ ঘষলো কিছুক্ষণ। তারপর একটা হাত তুলে আমার ঠোট জোড়া স্পর্শ করলো। হাতটা গলার পেছনে নিয়ে গেলো, তারপর ঠোটে নামিয়ে রাখলাে ঠোট। অামি তুলে নিয়ে চুষলাম। এই ঠোটের সুধায় তৃষা মেটে না আমার। এর স্বাদের শেষ নেই। আদর করছি পরস্পরকে, ঠোঁটে ঠোঁটে। আমাকে আবার আষ্টেপৃষ্ঠে জড়ালো এ্যাঞ্জেলা। ওর শরীরে কোমল ছোয়া আমার সারা শরীরে। কোমল আগুনের মতো আগুণ ধরিয়ে দিচ্ছে। আস্তে করে বুক থেকে নামালাম ওকে। স্কাটটা খুলে কাপড়ের আবরণহীন করলাম ওকে। নিজেও হলাম। ওর শরীরের ছোঁয়া যাতে এতটুকু অপচয় না হয়, তাই জড়িয়ে ধরলাম, মিশে থাকলাম ওর সারা শরীরের সঙ্গে।

কিছুক্ষণ পরস্পরের শরীরে উষ্ণতা অনুভব করলাম। এক সময় ওর নরােম বুকে মুখ নামিয়ে আনলাম । তুলে নিলাম, একটা নরম প্রান্ত মুখের ভেতর। নরােম উষ্ণতায় মুখ ভরে গেলো আমার ! চুষছি অনবরত, বাচ্চাদের মতো । উত্তাপ বাড়তে লাগলো শরীরে। ঘন হয়ে এলো শ্বাস প্রশ্বাস। অনুভব করলাম, এ্যাঞ্জেলার নরোম শরীরে মােচড়াচ্ছে আমার শক্ত বন্ধনের মধ্যে। কামড় বসালাম ওর অন্য স্তনে ফেপে কেপে উঠলো ও। ঠাটে ঠোঁট মিলিয়ে দিয়ে আবারও চুষলাম। এই সময় আবার নড়ে উঠলো এ্যাঞ্জেলা । ওর একটা নিয়ে গেলে আমার কোময়ের কাছে, উরু সন্ধিতে। আমার অমল পৌরুষটা খুজে নিয়ে মুঠ করে ধরলো ও। তারপর খেলনার মতো নেড়ে চেড়ে খেলতে লাগলো।  রাগে ফুসে উঠে দৈর্ঘ্য বাড়তে লাগলো ওটার।
‘এ্যাঞ্জেলা?’ ফিস ফিস করে ডাকলাম।

‘কি?’
‘ভালো লাগছে?’
‘হ্যাঁ বড় সুখ’
‘শুরু করবো?
‘আদর কর আমাকে, ও—ওই

কোমর দিয়ে আমার পৌরুষে ধাক্কা মারলো ও। ওটাকে মুঠ করে ধরে ঘষলে নরোম একটা এলাকায়। আমি শিউরে উঠে ঠেসে ধরলাম ওকে। পাগলের মতো কামড় দিলাম ওর নাকে কানের লতিতে। আমার মুচড়ে উঠলো এ্যাঞ্জেলা এবার ঠিক আমার কোমরের নিচে কোমর চালান করে দিয়েছে ও। ওকে সাহায্য করলাম, উঠে পড়লাম ওর ওপর।

নিজে থেকেই এ্যাঞ্জেলা আমার পৌরুষটাকে ওকে নরোম এলাকার চালান করে দিয়ে প্রান্তটা চেপে ধরতেই আমিও কোমরে চাপ বাড়ালাম । শক্ত পিচ্ছিল একটা এলাকায় সেঁধিয়ে গেলো আমার পৌরুষ। উত্তপ্ত একটা গুহা ! আমি আরেকবার চাপ দিতেই গুঙ্গিয়ে উঠলো এ্যাঞ্জেলা । তারপর আচমকা আমার ওপরের ঠোট কামড় দিলো। আমি ঠোট জোড়া আবারও মুখে নিয়ে ভিজিয়ে দিলাম । ধীরে ধীরে ওঠা নামা করছি  এ্যাঞ্জেলা নিচ থেকে সাড়া দিচ্ছে। গরম হাওয়া ছুটিছে নাকে মুখে। এ্যাঞ্জেলার নরম শরীরটা পিষে ফেলতে চাইছি।

এক সময় উন্মাদ হয়ে যায় শরীরের রক্ত। আমি এ্যাঞ্জেলার কোমর চেপে ধরে পিষে ফেলতে চেষ্টা করি। এ্যাঞ্জেলা শক্ত করে আমাকে জড়িয় ধরে উপভােগ করে আমার প্রতিটা নিস্পেন। পরস্পরের সঙ্গে মিলে মিশে একাকার হয়ে যায় আমাদের শরীর উষ্ণজলে ভিজে যেতে পাকে নিম্নাঙ্গ, আনন্দের জোর জলে। ক্লান্ত হয়ে হাপাতে লাগলাম আমরা দুজনে।

আমি জিনিসটা বের করতে যেই পিছিয়ে যাবো, অমনি এ্যাঞ্জেলা অকড়ে ধরলো আমাকে।

থাকুক। এটা, ওখানেই থাকুক। কি দরকার?

‘না-না, ওটা ওখানেই ঘুমোক।’ দুষ্টমির হাসি এ্যাঞ্জেলার  মুখে। আমি হাসলাম। এ্যাঞ্জেলা আমার গলার কাছে মুখ ঘষতে লাগলো। ওকে আমার সারাদিন সবকাজ ফেলে শুধু আদর করতে ইচ্ছে করে।

এ্যাঞ্জেলা ?
হু।
ওঠো
না।
‘তাহলে?
‘আমাকে আদর কর আদর কযর। ভালােবাসি তােকে ভালবাসি ।
অাবার।
হ্যা। আবার এবং আবার এবং অবার যুগের পর যুগ যতদিন না শেষ হয়ে যায় আমাদের যৌবন ।।
‘তাহলে তোকেও তো শুরু করতে হচ্ছে।
হ্যা।
‘ওঠ তাহলে।
‘উম? ‘ এ্যাঞ্জেলা আমার নিচের ঠোঁট কামড়ে দিলো।
‘আই লাভ ইউ।
‘ইয়া, ইউ লাভ জাস্ট লাভ মি এগেন।
এঞ্জেলা হঠাৎ শরীর মুচড়ে সরে গেলো আমার বুকের নিচ থেকে। বিছানায় বসলো, তারপর আচমকা মুঠ করে ধরলো আমার পৌরুষ। একটা তোয়ালে দিয়ে জিনিষটা মুছলো ও। তারপর আলতো করে চড় মারতে লাগলাে ওটার গায়ে। আমি চুপচাপ পড়ে থাকলাম।
এটা আমার।’ বললো এ্যাঞ্জেলা
নিয়ে নে।
‘কোথায় রাখবাে?”
“তোর গুপ্ত গুহায়।
হ্যা ওটাই এর একমাত্র জায়গা।
আদর করতে লাগলো এ্যাঞ্জেলা। আমার পৌরুষ আবার সজাগ হয়ে উঠলো।
আচমকা আরেকটা কাণ্ড করলো এ্যাঞ্জেলা। মুখ নামিয়ে কামড়ে দিলো ওটার গায়ে।
করছিস কি?’ বললাম আমি।
‘কিছু না।
‘কিছুই না। দুষ্টমি করলাম আমি।
চুপ কর তো।
আমার ঠোট জোড়া টিপে বন্ধ করে দিলো এ্যাঞ্জেলা ওর দু’বোগলের নিচে ধরে ওকে বুকে টেনে নিলাম। কোমল হাতে আমার গলা জড়ালো এ্যাঞ্জেলা। ওর ঠোটে আলতো করে কামড়ে দিয়ে চুমু খেলাম। নিচের ঠোট মুখে পুরে ফেললাম সবটুকু। নরােম অধরে অধর রেখে আদর করছি ।
চোখ বুজে আছে ও। আমি দীর্ঘ একটা চুম্বন শেষে ওর বুকের নরম স্তন হাতে নিয়ে খেলতে শুরু করলাম। আঙ্গুলের ফাক দিয়ে নরম মাংস বেরিয়ে পড়ছে প্রত্যেকটা দলায় ।
এ্যাঞ্জেলা অামার পৌরুষটাকে এক হাতে নিয়ে নাড়া চাড়া করছে। আমি ওর বুকের বল দুটো নিয়ে খেলছি কখনও মুখে নিয়ে চুষছি ।
‘শােন ফিস ফিস করে ডাকলো এ্যাঞ্জেলা।

ওর চোখের খুব কাছে গিয়ে তাকালাম। সুন্দর চোখে কামনার আগুন ওর । ‘আমাকে মেরে ফেলবি। ফিস ফিস গোঙ্গানীর স্বরে বললো এ্যাঞ্জেলা । হ্যা, মারবোই তো তোকে।
‘পিষে ফেল তার শরীর দিয়ে।
‘পিষছি।
ওর শীরটাকে শক্ত করে বুকে চেপে পিঠে মৃদু-মৃদু করে হাত ঘসে দিতে লাগলাম পিঠের ওপর দিয়ে হাতটা ওর কোমরের দিকে এগিয়ে নিলাম। যতই নিচে যাচ্ছে হাত, ওর নরোম কোমরট। ক্ষীণ থেকে স্ফীত হচ্ছে। উঁচু জায়গায় গিয়ে স্থির হলো আমার হাত। আস্তে আস্তে হাত ঘষে দিলাম। শিউরে উঠলো এ্যাঞ্জেলা।

লক্ষ করলাম দু’পা দু’দিকে ফেলে দিচ্ছে এ্যাঞ্জেলা। আমি পেছন থেকে উরু সন্ধির ভেতর হাত চালান করে দিয়ে ওর গোপনাঙ্গটা স্পর্শ করলাম হাতের তালু দিয়ে ঘষে দিলাম জায়গাটা তারপর একটা আঙ্গুল সোজা চালান করে দিলাম জাগা মতো। গরম পিচ্ছিল এলাকায় ঢুকে পড়লো ওটা।
‘এ্যাই- ধুৎ ।
আপত্তি করলো এ্যাঞ্জেলা ! হাসলাম অমি। ‘অসুবিধা হচ্ছে তোমার?
‘হাত সরাও।
‘বলো কি।
“আমার পৌরুষের গায়ে আলতা করে চড় মারলো , ‘এটা কি তুলে রাখবে নাকি?
না
‘তাহলে ওখানে একমাত্র এ ছাড়া আর সব কিছুর প্রবেশ নিষেধ’
“কি করবাে তাহলে?
‘হাত সরাও।
‘সরালাম।
‘এবার ওকে নিয়ে যাও এখানে।
ওকে শুইয়ে দিলাম চিত করে। বসলাম এর কোমরের ওপর। বা হাতে ওটাকে ধরে লক্ষ্যস্থলের মুখে চেপে ধরে আস্তে কোমরে চাপ দিলাম।
হারিয়ে যেতে লাগলো ওটা। আরেকটু চাপ দিতেই পিচ্ছিল গর্ত গিলে ফেললো উত্তপ্ত দন্ডটা। পিছিয়ে এলাম। জিনিষটা বেরিয়ে এলো অর্ধেক। ভিজে গেছে ওটা। আবার চাপ দিলাম। হারিয়ে গেলে ওটা।  আমার পিঠে এ্যাঞ্জেলার হাতের নখ বসে যেতে লাগলাে। শুয়ে পড়লাম ওর বুকে। ঠোটে ঠোট নামিয়ে আনলাম। ওর উষ্ণ জিবের সন্ধান পেলাম। জিবটা চুষে দিতে লাগলাম। হাপাতে শুরু করলাম দুজনে। যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে আমাদের। রেসলিং শরীরের স্ত্রী স্টাইল রেসলিং। কামড়ে দিলাম ওর নাক আর গাল। এ্যাঞ্জেলা পাগল হয়ে গেলো আমার কাঁধে জোরে কামড়ে দিলাে তারপর আমার খসখসে দাড়ি ওঠা গালে মুখ ঘষতে শুরু করলো। চরম মুহূর্ত এসে গেলাে। জাপটে ধরে রাখলাম পরস্পরকে। টানটান হয়ে গেলো আমার শরীর। ওর কোমরের সঙ্গে সেধিয়ে ঝেতে লাগলো আমার কোমর। বিস্ফোরিত হলো ভালােবাসা। পরস্পরের কাঁধে মুখ গুজে অনড় পড়ে থাকলাম আমি আর এ্যাঞ্জেলা।………

পৃঃ ৪৯…

….লিফট থেকে করিডোরের দু’পাশে তাকালাম। কেউ নেই। কোমর জড়িয়ে ওকে কাছে টানলাম। ওর কোমরটা খুব সুন্দর। সরু কোমর, ওর নিতম্ব, স্লিম। রুমের ভেতর ডুকেই দরোজা সেটে দিলাম।

ফোনে রুম সার্ভেসকে ডাকলাম। এক বোতল শপনের অর্ডার দিয়ে ফিরে এলাম মরফিনের কাছে।

চেয়ারে পায়ের ওপর পা তুলে বসেছে। চোখে মদির দৃষ্টি। হাত বাড়াতেই ওঠে এসে ধরা দিলো বুকে। আমার কঠিন বুকে ওর নরম শরীরটা বিছিয়ে দিয়ে হাসলো। আমি ওর চোখে, নাকে চুমু খেলাম। চোখ বুজে থাকলো মরফিন। ওর কাপা কাঁপা নিশ্বাস আছড়ে পড়ছে আমার চোখে-মুখে। তাতে ওর শরীরের আসল সুবাস। রুম সার্ভিস এসে টোকা দিলো দরোজায়। দরোজা খুলে দিলাম আমি। …….. গ্লাস নামিয়ে রাখলাম। ওর গ্লাসটাও নামিয়ে রেখে দিলাম টেবিলে। পাজা কোলা করে তুলে নিলাম ওর নরোম শরীর। বিছানায় নামিয়ে রেখে পাশে বসলাম। জুতোটাও খুলিনি। শুয়ে পড়লাম ওর বুকের ওপর। আস্তে করে আমার ঘাড় জড়ালো মরফিন। ঠোট জোড়া ফাঁক করলো আমার জন্যে ওর চোখ জোড়! বুজে এলো গাঢ় অদরে। ফিসফিস করলাম ওর কান, মরফিন ?

‘বলো ।’ “আই লাভ ইউ। ‘ইয়েস, মাই ডার্লিং, আই লাভ ইউ টু। ওর নাকে নাক চেপে ধরলাম। চেয়ে চেয়ে দেখছি ওর মুখটা। নেশা জাগে ওকে দেখলেই। আস্তে করে ঠোট চাপিয়ে দিয়ে অনুভব করলাম ওর নরোম অধর। এত নরম যে পিচ্ছলে আমার মুখে অনেক টুকু চলে যায়। …….এগিয়ে গেলাম। ওর কোনাে প্রস্তুতি দেখতে পাচ্ছি না। যেভাবে শুয়ে ছিলাে, সে ভাবেই আছে ভদ্র পোশাকে। ‘তুমি রেডি, লাভ? “তােমার অপেক্ষায়।

‘খােলসটা ছাড়ছো না ক্যানাে? ‘তুমি এসে খুলে দাও। এতে খুব এ্যাপিল হয় আমার। উঠে গিয়ে বসলাম ওর কাছে। বাতিটা অফ করে একটা কম পাওয়ারের নীল বাতি জ্বেলে দিলাম। মফিনকে তুলে আনলাম বুকে। ধীরে ধীরে কাজটা শুরু করলাম। অল্প অল্প করে উম্মােচন করছি ওর কমনীয় শরীর। শরীরের রহস্য উধ্বাঙের কাজটা সেরে ওর নরম স্তনে একটা আলতাে কামড় দিলাম। আমার মাথাটা দুহাতে বুকে চেপে উত্তেজনায় উ-উ করে উঠলাে ও।

স্কার্টটা খুলে নিলাম। বাকি শুধু রসুনের আবরণের মতো পাতলা স্বচ্ছ সিল্কের প্যান্টি । খসিয়ে নিলাম সেটাও। এখন শুধু মরফিনের উন্মক্ত আকর্ষণ। এক কামনার বহ্নিশিখা। বুকের সঙ্গে পিষে ধরলাম ওর বুক। আমার বুকের ভেতর ওর নরম শরীরের ঘুপাড়ানিয়া দোয়ায় দাউ দাউ কয়ে জ্বলে উঠলো আগুন। ওর নরম ঠোট থেকে শুষে নিচ্ছি আদর। একটা হাত ওর কোমরের নিরে ধীরে ধীরে বুলিয়ে দিতে লাগলাম। উচু-নিচু রহস্য । রহস্যময় শরীর । আমার অসভ্য হাতটা চলে গেলাে নাভি উপকুল পেরিয়ে মহিসােপানের অনেক নিচে — সমুদ্রের অনেক গভীরে। কেঁপে উঠলাে মরফিনের উরু সন্ধি। আমি ধীরে ধীরে কচলে দিলাম ওখানটায়। বিড়বিড় করে উঠলাে মফিন, ‘ওহ, ডারলিং, ওহ।

আমার বুকে ঝাপিয়ে পড়ে মুখ ঘষতে লাগলাে ও। একটা হাত কিলবিল করতে করতে আমার নিম্নাঙ্গের দিকে চলে গ্যালাে। ওর নরোম মুঠোয় স্থান পেলাে আমার প্রসারিত পৌরুষ। হাত বুলিয়ে দিচেছ মফিন। আমি বিস্ফোরনোন্মুখ হয়ে উঠছি। কাপছি। একটা স্বাভাবিক উন্মত্ততা গ্রাস করছে আমাকে। আমি পশু হয়ে যাচ্ছি। কামড়ে ধরতে মন চাইছে ওর প্রত্যেকটা উচ:নিচু অঙ্গ।

পাগল হয়ে গেছি। দু’জনেই। আমি ওর স্তন জোড়া নিয়ে খেলছি। কামড়ে দিচ্ছি থেকে থেকে। মরফিনও পাল্টা আক্রমণ হানছে। আমার কাঁধে বসে যাচ্ছে ওর দাতগুলো। এক সময় থরথর করে কাঁপতে লাগলো আমার আর ওর শরীর। মরফিন অক্টোপাসের মতাে আমাকে আঁকড়ে ধরলাে। আমি ওর নরম শরীরে ডুবে যাচ্ছি। বিলীন হয়ে যাচ্ছি।

কোমড় দিয়ে আমাকে দু’বার আঘাত করলাে ও। আমিও সাড়া দিলাম। আস্তে করে আমার বিখ্যাত জিনিষটা ধরলাম তাক করে। তারপর সজোরে চাপ বাড়াতেই একটা পিচ্ছিল গহবরে হারিয়ে গেলো ওটা। একটু পিছিয়ে আসলাম। আবার প্রেস। পূল এণ্ড প্রেস। পুল এণ্ড প্রেস। গােঙাতে শুরু করলাে মরফিন। কামড়ে কামড়ে খাচ্ছে আমার শরীর। দাত গুলো চিন চিন করে বসে যাচ্ছে মাংসে। ব্যথাটা অনুভব হচ্ছে না। অন্য কোন অনুভূতি নেই। একটাই  আমার অনুভুতি। মরফিন। সুন্দরী মরফিন। সুন্দর ওর নগ্ন শরীর। ওর শরীরের উষ্ণ কোমল ছোঁয়া। | ওর উৎক্ষিপ্ত নরােম কোমরে আমি দানবীর উন্মতায় দাবিয়ে দিচ্ছি আমার লৌহ শরীর। থেতলে যেতে চাইছে ওর শরীর। আমি এই থেতলে ফেলার মধ্যেই যেনো একটা উন্মত্ত মজা পাচ্ছি। অপেক্ষা আরো অসহনীয় হয়ে উঠলো। আমি আগের চাইতে দ্রুততর করলাম। পুল এণ্ড প্রেস ওয়র্কে। মােচড়াচেছু ওর সরস শরীর। আমি সব রস নিংড়ে নেবার যুদ্ধে ওকে ঠেসে ধরছি। আর মফিন যেনো আমাকে পাত্তাই দিচ্ছে না। আরো জোরে নিজের দিকে টেনে ধরছে আমার কোমর। মোচড়াতে মােচড়াতে বিছানায় গড়াগড়ি খেতে লাগাম আমরা। হুস নেই। আমারও না। ওর না। দুজনে মিলে মিশে একখানি হয়ে গেলাম। আমার ইচ্ছে করলো সারাটা জীবন এভাবেই থাকি। দু’জনে এক খানি হয়ে। কোন দুঃখ থাকবে না। কথা থাকবে না। পরস্পরকে ভাবনাহীন আকড়ে থাকা। আর কোন কাজ নয়। টান টান হয়ে এলো আমার শরীর। আশার উপ্তত্ত শরীরের নিচে অক্টোপাসের মতো জড়িয়ে আচ্ছে অদ্ভুত সুন্দর একটা শরীর। ওটা আমার ভাবী স্ত্রী মরফিনের আমি আড়চোখে মরফিনের যােনিটার দিকে তাকালাম। ফুলে ফুলো মাংস মুঠো ভর্তি কচি যােনি। আমি মুখ নত করে যােনির লাল চেরা জায়গার  মধ্যে জিভের আশা ঢকিয়ে চুষতে লাগলাম আর দু’হাত বাড়িয়ে মরফিনের স্তন দুটো দু’হাতে ধরে টিপতে লাগলাম। স্তন টিপলেও যে এত আরাম হয় তা মরফিন জানত না। সে আবেশ ভরে বলে উঠল “ওগাে, আরাে জোরে জোরে টিপাে। আমিও যােনি চুষতে চুষতে মরফিনের খাড়া খাড়া তাজা স্তন দুটো খুব বেশী করে টিপতে লাগলাম। অল্পক্ষণের মধ্যেই ওর স্তন দুটো টিপনের চোটে লাল হয়ে গেল। তার সারা দেহে যেন কামের অগ্নিস্রোত বইতে লাগল। মনে হচ্ছে যােনির ভিতরটা বারুদের স্তুপে পরিণত হয়েছে যে কোন সময় বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।

আমি ওর অবস্থা বুঝতে পারলাম, ও গরম হয়ে উঠেছে। এবার আমার মােটা লিঙ্গটা ওর লাল টকটকে যোনির মুখে লাগিয়ে জোরে ধাক্কা দিলাম। দশ ইঞ্চি লিংগ ছয় ইঞ্চির মত এক চাপে ঢুকে গেল। ওর যােনিটা এত ছোট যে আমার মনে হলো লিঙ্গটা একটা পরম যাতাকলের ভিতর ঢুকে গেছে। এবার আমি ওর কচি স্তনের বোঁটা চুষণ মদন করতে লাগলাম। আর পর্যায়ক্রমে টিপতে লাগলাম। এভাবে সুন্দরভাবে মরফিনের স্তন দুটো চোষা ও টিপার ছোটে ওর সর্বশরীর কামে আকুলীত হয়ে উঠল। সে উ-আ শুরু করল। আমি বুঝতে পারলাম যে কুমারীর যােনি ভেদ করা এটাই প্রকৃত সময়। আমি তখন মরফিনের নিটল স্তন দুটো দু’হাতে নিয়ে মুঠো করে চেপে কোমরটা একটা উচু করে প্রচণ্ড জোড়ে ধাক্কা দিলাম। ভস করে একটা একটা শব্দ হল। মরফিন ও-মা-বলে আতকে উঠল।

আমার কৌশলী লিঙ্গের মোক্ষম চাপে ওর সতীচ্ছদ বিদীর্ন হয়ে গেল। সেই সাথে কয়েক ফোটা তাজা রক্ত ও বেরিয়ে এলো। এবার আমি আসল কাজ শুরু করলাম। আমি ওর ভরাট পাছাটা দুহাতে খামছে ধরে কাজ চালালাম। এভাবে কিছু সময় পরে হঠাৎ করে মরফিন চিৎকার দিয়ে উঠল’ ও-কি মজা কি মজা। একটা চাদরের নিচে পাশাপাশি চিত হয়ে হাসছি। দুজনে। মরফিন উন্নত বুকটা ঘন-ঘন ওঠানামা করছে ঘাড় ফিরিয়ে আমার মুখের দিকে তাকালো ও। তারপর উঠে গিয়ে শ্যাম্পেনের বোতল থেকে দু’টো গ্লাস ভরলো।

শুকিয়ে গিয়েছিলো গলা। মরফিন কোলে নিয়ে চুমুক দিয়ে গলা ভেজালাম। বিশ মিনিট পর মরফিন একা আরেক গ্লাস শ্যাম্পেন ঢেলে নিলো। বিছানায় উঠে এসে হঠাৎ আমার পায়ের কাছে বসে পড়লো। তারপর লম্বাল স্ব হয়ে শুয়ে পড়লাে আমার পর। ওর কাণ্ড দেখছিলাম ! মুখের কাছে গ্লাস এনে একট, ঢেলে দিলাে ও। গিলে ফেললাম। নিজেও চুমুক দিলাে ও। আচমকা গ্লাসটা হাতে রেখেই উঠে । আমার বুকের ওপর বসে পড়লাে, দুপা দুদিকে ছড়িয়ে । আমি স্থির দৃষ্টিতে ওর নিম্নাঙ্গের দিকে চেয়ে থাকলাম আচমকা ওকে ঠেলে নামিয়ে দিলাম বুকেয় ওপর থেকে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মরফিনের মুখের কাছে মুখ নিয়ে  চুমু খেলাম। একটা হাত আগেই চলে গেছে নিচে, খামচে ধরছে কোমর। হঠাৎ করে আমাকে ধাক্কা দিয়ে এক পাশে সরিয়ে দিলো মরফিন। পরমুহুর্তে আমার কোমরের কাছে পৌরুষের গায়ে একটা মােলায়েম অনুভূতি হলো। তারপর ছোট একটা কামড়ের অনুভূতি।

আমি শ্যাম্পেনে চুমুক দিচ্ছি ধীরে ধীরে। আমার একট। অঙ্গ নিয়ে খুব মনোযােগ খেলছে ও। আমি দর্শকের মতাে উপভোগ করছি ব্যাপারটা মরফিন একটু নতুনত্ব এনেছে। ভালই। বেশিক্ষণ শ্যাম্পের খেতে পারলাম না। দু’মিনিটেই আমার রক্ত উত্তপ্ত হয়ে গেলো। আমি ঝাপ দিয়ে ধরলাম মরফিনকে। যেনো ছিড়ে ছুরে খেয়ে ফেলবো ওর শরীর।

আবার মল্ল যুদ্ধ শুরু হয়ে গেলো আমাদের। দু’জনেই গড়াচ্ছি। বাটের এপাশ থেকে ওপাশে ও পাশ থেকে এপাশে। চুমু পর্ব শেষ। এবার পাশবিক দাতের কামোড় যুদ্ধ। আমি যখন যেখানে সুযােগ পাচ্ছি মরফিনের পায়ে মরফিনও একই ভাবে প্রত্যুত্তর করছে। গড়ান খেয়ে আমি নিচে চলে এসেছি। মরফিন আবার নিচে চলে যেতেই কি হলো দুজনেই দপাশ করে পড়লাম নিচে কাপের্টে।  আশ্চর্য, আমার মনে হলাে আমরা আদম-হাওয়ার মতাে আচমকা ছিটকে পড়েছি স্বর্ণ থেকে মর্তে। তবু ছাড়লাম না কেউ কাউকে। সেখানেই জমাট বাধতে বাধতে আমাদের দু’জনের আদরই বিস্ফোরিত হলো। কিছুক্ষণ পর মাথার পেছনে হাত দিয়ে দেখলাম পড়ে গেল অালু বানিয়ে ফেলেছি। মরফিনও দেখলাম একটা হাত টিপছে। দু’জনের অবস্থা দেখে দু’জনেই সশব্দে হেসে উঠলাম আমরা দু’জন নগ্ন মানব মানবী।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *