খুট করে একটা শব্দ হতেই সতর্ক হয়ে চোখ খুলল রাজা। বালিশের তলায় হাত ঢুকিয়ে রিভলভারটা আছে কিনা দেখতে গিয়ে পাশে শুয়ে থাকা মেয়েটির দিকে চোখ আটকে গেল। ঘরের ভেতরে কোনও আলো নেই। রাস্তার নিয়ন আলো জানলার ঘষা কাচ গলে ঢুকছে ভেতরে। উপুড় হয়ে শুয়ে আছে মেয়েটি। লম্বা, ফরসা। অন্তর্বাসমুক্ত বুক ছুঁয়ে আছে নরম বিছানা। নিজের মনকে একটু যেন শক্ত করতে চাইল রাজা। কীভাবেই বা করবে! গতরাত্রেই মেয়েটির অন্ধকার নগ্নতায় হাত দিয়ে উরুসন্ধিতে নাভিতে অগ্নিগর্ভ গুহামুখে চুমু খেতে খেতে আদিম তাড়নায় সমুদ্রে ভেসে যাওয়া, এ মেয়েটি যেন সত্যি অন্যরকম। সন্ধে থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত একটাই জিনিস শিখিয়েছে। আরাম কাকে বলে। রাজাও এমনিতে খুব পাকা খেলোয়াড়। ইংরেজি স্কুলে পড়ার সুবাদে অল্প বয়সেই পেকে গিয়েছিল রাজা। জিন শ্যালন- এর ‘পোর্ট্রেট অফ আ সিডাকট্রেস’ পড়ে কিশোর বয়সেই শিখেছিল রতিকলায় মেয়েদের রসায়ন। এ মেয়েটিও তেমন। মেঠো, কর্কশ, অশীলিত আর মূর্খ নয়। এ সুন্দরী জানে দ্য আর্ট অফ ফ্লার্টিং। সিডাকশনের দীক্ষিত পরিশীলিত রূপ। ঘুম ভেঙে তাকাল মেয়েটি। রাজাকে টেনে নিয়ে ডুব দিল।
সকালে একটু দেরিতে ঘুম ভাঙল রাজার। মেয়েটি ততক্ষণে স্নান সেরে রেডি। রাতে অনুভব করেছে, কিন্তু দেখা হয়নি। মেয়েটির শরীর অপূর্ব সুন্দর, নির্মেদ। সুগঠিত পা আর মসৃণ চুল। আঁটোসাঁটো পোশাকে আরও আকর্ষণীয় লাগছিল। নীরবতা ভেঙে মেয়েটি বলে ওঠে, “ওকে মিস্টার রাজা। আই হ্যাভ টু গো নাও।” রাজা অবশ গলায় বলল, “ওকে, ইউ মে গো।”….
