…..দেবযানী আঁটো পোশাকে রাত্রে ঘুমতে পারেনা। সুদীপের দিকে পিঠ করে একে একে ব্লাউজ আর অন্তর্বাস একটানে খুলে ফেলল। তারপর শুয়ে পড়ল। একটু পরেই ওর নাক ডাকতে শুরু করল অল্প অল্প । সুন্দরী মেয়েরা যখন নাক ডাকিয়ে ঘুমায় তখন যেন সব সৌন্দর্য ম্লান হয়ে যায়। কিন্তু এই চাঁদ রাত দেবযানীকে অসুন্দর হওয়ার হাত থেকে বাঁচিয়ে দিল। ওর উন্মুক্ত পিঠে চাঁদের আলো গলানো রুপোর মত গড়িয়ে নামছে। মুগ্ধ হয়ে
সে দৃশ্য দেখা ছাড়া সুদীপের আর কোনো কাজ নেই । সিগারেট প্যাকেটটাও আনতে ভুলে গেছে, একটা সিগারেট পেলে এই মৌতাত ভালো করে উপভোগ করতে পারত।
ঘুমের ঘোরে দেবযানী পাশ ফিরে শুলো। সুদীপ দেখল ওর শাড়ির আঁচল সরে গেছে । বাতাবি লেবুর মত দুটো স্তন চাঁদের আলোয় স্নান করে উঠছে । সুদীপের সারা শরীর গরম হয়ে উঠল। তাকিয়ে থাকতে থাকতেই সে দেখল দুই স্তনের মাঝখান থেকে একটা কালচে রক্তের ধারা দেবযানীর নাভির দিকে নামছে। সুদীপ তাড়াতাড়ি উঠে ওকে ঠ্যালা মেরে ঘুম থেকে জাগিয়ে দিতে গেল, দেবযানীর শরীর যেন ঠান্ডা বরফ। ওর শরীরে হাত ছুইয়েই হাত সরিয়ে নিল সুদীপ।
ঝুঁকে দেখল দেবযানীর মুখ। শান্তিতেই তো ঘুমচ্ছে। বিন্দুমাত্র অস্বাভাবিকতা তো নেই! তাহলে? সুদীপের হাই ওঠে। চোখ দুটো বন্ধ হয়ে আসে । দেবযানীর পাশে ওর করে দেওয়া বিছানাতেই ও ধপ করে শুয়ে পড়ে।…..
…..রাত্রে শুয়ে শুয়ে দেবযানীর গা থেকে অদ্ভুত একটা গন্ধ পাচ্ছিল। গন্ধটা সুদীপকে খুব টানছিল। ইচ্ছে করছিল ওকে কাছে টেনে ওর বাতাবী লেবুর মত দুই স্তনের মাঝখানে নাকটা ডুবিয়ে দিতে । কিন্তু সুদীপ জানে এইরকম কিছু করতে গেলে দেবযানী ঠেলে সরিয়ে দেবে । বেশি জোরাজুরি করলে আঁশবঁটিটা নিয়ে তেড়ে আসবে। নিজেকে নিবৃত্ত করে সুদীপ। ভাবে এই পলকা শরীরে এত শক্তি কী করে এলো?
ঘুমের মধ্যে এক একদিন গন্ধটা তীব্র হয়। সুদীপ টের পায় সুগন্ধের মধ্যে মিশে যাচ্ছে কাঁচা রক্তের ঘ্রাণ। কে জানে দেবযানীর দুই স্তনের মাঝখান দিয়ে শীর্ণ রক্তের ধারা প্রতি রাত্রেই নেমে আসে কিনা! ও চোখ খুলে দেখতে চায় কিন্তু দু’চোখ কে যেন আঠা দিয়ে জুড়ে দেয় । কিন্তু আজ কে জানে কেন ঘুম ভেঙে গেল ৷ গন্ধটা তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। চোখ খুলে একবার দেখে নিল দেবযানীর শরীরটা ধোঁয়ার মত স্বচ্ছ হয়ে যাচ্ছে ।….
