রিপু কাহিনী – শফিক রেহমান

›› গল্পের অংশ বিশেষ  

সাপ এবং সিঁড়ি

……আবুলতিফ স্থির দৃষ্টিতে ওর চলে যাবার ভঙ্গিটালক্ষ করলেন পেছন থেকে। এককালে বিদেশী ছবিতে মেরিলিন মনরাের হাঁটা তাকে আকৃষ্ট করােকরাণীর হাঁটার ভঙ্গি ঠিক সে রকম না হলেও কোথায় যেন একটা অস্পষ্ট মিল দেখা যায় যখন ওনিতম্ব অসম তালে ওঠানামা করে কোমর থেকে উরু অবধি! আবু লতিফ ওই হাঁটার দৃশ্যে দুর্বার আকর্ষণ বােধ করেন ওর নিতম্বে হাত রেখে সেই অসম তালের সঠিক লয় নিরূপণের জন্যে। রাণীর নীল শাড়ি অদৃশ্য হলাে। আবু লতিফ বাথরুমে গেলেন শেভও স্নানের জন্যে।…..

…..হুহু করে তখন বাতাস আসছে। রাস্তার পাশে গাছগুলাে বাতাসে মুখরিত হয়ে উঠছে। পাতা আর ডালগুলাে অশান্ত হয়ে পড়েছে। রাণী ওরদুহাতের মুঠোয় আবুলতিফের বা হাত ধরে রয়েছে। হঠাৎ চাপ দিচ্ছে। আবুলতিফ তার অন্য হাতও এনে রাখলেন রাণীর কোলে। সিটের পেছনে রাণী তখন মাথা মেলে দিয়েছে। দুচোখ তার বন্ধ। কয়েক গােছা চুল মুখের এধারে ধারে বাতাসে উড়ে বেড়াচ্ছে। আবু লতিফ ওর দিকে একটু কাৎ হয়ে কোমর জড়িয়ে ধরূলনউিষ্ণ মসৃণ সে কোমর তার মনে কামনার তারা বাতি জ্বেলে দিলাে। তিনি ওকে আরাে কাছে টেনে নিলেন। অসাড়ভাবে রাণী ওর কাছে যেন গড়িয়ে এলাে। বাতাসেতার চুল আবুলতিফের ঠোটে এসে লেগে গেলাে। আলগােছে সে চুল সরিয়ে দিয়ে তিনি রাণীর মুখটিকে কাছেনিয়ে এলেন। ওর ঠোট দুটো যেন কেঁপে উঠলাে। আবু লতিফ সজোরে চুমুতে সে কঁপুনি থামিয়ে দিলেন। রাণীর ঠোট দুটো ধীরে খুলে গেলাে। ওর ঝকঝকে দাঁত আর লাল জিব আবু লতিফের সহস্র আকাঙ্ক্ষাকে অপ্রতিরােধভাবে সচেতন করে তুললাে। আবু কার্তিকখন যেন ওর বুকের বসন শিথিল করে ফেলেছেন। তিনি তার মুখ গুজে দিলেন ওর সুগঠিত দু’স্তনের মাঝে। দুহাতে চেপে ধরলেন দু’স্তন দিয়ে নিজের মুখকে। প্রাণ ভরে নিঃশ্বাস নিতে লাগলেন। মরুদেশে তৃষ্ণার্ত এক ক্লান্ত পথিক যেন হঠাৎ সরােবরের সন্ধান পেয়েছে। তিনি ওর বুকে পিঠে কোমরে অজস্র চুমু খেয়ে যেতে লাগলেন। কখনাে স্বল্পক্ষণ। কখনাে দীর্ঘক্ষণ। রাণী ওর চুলে আর ঘাড়ে হাত বুলিয়ে দিচ্ছিলাে। আবুলতিফ আবার তার মুখ তুলে আনলেন। রাণীর চোখ তখন আধাে খােলা। ঠোট দুটো একটু ফাক করা। শাদা দাঁতগুলাে একটু করে দেখা যাচ্ছে। আবু লতিফ ওর দু’গালে দু’হাত রেখে মুখখানি আরাে কাছে নিয়ে এলেন। হঠাৎ রাণীর ঠোট পুরাে খুলে গেলাে। ওর লাল জিহ্বা লকলক করে বেরিয়ে এসে আবু লতিফের মুখ টেনে নিলাে। …..

 

তাজমহল

……চাদের ফ্যাকাশে আলাে আসছিলাে সেটুকু এসে পড়ছিলাে কুলসুমের দেহের ওপরে। অনেকদিন পর কেরামত কুলসুমের যে অর্ধেক বালিশ শূন্য ছিলাে সেখানে মাথা রাখলেন। এবং ধীরে তার সর্বশরীর স্থাপন করলেন স্ত্রীর পাশে। কুলসুম একটু অস্ফুট আপত্তি জানিয়েছিলেন। কিন্তু তাতে কেরামত বিচলতি হননি। হঠাৎ তার ফিরে এসেছিলাে শিল্পীর দক্ষতা। রতিবিমুখ জীকে সে রাতে তিনি পরিবর্তিত করেছিলেন উন্মুখ, উত্তেজিত এবং অশান্ত এক রমণীতে। দুইদিন পরে সর্ব মন দিয়ে তিনি তাঁর সাহচর্য ভােগ করলেন।…..

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *