….আর যৌনতা? রোহিত দাঁত দিয়ে মারিয়ার স্তনবৃত্ত নিষ্পেষণ করে, ঠোঁট দিয়ে শুষে নেয় ওষ্ঠাধর, আঙুল দিয়ে চিনে নেয় চেনা পিচ্ছিল খাঁড়ি। ব্যস! ওইটুকুই। আর কিছু করার ক্ষমতা বিলুপ্ত হয়েছে রোহিতের। সে রাগে ফুঁসতে থাকে। ডাক্তারদের ওপরে রাগ। অ্যালোপ্যাথি চিকিৎসকরা বলছেন, ফিজিওথেরাপিতে পায়ের মাংসপেশীর কর্মক্ষমতা, যেটুকু ফেরার ফিরবে। যৌনক্ষমতা ফিরবে না।….
….সুজাতা আব্রাহামের গায়ের রং কালো। মুখে রুক্ষতার ছাপ। পাউডার মাখায় তার কালো রং আরও ফুটে বেরোচ্ছে। নার্সিং পাশ করা সুজাতা কাজকর্মে অতিশয় দড়। তার স্তন দুটি বিশাল। পশ্চাৎদেশও গুরু। কানাঘুষোয় শোনা যায় সঞ্জীবনের সঙ্গে তার বিছানা সম্পর্ক আছে।….
বেডরুমের আলো নিবিয়ে নিক বলল, ‘এই মরক্কো মার্টিনিটা হল আমাদের নাইটক্যাপ।
অন্ধকারে, ব্যাকওয়াটারের গভীরে একলা ভাসছে একটা হাউসবোট। নাম ম্যাজিক পোশন। তার বেডরুমে, মারিয়ার মধ্যে মিশে যেতে যেতে, গলে যেতে যেতে নিক বলল,
‘মারিয়া, তুমি আমাকে ডেবোরা ভুলিয়ে দাও। আমি তোমাকে রোহিত ভুলিয়ে দেব। পারবে না?’
সারা শরীর জুড়ে নিককে নিতে নিতে মারিয়া গোঙাচ্ছিল। কোনওমতে বলল, ‘পারব। তুমি ভরসা দিলেই পারব।’…
…“রোহিত কোনওদিন বাচ্চার বাবা হতে পারবে না। পুত্র এবং মূত্র একই পথে নির্গত হয়। বাকি জীবন রোহিতের লিঙ্গ রেচন অঙ্গ হিসেবেই কাজ করবে। জননাঙ্গ হিসেবে নয়। আশা করি আমার কথার মানে তুমি বুঝতে পারছ…’
কথা বলতে বলতে নিজের বাঁ হাত দিয়ে মারিয়ার ডান হাত ধরে সঞ্জীবন। মারিয়ার হাত নিজের জরিপাড়ওয়ালা ধুতি স্পর্শ করায়। ধুতির আড়ালে মুষলের মতো লিঙ্গটি মারিয়ার হাতে ধাক্কা মারছে। মারিয়া হাত সরিয়ে নেয়।….
….সিস্টারদের রেস্টরুমের দরজা ধাক্কায় সঞ্জীবন। বেশ কিছুক্ষণ পরে দরজা খোলে সুজাতা। তার চোখ লাল। সঞ্জীবনের ধুতির কষি ধরে ঘরের মধ্যে টেনে নিয়ে সে হিসহিস করে বলে, ‘কী আছে ওই শুঁটকো মেয়েছেলেটার মধ্যে? এইরকম বড় বড় বুক আছে ওর? শুধু ফর্সা রং দেখেই ভুলে গেলে? নাকি মেয়েছেলে দেখলেই ওটা লকলকিয়ে ওঠে?….
