অপারেশন সেমলেডী (জাকি আজাদ) – শেখ আবদুল হাকিম

›› পেপারব্যাক  

………কেবিন প্রায় জনশূন্য। সবাই স্মােকিং কারে ভিড় জমিয়েছে। আজাদ সরাসরি তাকাল উরু এবং বুক প্রদর্শনরতা মেয়েটার দিকে। ম্যাগাজিন পড়ছে। মানে, পড়ার ভান করছে। কেউ তাকালেই টের পেয়ে চোখ তুলছে, হাসছে। পরিষ্কার লােভনীয় আমন্ত্রণ চোখের দৃষ্টিতে।

দেখতে ভাল মেয়েটা। হাটুর মালাই চাকীর উপর চার ইঞ্চি উরু দেখা যাচ্ছে। টপলেস নয়, কিন্তু টপলেসের চেয়ে কমই বা কোথায়। স্তনের বোটা দেখার ইচ্ছা থাকলে একটু কষ্ট করে বুকে পড়লে নিরাশ হতে হবে না। নতুন কোনাে আরােহী উঠলেই তাকাচ্ছে তার দিকে,……..

…..কারন সেখানে আরেক কাণ্ড শুরু হয়েছে। কাগজের পােশাক পড়েছিল এক মেয়ে! কে যেন তার পােশাকে শ্যাম্পেন ঠেলে দিয়েছে। তার পিছনে যুবকের দল লেগেছে। । মেয়েটি  হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ছে। দুলছে তার যৌবন ভারাক্রান্ত দেহ। ছিড়ে যাচ্ছে কাগজ হাসির দমকে। দেখা যাচ্ছে তলপেট, উরু, দুই স্তনের মধ্যবর্তী গিরিপথ ইত্যাদি। কে যেন ল্যাং মারল মেয়েটাকে। প্রচণ্ড শব্দে  কেপে উঠল সবাই। হুমড়ি খেয়ে উপুড় হয়ে পড়েছে মেয়েটা। ছিড়ে গেছে ভেজা কাগজ। সুন্দর পিঠ দেখা যাচ্ছে। নিতম্বের প্রায় সম্পূর্ণ অংশই এখন উন্মুক্ত।………

……….দু’জন কিশােরীকে দুই হাত দিয়ে দু’পাশে ধরে রেখেছে সে। পালাক্রমে একবার এর গালে, একবার ওর গালে চুমু খাচ্ছে। দুটো কিশােরীর মধ্যে একজনের ব্লাউজ কাধ থেকে নেমে ঝুলে পড়েছে অনেকটা। তার রাঙা স্তন দেখা যাচ্ছে। কিন্তু সেদিকে তার খেয়াল নেই। বুড়াের সাথে খুব মজা লুটছে সে।……….

……..ফেন যেন, হঠাৎ নিজেকে ক্ষুধাত এবং উত্তপ্ত মনে এলে আজাদের। বাড়ীটা প্রকাণ্ড। মেন রুম থেকে বেরিয়ে উপর তলার একটি নির্জন রুমে এলাে ওরা। ….নাচের শেষে আজাদ বনবনকে আকর্ষণ করে নিয়ে এলো ডিভানে। বনবনকে সুইয়ে দিয়ে পাশে বসল আজাদ। ব্লাউজের ভিতর হাত ঢুকিয়ে দিয়ে আজাদ হাসল।…….

…….ফাঁকা রাস্তা! আজাদের কাঁধে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়েছে বনবন । তাকাল আজাদ। মুচকি হাসি ফুটে উঠল ওর ঠোটে। শিশুর মতাে অসহায় দেখাচেছ বনবনকে। নিজের অজান্তেই বনবনের বুকের দিকে চোখ পড়ল ওর। বড় বন্য গড়ন বনবনের স্তনের।….

……‘ঘুমালে নাকি? চাদরের ভিতর থেকে মাথা বের করল বনবন, না, এসাে।’ ‘গরম হয়ে নিই। চাদর গায়ে জড়িয়ে খাটের কিনারায় চলে এলাে বনবন। চটপট বােতল আধখালি করে আজাদ বলল, এবার ? ‘এবার। সরে যেতে শুরু করল বনবন। খপ করে চাদরের একটা কোনা খামচে ধরে টান মারল আজাদ। নিরাবরণ হয়ে পড়ল বনবন। চাদরটা ফেলে দিল মেঝেতে আজাদ।

আজাদ !–লজ্জায় দু’হাত দিয়ে শরীরের গুপ্তস্থান ঢাকার চেষ্টা করতে করতে বনবন কৃত্রিম রােষায়িত দৃষ্টিতে তাকাল। নগ্ন হয়ে বিছানায় উঠল আজাদ। দুই হাত দিয়ে বনবনের নগ্ন নরম উজ্জ্বল লাবণ্যময় দেহটাকে শুইয়ে দিল চিৎ করে ।

‘মাগাে!’- ঢুলুঢুলু চোখে তাকিয়ে থেকে বলে বনব, ‘কি বড় বড় চোখ তােমার ! গিলে খেয়ে ফেলবে নাকি।

‘কী সুন্দর তুমি বনবন।’—আজাদ হাত রাখল বনবনের কদলীকাণ্ডের মতাে গােল উরুতে।

শিরশির করে উঠল বনবনের সব শরীর। ঝুকে পড়ল আজাদ। বনবন অনুভব করল ওর তলপেটে আজাদের ঠোটের স্পর্শ।

‘এসাে।’- অসহ্য আন্দে ছফট করছে বন। পা দুটো ভাজ করছে একবার তারপর আবার সমান্তরাল ভাবে মেলে দিচ্ছে, আজাদ, ডারলিং-এ-এ-এসাে না!

একটা হাত উঠে এলো আজাদের! বনবনের শক্ত বড় স্তনের উপর হাতটা থামল। পাচ আঙ্গুল দিয়ে মুঠো করে ধরল আজাদ নরম মাংস। ‘এসাে।’-অধৈর্যহয়ে উঠছে বনবন।

‘এখুনি নয়, ডারলিং।’—বলল আজাদ, ‘আগে গরম হও। তা না হলে আমার উত্তাপে পুড়ে যাবে যে।’

‘দুষ্ট, পাজী।’—বনবম আজাদের মাথার চুল খামচে ধরল, ‘আজ আমার কপালে খারাবী আছে বুঝতে পারছি। মেরে ফেলবে না তাে আমাকে••?’ .

উত্তর দিল না আজাদ। বড় বেশী ব্যস্ত হয়ে পড়েছে ও।…….

…..হঠাৎ মেয়েটাকে দেখতে পেল আজাদ। ধ্বক করে উঠল ওর বুকের ভিতর। ফাকা একটা জায়গায়, একটি ইউক্যালিপটাস গাছের পাশে, দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি সম্পূর্ণ নগ্ন মেয়ে। দ ম বন্ধ হয়ে গেল আজাদের।

মেয়েটার গায়ের রঙ তামাটে। খুব লম্বা শরীর। মজবুদ কাঠামাে শরীরের। উচু, ভরাট স্তন। ভারী দু’টো কাঁধ। মেয়েটা গাল হা করে তাকিয়ে আছে আজাদের দিকে এক দৃষ্টিতে। আরবী মেয়ে কিনা বুঝতে পারল না আজাদ। হাত দুটো ঝুলছে তার পাশে। নগ্নতা সম্পর্কে সে যেন সম্পূর্ণ উদাস। গােটা দৃশ্যটা আদিম, কিন্তু অশ্লীল নয়।

এমন অপূর্ব সুন্দর একটি মেয়ে কোথা থেকে এলাে এই দ্বীপে ? এই মেয়েটির কথা ভেবেই কি বনবন তাকে দ্বীপে আসতে বলেছিল ?….. দুর থেকে হলেও মেয়েটিকে দেখে রীতিমতাে উত্তেজিত হয়ে উঠল আজাদ। রােমাঞ্চ অনুভব করল ও সৰ শরীরে। সম্ভবত স্বাস্থ্যবতী যৌবনভারাক্রান্ত এমন একটি যুবতীকে জংলা দ্বীপে একা দেখেই হঠাৎ ভােগ করার প্রচণ্ড একটা আশা গজিয়ে উঠল ওর মনে।……এদিক ওদিক তাকিয়ে হাপাতে লাগল আজাদ। তারপর, হঠাৎ, মাত্র পনের হাত দুরে, ঘাসের ভিতর চোখ পড়তেই আজাদ মেয়েটির সুগঠিত বিশাল নিতম্বদ্বয় দেখতে পেল। লােভে, আনন্দে, বিজয়ের গর্বে ফুলে উঠল বুক। ..লাফিয়ে পিছন থেকে মেয়েটার কোমর জড়িয়ে ধরল আজাদ। কোমল দেহটাকে সজোরে নিজের শরীরের সাথে চেপে ধরে আজাদ বলল, ‘শান্ত হও। পাগলামি করতে নেই। হাত-পা ছুড়ে মুক্তি পাবার চেষ্টা করছে মেয়েটা।……….

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *