চিতিসাপের বিষ – নীলাঞ্জন চট্টোপাধ্যায়

›› উপন্যাসের অংশ বিশেষ  ›› ১৮+  

……’জামার দ্বিতীয় বোতাম খোলা/কে আছো পুরুষ?/ কাছে এসো/ অপেক্ষায় আছে রসবতী ফল/যদি সাহসে কুলোয়-/দংশন কোরো/’……

….-হয়তো তাই। -বলতে বলতে স্বাক্ষর ক্রমশঃ দস্যু হয়ে উঠছে। সে ভার্জিনিয়ার টপ-এর বোতাম খুলে ব্রা-এ হাত চালাচ্ছে। ব্রা এর হুক খোলার চেষ্টা করছে। আর ঠিক সেই মুহূর্তে ভার্জিনিয়া দৃঢ় মুঠিতে স্বাক্ষরের হাত চেপে ধরল।…….

……আর সঙ্গে সঙ্গে অনুভব করল, শাড়িটা এলোমেলোভাবে রাখা আছে তার শরীরের ওপর, শাড়ির গিট খোলা, ব্রা-এর হুক খোলা এবং ব্লাউজের বোতামগুলোও খোলা। মুহূর্তে উশ্রী বুছতে পারল তার চরম সর্বনাশ হয়ে গেছে।……..

……স্বাক্ষরের চোখ চলে গেল যুবতীর বুক দুটোর দিকে। ভেতরে ব্রা নেই। স্বচ্ছ, পাতলা গেঞ্জির ভিতর দিয়ে যেন দুটো পুরুষ্ট ফজলী আম দেখছে স্বাক্ষর। আর অধোমুখী সেই আমদুটির নীচে টসটস করছে যেন দুটি পাকা আঙুর। হাসির তালে তালে আম দুটোও নড়ছিল। স্বাক্ষর যে সেদিকে বিপন্ন বিস্ময়ে তাকিয়ে আছে বিদেশি যুবতীর খেয়ালই নেই।……

…….ভার্জিনিয়ার শাড়ি সে নিজে হাতে টেনে খুলেছে। অবাক চোখে দেখছে, শাড়ার নীচে সায়া নেই ভার্জিনিয়ার; আছে কালো প্যান্টি; স্লিভলেস ব্লাউজ নিজেই খুলে নিয়েছে ভার্জিনিয়া। সাদা ব্রা। কালো প্যান্টি, সাদা ব্রা। এক অপরুপা শরীর-ভাস্কর্য নিয়ে ভার্জিনিয়া বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে খিলখিল হাসছে। স্বাক্ষর তার পায়ের পাতা, তারপর হাঁটু, তারপর মোহমুদগরের মতো উরুতে চুমি খেতে খেতে ক্রমশ হিংস্র কুমিরের মতন উঠে আসছে। কালো প্যান্টি ধরে উম্মত্তের মতন টান দিচ্ছে স্বাক্ষর। ভার্জিনিয়া আপত্তি করছে-না-না-প্লিজ-আমার লজ্জা করছে-ওখানে হাত দেবেন না- লক্ষ্মীটি। আর ভার্জিনিয়ার এই আপত্তিই যেন স্বাক্ষরের কামোন্মাদনাকে আরও জাহিয়ে তুলছিল। সে টেনে হিঁচড়ে ভার্জিনিয়ার প্যান্টি নামিয়ে এনেছে। মুখ রেখেছে, জিভ রেখেছে স্বর্গীয় কালো উপত্যকায়; শিউরে যুবতী, স্বাক্ষরের চুল আঙুল দিয়ে টেনে ধরে বলছে-উঃ আমি আর পারছি না। আমাকে মেরে ফেলো স্বাক্ষর। আমার সবকিছু নাও। উঃ এ যে স্বর্গীয় আনন্দ। এত আনন্দ আমি কোনওদিন পাইনি।
এখন সম্পূর্ন নগ্ন দুই যুবক-যুবতী। স্বাক্ষর উপুড় হয়ে শুয়ে আছে চিৎ হয়ে পড়ে থাকা ভার্জিনিয়ার ওপর। খাট দুলছে। মেদিনী যেন কাঁপছে। খাটের বাজু দুই হাতে চেপে ধরে ভার্জিনিয়া অস্ফুটে বলছে-উঃ-আহ…তোমার জিভ দাও। স্বাক্ষর ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। তার শরীরের সমস্ত সঞ্চিত ক্ষমতা সে নিঃশেষ করে দিতে চাইছে। …….

……উশ্রীর মুখ নিজের দিকে টেনে এনে একটা চুমা খায় স্যান্ডার্স। তার একটা স্তনের ওপর মৃদু হাত রাখে। শিউরে ওঠে উশ্রী।….

…..উশ্রীর কোমর জড়িয়ে ধরে স্যান্ডার্স বলল। আবার তার একটা স্তনে হাত রাখল। উশ্রী আর গাঢ় সবুজ একটা শাড়ি পরেছে। শাড়ির আঁচলে অপরূপ কারুকাজ। সাদা ব্লাউজ। শাড়ির আচঁল সরিয়ে দিয়েছে স্যান্ডার্স।
-আহ, আমার সোনামনি। আমার দুটো ছোট্ট বুলবুলি কেমন আছে দেখি…
-ওহ অসভ্যতা করার সময় এখনও হয়নি। আগে কথাটা শোনো…
-বলো…স্যান্ডার্স উশ্রীর ডানদিকের স্তনে নিজের গাল ছুঁইয়ে রেকে ফিসফিসিয়ে বলে।….

-কী জানি । নানা লোক নানা কথা বলে।-এক হাতের মুঠোয় উশ্রীর একটা স্তন।…
-সে আবার কে?–স্যান্ডার্স উশ্রীর ব্লাউজের একটা বোতাম খুলে ফেলেছে। তার আঙুল ব্রা-এর ওপর ধীরে ধীরে ঘুরছে। যেমন মৌমাছি ফুলের চারপাশে ঘুরে বেড়ায়।……

…..স্যান্ডার্স একফাঁকে উঠে ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয়। উশ্রী কাত হয়ে শুয়ে পড়েছে সোফায়। তাকে ধীরে ধীরে নগ্ন করতে থাকে স্যান্ডার্স। উশ্রী স্যান্ডার্সের গলা জড়িয়ে তার কপালের কাটা দাগে একটা চুমু খায়। কেঁপে কেঁপে বলে-……স্যান্ডি উশ্রীর ব্লাউজ খুলে নিয়েছে। উশ্রী নিজেই ব্রা-এর হুক খুলে দেয়। মুহূর্তে চোখের সামলে লাফিয়ে ওঠে যেন বিশালাকার দুই বৈদুর্যমণি। ওহ! কী আলোকচ্ছটা তাদের। ফর্সা নিটোল, বর্তুল দুই মাংশপিন্ড। নীচের দিকে দুটো ভিমরুল যেন সেঁটে বসে আছে। স্যান্ডার্স মুখ ডুবিয়ে দেয় সেখানে। একটি স্তনবৃন্ত মুখের মধ্যে পুরে দেয়। উশ্রী ফিসফিসিয়ে বলে-বিছানায় চল আমার সব খুলে দাও। ….স্যান্ডার্স হ্যা৭চকা টানে উশ্রীকে পাঁজাকোলা করে দুই হাতে তুলে নেয়। সায়ার গিঁট টানাটানা করতে গিয়ে জট পাকিয়ে যায়। উশ্রী হেসে বলে-তুমি না এখনও মানুষ হলে না? মেয়েদের সায়ার গিঁট খুলতে শেখোনি। তারপর সে নিজেই সায়া খুলে ছুড়ে দেয় মেঝেতে। ভীষণ বাতানুকুল ঘরটা। তবুও উশ্রী ঘামছে। তার শরীরে ঘাম। স্তনবৃন্তে ঘাম। চিবুকে ঘাম। যোনিপ্রদেশে ঘাম। স্যান্ডার্স নিজেকে উলঙ্গ করে তীব্র সংরাগে ঝাঁপিয়ে পড়ে উশ্রীর ভাস্কর্যের মতন শরীরটার ওপর। ঘরের মধ্যে যেন একটা সমুদ্র ঢুকে পড়েছে। সমুদ্রের ঢেউয়ের ফুলে ওঠা, সোঁ সোঁ শব্দ, আছড়ে পড়া…উশ্রী ফিসফিসিয়ে বলে-আমি উপোসী স্যান্ডার্স। আয়াম স্টার্ভড। হেমন্ত কতদিন অসুস্থ। আমি শুধু অর্ধমৃত একজন মানুষকে ঘেঁটে চলেছি।…….এনজয়-এনজয় মি ইনসাইড ইউ…।
-আহ আহ আহ আহ! যন্ত্রণা ও আনন্দের মিশ্রিত শীৎকারে সারা ঘর ভরে যায়।……….

……ট্যাক্সির মধ্যে তখন অগ্নবীণ ভার্জিনিয়ার কোলে মাথা রেখে প্রায় কাত হয়ে শুয়ে পড়েছে। তার এক হাত স্পর্শ করে আছে ভার্জিনিয়ার চিবুক। আর এক হাতে সে বাচ্চা ছেলের মতন খেলা করচে ভার্জিনিয়ার একটি স্তন নিয়ে। টপের বোতাম খুলতে চাইছে। ভার্জিনিয়া নিজেই দুটো বোতাম পটাপট খুলে দিল। এখন ভার্জিনিয়ার ব্রা-এর ওপর প্রানপণে হাত চালাচ্ছে। ফিসফিস করে বলছে-একটু খোলো…হুকটা একটু খোলো……

………বাতানুকুল ঘরের চওড়া আয়তক্ষেত্র বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে আছে নারী। তার পরনে শুধু প্যান্টি। নাকি ওটা বাঘছাল? বক্ষযুগল বন্দি গোলাপি-রং ব্রা-এর আঁটোসাঁটো বাঁধনে। মাথার পেছনে দু-হাত জড়ো করে শায়িত অগ্নিবীণের ভার্জিনিয়া। …… সেভাবে অগ্নিবীণ তার ভার্জিনিয়ার রোমহীন নগ্ন পা, উরু, তলপেট বেয়ে ধীরে ধীরে উঠে আসে তার শরীরের ওপরে…তার রোমহীন বাহুসন্ধির গোস্পদে নাক ডুবিয়ে দেয়। কী বডি-লোশন মেখেছে ভার্জিনিয়া! সে বুনো লতা-পাতার গন্ধ পায়। …….আমার বগলে চুমু খাও অগ্নি…জিভ দাও…ওখানে চুমি খেলে আমার সারা শরীরে আগুন জ্বলে…

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *