আসামী হাজির – সুমন চৌধুরী

›› পেপারব্যাক  

পৃঃ ১০,

…….দরজার দু’পাট দু’হাতে ধরে দাঁড়িয়ে আছে একটা মেয়ে। তিরিশের মধ্যেই হবে ওর বয়স। সত্যিকার সুন্দরী মেক্সিকান বলতে যা বােঝায়, মেয়েটা তাই। ওর কাপড় চোপড় ওকে আরাে মােহময়ী করে তুলেছে। দেখে মনে হচ্ছে, স্বর্গ থেকে যেন কোন দেবী নেমে এলেন। | সমস্ত রাগ কাঠিন্য দূর হয়ে লালসা ভর করলাে তিনজনেরই চেহারায়। ওদের সবার চোখ মারিয়ার ওপর। চোখ দিয়ে গিলছে যেন ওকে । বেশ। দীর্ঘদেহী এবং সুন্দর একহারা গড়ন মারিয়ার। প্রায় গোড়ালী পর্যন্ত সাদা পোষাকে ঢাকা ওর দেহ। পায়ে ওর কালাে রাইডিং বুট। লাে-কাট ব্লাউজের ফাঁক দিয়ে ওর সুগঠিত বুকের অধিকাংশই দৃশ্যমান। স্তন দুটো যেন টাইট ব্লাউজ ফেটে বেরিয়ে আসতে চাইছে। ওর গায়ের চামড়ায় শ্যামল মায়া। ………

পৃঃ ১৩,

………মেরিক চুমু খাওয়ার চেষ্টা করলাে মারিয়ার মুখে। ঝাঁকুনি দিয়ে মাথা সরিয়ে নিলাে মারিয়া। ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলাে মেরিক। ওর ব্লাউজের সামনের দিকটা ধরে হেঁচকা টান দিলাে, ফড়াৎ করে ছিড়ে গেলাে সম্মুখ ভাগ। স্তন। দুটো লাফ দিয়ে বেরিয়ে পড়লাে। হেসে উঠলাে ওরা সবাই।

মারিয়া দু’হাত দিয়ে বুক ঢাকার চেষ্টা করছে। জনসন ওর কোমর। পেঁচিয়ে ধরলাে । ….. জনসন বললো, মেয়েদের মুখে এমন কুৎসিত ভাষা মানায় না।’ বলে ঠোটটা জিভ দিয়ে চাটলাে। মারিয়ার দেহের প্রতিটা বাক ও অনুভব করছে।…

পৃঃ ১৭,

….ভেজা কাপড়-চোপড়েই বসে আছে চান্স বিছানার ওপর। দোতলার একটা কক্ষ এটা। কয়েক ঢােক নির্জলা হুইস্কি পান করে স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়লাে ও। এবার তাকালাে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মারিয়ার পানে। ওর দেহের উত্তাল তরঙ্গ চান্সের বুকে জ্বালা ধরিয়ে দিলাে। বললাে, “ভেজা কাপড়ে আর কতক্ষণ থাকবে। খুলে ফেলাে; নির্দেশের মতাে শােনালাে ওর থা।

কোনাে প্রতিক্রিয়া নেই মারিয়ার চোখে মুখে। এক এক করে খুলে ফেললাে ওর সমস্ত কাপড়। এখন সম্পূর্ণ নিরাণ ও। কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে রইলাে চান্স ওর সুন্দর দেহের দিকে। পুরুষ্ট স্তন, নিটোল দেহ। ক্ষীণ কটিদেশের নিচেই বিশাল নিতম্ব 

দরজাটা বন্ধ। চান্স বলে উঠলাে, অনেকদিন পর তাই না।’ কোনাে বাব দিলাে না মারিয়া। সরে গিয়ে চান্সের পাশে বিছানায় বসলাে। আর দেরি করলাে না। ঝাপিয়ে পড়লে চান্স মারিয়ার ওপর। অস্কুট গােঙানী দিয়ে পেঁচিয়ে ধরলাে মারিয়া । ঝড় বয়ে গেলাে বিছানার ওপর দিয়ে।……..

পৃঃ ৩২,

……. মারিয়ার লােক-কাট ব্লাউজের গলার দিকে তাকিয়ে। ওর পুষ্ট স্তন দুটো অধিকাংশই দেখা যাচ্ছে। ঠোটটা চাটলাে চান্স, সময় থাকলে এক বিছানায় গড়িয়ে নেয়া যাবে আবার, কি বলাে। এটা নিশ্চয়ই মান বিছানায় আমার মতো ভালাে সঙ্গী আর হতে পারে না!’…….

পৃঃ ৫৩-৫৪,

…….হ্যাপী ডে’জ সেলুনের কাছাকাছি পৌছতেই ওরা সবিস্ময়ে দেখলাে, ” দু’টো নারী দেহ ছিটকে এসে পড়লো রাস্তার ওপর, সেলুনের টউইং ঠেলে। ওদের কাপড়-চোপড় ছেঁড়া-ফাড়া! একজনের একটা বিশাল স্তন বেরিয়ে আছে ছেড়া ব্লাউজের ফাক দিয়ে। আরেকজনের নিম্নাঙ্গে প্রায় কিছু নেই বললেই চলে। রাস্তার ধূলাের ওপর মুখ গুজে পড়েছে ওরা । | গালাগাল দিয়ে উঠলাে একজন, কুত্তার বাচ্চারা!’ ব্লন্ড মেয়েটা ব্লাউজটা টেনে টুনে স্তন ঢাকার ব্যর্থ প্রয়াস চালাচ্ছে। ভেতর থেকে হাে হাে হাসির শব্দ ভেসে আসছে। অনেক কষ্টে উঠে দাঁড়ালাে দুজনেই।

অপরজন ব্রনেট। দৈর্ঘ্য মাঝারী। মজা ফুরিয়ে যেতে ধাক্কা দিয়ে বের করে দিয়েছে ওদের, রামন ও তার সঙ্গীরা। ….মেয়ে দু’টোর প্রায় অনাবৃত শরীর দেখে বেশ মজা পাচ্ছে নিমেস। জিনিস ভালােই, মনে মনে বললাে ও।……

পৃঃ৫৯-৬১,

………মিস টি’র সঙিনীর নাম লিসা। পৌছে গেলাে ওরা ঠিক সময়েই। দুজনেই ভেলভেটের সুন্দর গাউন পরেছে। একজনেরটা নীল, অন্যটা লাল । অদ্ভুত সুন্দরী মনে হচ্ছে ওদের। গায়ের সাথে টাইট গাউনটা সেঁটে থাকায় নিতম্ব পর্যন্ত দেহের প্রতিটা রেখা সুস্পষ্ট।……..

…বললাে লিসা, “ভােরেই চলে যাবে তােমরা? কি করে সম্ভব?’

“কেন?” সমস্বরে আওয়াজ তুললাে দুজনে। ‘এ রাত তাে ফুরােতে দেবাে না আমরা,’ বললাে লিসা।

তােমাদের মতো বীর পুরুষদের সেবা করার জন্যেই তো এসেছি আমরা। সত্যি এরকম পুরুষ বহুদিন চোখে পড়েনি আমার।’

কিছু বললাে না চান্স ও নিমেস। শুধু অর্থপূর্ণ দৃষ্টি বিনিময় করলাে ওরা। চোখ কৌতুকে নেচে উঠেছে ওদের। একটা রাত উপভােগ করতে আপত্তি নেই কারাে।

খাওয়া শেষ হবার সাথে সাথেই বিশাল বিছানায় গা এলিয়ে দিয়েছে শসা ও মিসটি দু’জনেই। চান্স ও নিমেস চেয়ারে বসে, হাতে ব্রান্ডির গ্লাস।

চিৎ হয়ে শুয়ে আছে লিসা। ওর বিশাল স্তন দুটো পিরামিডের মতাে খাড়া হয়ে আছে। নিঃশ্বাসের তালে তালে ওঠা নামা করছে ও-গুলাে। চান্সের চাখ ও-দিকে। লিসা কামনার চোখ দিয়ে আমন্ত্রণ জানালাে ওকে।

আর পারলাে না চান্স নিজেকে ধরে রাখতে। ঝাপিয়ে পড়লাে বিছানায়। এদিকে মিস টি উঠে চড়ে বসেছে নিমেসের কোলে।

কয়েক মিনিট পর, চারজনেরই দেহে একটি সূতােও নেই। চান্স ও নিমেস আবিষ্কার করলাে জীবিকার জন্যে মেয়ে দুটি দেহবৃত্তি করলেও, ওদের শরীরের মসৃণ পেলবতা নষ্ট হয়নি এতটুকু।

আদিম খেলায় মেতে উঠলাে ওরা চারজন। লজ্জা নেই ওদের। মারামারি, হানাহানি, টাকা পয়সা সবকিছুর কথা ভুলে গেলাে। ঘরে ভেসে বড়াচ্ছে কেবল শীৎকার ধ্বনি। আর কিছুক্ষণ পরপর সঙ্গী বদল হচ্ছে এদের। ডাের । চান্স ও নিমেসের রওনা হবার পালা । সারা রাতের বন্যতার পরও ওদের সতেজই দেখাচ্ছে। নিজেদের কাপড়-চোপড় পরে তৈরি হয়ে গেছে। ‘স টি ও লিসা কাপড় পরে ফেলছে। সারা দেহে ও চেহারায় ওদের তৃপ্তির মভাস। এই প্রথম ওরা সত্যি সত্যিই দেহ উপভােগ করলো।…….

পৃঃ ৬৭-৬৮,

….একটু দূরে ঘােড়াটা বাধলাে চান্স, একটা পাথরের সাথে। নিমেসের ওয়াগন রয়ে গেলাে নদীর পারেই। কামাতুরা ছয় রমণী খেয়ালও করলাে না ওয়াগনটার দিকে।

চান্স আর নিমেস নিরাপদ জায়গায় রেখে গেলাে ওদের অস্ত্র-শস্ত্ৰ । সেই সঙ্গে কাপড়-চোপড়ও। মেয়েগুলাের চোখ রাইফেলের বাট ছুঁয়ে ওদের দিকে চেয়ে আছে। দু’জনের তামাটে শক্তিশালী দেহ দেখে খুশিতে হেসে উঠলাে ওরা। কয়েক মিনিটের মঞ্চে নিরাবরণ হয়ে পড়লো ওরা ছয়জনও। তিনজনের দু’টো গ্রুপে ভাগ হয়ে ঘিরে ধরলাে চান্স ও নিমেসকে। বেশ মজা পাচ্ছে নিমেস। | চান্সের গ্রুপে আছে মেক্সিকান ব্লন্ড, নিগ্রো ও লাল চুলাে। নিমেসের রুপে অন্য তিন মেক্সিকান। চকিতে চান্সকে ল্যাং মারলাে মােনা। পড়ে গেলাে চান্স। সাথে সাথে ঝাপিয়ে পড়লাে ওর ওপর তিনজনই। সামলে নিয়ে মােনার বিশাল একটা স্তন আঁকড়ে ধরলাে চান্স । ও-দিকে নিগ্রোটা পড়েছে ওর নিম্নাঙ্গের ওপর।

নিমেসের অবস্থা ও তথৈবচ। প্রবল উত্তেজনার মধ্য দিয়ে সময় কেটাচ্ছে। ওঠা নামার বিরাম নেই ওদের। এক সময় গ্রুপ বদল হলাে । আবারাে সেই একই খেল । হাঁপাচ্ছে সবাই। ওঠা নামার তালে তালে মেয়েগুলাের স্তনও নাচছে প্রবলবেগে । পাগল হয়ে উঠেছে যেন সবাই।

এক সময় শান্ত হয়ে এলাে ঝড়। ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে ওরা এদিক ওদিক। দিনের আলাে মিলিয়ে যায়নি এখনাে।

চান্স আর নিমেসের গায়ে একবিন্দুও শক্তি নেই যেন। সব শুষে নিয়েছে ওরা ছয়জন। কারাে মুখে কোনাে কথা নেই দীর্ঘক্ষণ।

প্রথম নিরবতা ভাঙলাে মোনা, নাহ, তােমাদের কাছে হার মানতেই হলাে। স্বীকার করতে হচ্ছে, এরকম পুরুষ আমাদের চোখে পড়েনি খুব একটা।

এতাে তাড়াতাড়ি বুঝে গেলে,’ বললাে নিমেস। থাক বাবা বাচা গেলাে। এবার যাই আমরা। তােমাদের সাথে পাগলামী করা ছাড়াও কাজ আছে আমাদের।’

কেবল মাথা ঝাকালাে মােনা অনুমােদনের ভঙিতে। অন্যদের কারো মুখে কোনো কথা নেই। প্রচন্ড উত্তেজনার পর অবসাদে ভেঙে পড়েছে সবাই। ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ালাে চান্স আর নিমেস।

চান্স বললাে, একটা কথা বলবে? তােমরা ডাকাত না সেক্স ম্যানিয়াক?’…….

পৃঃ ১০৯,

……..চান্স আবার কি বলতে গেলাে, কিন্তু থমকে গেলাে, থমকে দাড়ালো বাধা পেয়ে । দেখলাে ডানের একটা বাড়ির ব্যাটউইং দড়াম করে খুলে বেরিয়ে এলাে একজন পুরুষ। উর্ধাঙ্গে তার কিছুই নেই। পরনে শুধু প্যান্ট। ছুটছে ও। পেছনে পেছনে আসছে এক রমনী। তারও উর্ধাঙ্গে কিছু নেই। ছােটার তালে তালে থল থল করছে ওর ঝুলন্ত ভারী স্তন দুটো। হাতে ‘রিভলবার ওর। ঘর ছেড়ে বেরিয়েই গুলি করলাে মেয়েটা। বেঁকে গেলাে লােকটার দেহ। মেরুদণ্ডে লেগেছে গুলি। হাত দুটো উঠে গেলাে শূন্যে। তারপর পড়ে গেলাে রাস্তার ওপর চিৎ হয়ে । কিন্তু থামলাে না মেয়েটা বাকি পাঁচটা গুলি নিঃশেষ করলাে লােকটার ওপর। [ স্তম্ভিত হয়ে তাকিয়ে আছে ওরা চারজন। কিন্তু অন্য কারাে নজর নেই এদিকে। সিটি অব ব্লাডে এ সবই স্বাভাবিক ও গা সওয়া ব্যাপার। গুলি শেষ করে মেয়েটার চোখ পড়লাে চান্সের ওপর। মুখে ফুটে উঠলাে শয়তানি হাসি । চান্স ওর দিকে চেয়ে বললাে নরম স্বরে, ‘ম্যাডাম, দিনটা খুব সুন্দর, তাই না?”

‘তােমাকে পেলে দিনটা আরাে সুন্দর করে তুলতে পারি, এসাে না!’ মেয়েটার মুখে কামুকি হাসি। বােঝাই যায় হতভাগ্য লােকটা ওকে সন্তুষ্ট করতে পারে নি। ……

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *