চুল্লি – উল্লাস মল্লিক

›› গল্পের অংশ বিশেষ  

……পিছন থেকে মেঘলাকে লক্ষ করেন দিবাকর। মেয়েটার হাইট বেশ ভালো। পাঁচ-পাঁচ হবেই। টাইট গেঞ্জি আর জিনস আরও ছিপছিপে করে তুলেছে চেহারা। মেয়েটা চুম্বকের মতো টানছে দিবাকরকে।
ধীর পায়ে দিবাকর এগিয়ে যান মেঘলার দিকে। ঠিক পিছনে পাঁড়ান। ভীষণ সুন্দর কোনও পারফিউম মেখেছে মেয়েটা। গাড়িতে ওঠার পর থেকেই গন্ধটা পাচ্ছেন দিবাকর। এখন যেন সেই গন্ধ আরও তীব্র হয়েছে। দিবাকর আলতো একটা হাত রাখেন মেয়েটার কাঁধে।
ঘাড় ঘুরিয়ে দিবাকরের দিকে একবার তাকায় মেঘলা। মুখে মৃদু হাসি। তারপর আবার দেখতে থাকে ছবিটা।
এবার মেঘলার পাশে দাঁড়িয়ে কোমরটা বেড় নিয়ে ধরেন দিবাকর। পাড়ে একটা গভীর চুমু খান। একটু যেন কেঁপে ওঠে মেঘলা।
ধীরে ধীরে মেঘলাকে নিজের দিকে ঘুরিয়ে নেন দিবাকর। এক হাতে ঘাড়টা শক্ত করে ধরে ঠোঁট চেপে ধরেন মেঘলার ঠোঁটে। দীর্ঘ চুম্বনের মাঝেই টের পান মেঘলাও আঁকড়ে ধরেছে তাকে।
ঠোঁট থেকে ঠোট সরিয়ে নেন দিবাকর। বলেন, ভয় করছে না তোমার? কিছু বলে না মেঘলা। মুখে হালকা কৌতুকের হাসি।
ডান হাতটা দিবাকর রাখেন মেঘলার বুকে। ভীষণ নরম আর সুগঠিত স্তন দুটো।
তখনই টেবিলে রাখা দিবাকরের ফোন বেজে ওঠে। দিবাকর একঝলক তাকিয়ে স্ক্রিনটা দেখেন। দেবিকা। ধরেন না দিবাকর। বেজে বেজে থেমে যায় ফোন।
ততক্ষণে মেঘলার গেঞ্জিটা খুলে ফেলেছেন দিবাকর। কালো রঙের ব্রা টাও শক্ত হয়ে উঠেছে মেঘলার স্তনবৃন্ত দুটো। গরম হয়ে উঠেছে নিঃশ্বাস।
আবার বেজে ওঠে মোবাইল। দিবাকর তখন মেঘলাকে নিয়ে ডিভানে।
সম্পূর্ণ নগ্ন মেঘলা বুজে আছে চোখ দুটো। বেজে যাচ্ছে মোবাইল।
চোখ খুলে মেঘলা বলে, কার ফোন?
টেবিলটা ডিভানের পাশেই। হাত বাড়িয়ে ফোনটা তুলে কেটে দেন দিবাকর। তারপর সুইচ অফ করে দেন। একটু হাঁপাচ্ছেন যেন। বড় বড় শ্বাস টানতে টানতে বলেন, ও একজন পাঠিকা।
আদুরে গলায় মেঘলা বলে, ধরলেন না তা হলে?
খুব ক্লান্ত গলায় দিবাকর বলেন, লেখক তো এখন চুল্লিতে পুড়ছে।…..