…..মাধবীর মুখটা পান পাতার মতো, ছোট্ট চিবুক। চোখ দুটো খুব সুন্দর না হলেও বড় বড়। গাঢ় বাদামী রঙের চোখের মণি ওর। সরু গলা বেয়ে আসা কাঁধ দুটি প্রশস্ত নয়, আবার খুব সরুও নয়। ঠিক যেমনটা হওয়ার দরকার। স্তন দুটি সামান্য শিথিল হয়েছে বটে। তা অনেকটা সূর্যকে টানা ছ’মাস দুধ খাওয়ানোর জন্য আর কিছুটা বয়সের জন্য। দু’হাতে নিজের দুই স্তনের নিচে হাত দিয়ে তাদের সামান্য ওপরে তোলে মাধবী, না, এখনও ভার বেশ ভালই। দীনেশ এখনও পাগল এদের জন্য। পেটে আকস্মিক যেটুকু চর্বি জমেছিল তা দ্রুত ঝরিয়ে ফেলছে ও। ডায়েট কন্ট্রোল করার পাশাপাশি রোজ পাক্কা আধঘন্টা ট্রেডমিলে সময় দেয়। ওর কোমর চওড়া, কিন্তু দুই পা সরু, থাইতে এখনও মেদ জমেনি। দুই হাতও ওর লম্বা, সুন্দর। আঙুলের নখগুলোর যত্ন নেয় নিয়মিত। মাসে একবার ম্যানিকিওর করায়ই। সব মিলিয়ে মাধবী সুন্দরী, সত্যিই সুন্দরী। রোজ আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখে মুগ্ধ হয়ে যায় মাধবী।…..
….দীনেশের মুখে গলায় এলোপাথাড়ি চুমু খেতে থাকে মাধবী। নারীর ছোঁয়ায় পুরুষের জাগতে বেশিক্ষণ সময় লাগে না। হাত বাড়িয়ে দ্রুত টিউবলাইটটা নিভিয়ে দিয়ে নাইটল্যাম্পটা জ্বালিয়ে দেয় দীনেশ। রমণের সময় বেশি আলো মাধবী পছন্দ করে না। দীনেশের হাত, ঠোঁটের ছোঁয়ায় কাঁপতে থাকে মাধবীর সারা শরীর। এই তো, আগের মতোই তো ভিজছে ও। আগের মতোই তো ওর শরীর চাইছে পুরুষের শরীরকে। যৌবন এখনও ত্যাগ করেনি ওকে তাহলে। এই তো দীনেশ কেমন পাগলের মতো আদর করছে ওকে। দীনেশের শরীরের নিচে পিষ্ট হতে হতে একসময় ও বলে,
“তুমি শোও, আমি করছি।“
চিৎ হয়ে শুয়ে থাকা দীনেশকে নিজের মধ্যে নিয়ে ওঠা নামা করতে থাকল মাধবী। তখন প্রতিটা ঘর্ষণ ওকে জানান দিচ্ছিল ওর শরীরের। আরামে দীনেশ চোখ বুজে শুয়ে ছিল। ওর হাত খেলা করছিল মাধবীর বুকে। দীনেশ এই বয়সে এসে বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারে না নিজেকে। কিন্তু তাতে মাধবীর কোন আক্ষেপ নেই। যৌনতার শীর্ষে আজকে ওর না পৌঁছলেও চলবে। ওই আধজাগা শিশ্নটা ওকে ভরসা দিচ্ছে। মাধবী ওই অবস্থাতেই ঘাড় ঘুরিয়ে একবার পিছনে তাকাল, ওর কোমর তখনও সচল। নাইটল্যাম্পের মৃদু আলোতে দেওয়ালের আয়নায় নিজেকে দেখল মাধবী। মাখনের পিঠ ওর, এক ঢাল চুল তার ওপরে, কোমরের নিচে নিতম্ব এখনও নিটোল। কী দারুণ! কী দারুণ! আরও একবার নিজেকে ভালবাসতে শুরু করেছিল মাধবী, তখনই নিজের মুখের দিকে নজর গেল। সুন্দরী তাকিয়ে আছে ওর দিকে। কিন্তু মুখের দাগগুলো এত কম আলোতেও দেখা যাচ্ছে কী করে! দীনেশ তো দেখতে পেল না! তাহলে মিথ্যে বলল ওকে! ও তো দেখতে পাচ্ছে দাগগুলোকে ।
এমন সময় টিপটা খসে পড়ল কপাল থেকে। বাম স্তনের ওপরে এসে আটকে গেল। হঠাৎই দীনেশের ওপর থেকে সরে এল মাধবী। ওপাশ ফিরে শুতে শুতে বলল,
“আমার ঘুম পাচ্ছে এখন।”
হতভম্ব দীনেশ ওর শরীরে হাত দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এক ঝটকায় সেই হাত সরিয়ে দিল ও।…..
