দি ন্যুড – হ্যারল্ড রবিন্স

›› অনুবাদ  

অনুবাদঃ পৃথ্বীরাজ সেন

……পােশাক ঘরে ঢুকে জোর দেখলে তার বােন ব্রা এবং কোমরের দড়ি আলগা করে খুলে ফেলছে, এসব দেখে জোর একদম হা হয়ে গেল। জেরি কখনও তার বােনের এই বিদেশী মার্কা চেহারা দেখেনি। এই চেহারাটা কেমন যেন থলথলে। এক সময়ে ম্যারিয়নের বুক খুব লােভনীয় ছিল। কিন্তু এখন যেন কেমন শিথিল । (আগে ম্যারিয়ন প্রায়ই বলতাে যেই আমি জানি আমি দুরুন দেখতে নয় কিন্তু আমার স্তন দুটো অস্বাভাবিক। আমার জীবনটা সম্পুর্ণ অন্য রকম হত যদি আমার এই স্তনদুটো সােয়েটারের মধ্যে থেকে দেখা না যেত।) ওর নিতম্ব আর থাই দুটোও আকর্ষনীয় ছিল। জেরি ভাবলাে সত্যিই ম্যালিয়ন তার স্বামীকে পেয়ে আজ সখী। তবুও চেহারার দিকে প্রতি মুহুতে হাঁ করে তাকিয়ে থাকার মতো কিছু নেই।……

……আসল ব্যাপারটা হল স্থানীয় এক ভদ্রলােকের বধু প্লেনে তার দিকে আয়নার মধ্যে দিয়ে সপ্রশংস দৃষ্টিতে তাকিয়েছিল। বিকিনি পরার তুলনায় তার পােশাক পযাপ্ত ছিল, তবু সে সুইমিং পুলে সবার নজর কাড়তে পেরেছিল ক্লিন্ট হা করে ওর দিকে তাকিয়ে থাকলেও ও অন্যান্য দিনের মতাে অনায়াসে জলের মধ্যে ঝাপ দেয়।
‘ক্লিস্ট কে ?”
ঐ বারের লােকটা। ও মনে করে যে ঐ লােকটা তার দিকে এগিয়ে আসবে এবং ও ধরা দেবে। আসলে আমার মনে হয় আমরা সব মেয়েরাই শয়তান, তাই না? যেমন, তােমার দিকেই তাকিয়ে দেখাে না
ম্যারিয়ন তার বােনের বিবস্থা দেহটার দিকে তাকিয়ে কথাগুলাে বলল। জেরি আবার লজ্জা পেল এবং তার মান করার পোশাকটা তাড়াতাড়ি পরার চেষ্টা করল। এতদিন পরও যে জেরির চেহারার মধ্যে যে এমন বাধন রয়েছে তার জন্য জেরিকে সে প্রশংসা করল । জেরি এই মুহুর্তে তার দেহ সম্বন্ধে এত প্রশংসা শুনে সত্যিই ভয় পেয়ে গেল। এই দেহটার দিকেই কয়েক মিনিট আগে বারের ঐ লােকটা হাঁ করে তাকিয়েছিল।
তারা দরজা পেরিয়ে সুইমিং পুলের ধারে রাখা চেয়ার গুলোর দিকে এগিয়ে গেল। ম্যারিয়ন তার স্নানের পােশাক সম্বন্ধে যথেষ্ট হুশিয়ার, তার পা ও থাই দুটো সত্যিই আকর্ষনী লাগছিল, পােশাকটা তার কোমরের ওপর ওপর চেপে বসে দেহের প্রতিটি বেথাকে পরিস্ফুট করে তুলেছিল।……

……ম্যারিয়ন তার বসার ঘরের দিকে যাচ্ছিল, অতিথিদের খুব কড়া মার্টিনি বিতরণ করছিল। ম্যারিয়ন এবং হার্ভে সত্যিই খুব সুখী দম্পতি, দেখে মনে হচ্ছিল, হয়তাে যৌনতাই এর একমাত্র চাবিকাঠি। এবং ম্যারিয়ন এই রহস্যটার চাবি খুজে পেয়েছে, তাই তারা আজ পরস্পরের যৌনজীবনে অত্যন্ত সুখী। সত্যিই, যৌনতার ক্ষমতা অসীম। আমার মনে হয়, যৌনতার ব্যাপারটা হল ভালোবাসা থেকে আলাদা, বিবাহ থেকে আলাদা। এটা কি ঠিক অথবা ভুল।…..

….মণিকা সত্যিই সুন্দর দেখতে। অবশ্য মার্টিন টাউনের সন্দরীর মতো নয়। তার ভেতর থেকে একটা লাল আভা বেরােচ্ছিল। মণিকাকে বড় শহরেই ভালাে মানায়, ছােটো শহরে নয়।
মণিকা দীর্ঘাঙ্গী, উন্নত স্তন এবং শরীরের প্রতিটি অংশ বিশেষ ভাবে তৈরী। তার ভদ্রতা, হাঁটার ছন্দ, তার ঘাড় কাত করার ভঙ্গীমা সিগারেট খাওয়ার ধরণ, সবেতেই সে দারুণ। এমন কি চোখের প্রতিটি ছাউনির আলাদা তাৎপর্য আছে।…..

…..সে গ্রেগকে বলতে দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিল। গ্রেগ বুঝতে পেরেছে যে মণিকা খুব কাছে এসে গেছে। সে আটসাট জামা পরেছে তার দেহের প্রতিটি খাজ সস্পষ্ট ভাবে দেখা যাচ্ছে।…..

……সে মণিকার আন্দোলিত দেহ দেখতে পেলো, সে দেখলো তখনও তার তিনটে বােতাম খােলা, যেন তাকে উদগ্র কামনার আহ্বান জানাচ্ছে। মার্টিন টাউন হলে সে হয়তো এই অবস্থা সম্বন্ধে চিন্তা করত, হয়তাে তার রক্ত দ্রুত বইতে শুরু করত।…..

…..সে গ্লাসটা নামিয়ে রাখল, গ্রেগের চেয়ার এর পাশে এসে সােজা হয়ে দাঁড়ালাে, সে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে রইল, তার দেহটা খুব কাছ থেকে দেখার সুযোগ করে দিল। তার আবেদনী স্ত্রীশুলভ চেহারা সম্বন্ধে অনেক কানাকানিই হয়েছে। সে কামনা মন্দির হাসি হাসল। তার লম্বা আঙ্গুলগুলাে বােতামের কাছে নিয়ে এলাে।
“তােমার নীতিটা খুবই উচ্চস্তরের, তাই না গ্রেগ ?”
এই কথা শুনে নেশাগ্রস্ত গ্রেগের উত্তেজনা হঠাৎ বেড়ে গেল। না, মনিকা কোন ফাঁদ পাতেনি। আসলে সে ছিল সুন্দরী এবং গ্রেগ একটা পুরুষ, এই যথেষ্ট।
“গ্রেগ তুমি কিছু বলছ না কেন, তােমার গলায় কিছু আটকে গেছে নাকি?’ গ্রেগ উঠে দাঁড়াতে লাগলো ।
মনিকা তার জামার বাকি বােতাম গুলো খুলে ফেলল এবং সেটা মাটিতে পড়ে গেল। সে দাঁড়িয়ে রইল যতক্ষণ না গ্রেগ তার দিকে টলতে টলতে এগিয়ে যেতে লাগলাে।
অবশেষে তুমি জিতলে তাই না ? গ্রেগ ফিসফিস করে বলল।
“কিন্তু প্রিয় এটা তাে এই ভাবেই আসে। তাকে চুম্বন করার আগে মণিকা পরিষ্কার গলায় বলল ।……

……সে সব চেয়ে দৃষ্টি আকর্ষণকারী গাউনটা চাই—ঘনকালো ভেলভেট এর গাউন, নীচু গলা, গায়ে চাপ হয়ে বসে, এমন কি বুক দুটোও দেখা যায়। মিস্টার গ্যাবল তার গলাটা ঝেড়ে নিয়ে এ তুলে তাকালেন।…..

……বার্নি একথাটা বিশ্বাস করতে চায় নি। জেরির ভয় হয়েছিল সে বুঝি বার্নিকে হারাবে। সে বার্নিকে তার কমনীয় দেহ দিয়ে জড়িয়ে ধরে নিজেকে বার্নির দেহে পিষ্ট করে দিতে দিতে মুখ তুলে তার দিকে তাকিয়ে ছিল। বার্নিকে দিয়ে প্রতিজ্ঞা করিয়ে নিয়েছিল। বার্নিকে তাকে প্রচণ্ড জোরে জড়িল ধরে তার সারা মুখে বিশ্বাসের মন দিয়েছিল একে আর দিয়েছিল বহর প্রতিশ্রুতির আশ্বাস।…..

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *