এনিমি (জিম ব্রাউন-১) – কাজী এহসান উল্লাহ

›› পেপারব্যাক  

…..‘সবচেয়ে উচু বুকওয়ালা মেয়েটা আমাদের সাথে যাবে। ওকেই আমাদের বেশ পছন্দ হয়েছে। ওকেও তােমরা দিন দশেক পরে ফেরত পাবে। বেনিয়া আদেশের সুরে বললাে।…..

…..রিকন ততক্ষণে এক ঝটকায় মেয়েটাকে টেনে নিয়েছে। ঘােড়াটাও বেশ কাছাকাছি। মেয়েটাকে ঘোড়ায় তুলবে। তর সইছে না ওর। মেয়েটার দেহটা বেশ মাংসে থলথল।…..

….আমি এখনি পাঠাচ্ছি একটা মূল্যবান পুরস্কার। আমার একান্ত নিজস্ব রক্ষিতা। মালটাকে আমি নিজে হাতে বড় করেছি। এখন ও গায়ে গতরে একেবারে টইটুম্বর, যৌবন উপছে পড়তে চাইছে। অশ্লীল ইঙ্গিত করে একটা চোখ টিপ দিলাে।…..

…..কিন্তু আলো উস্কে যা দেখলে তাতে নিজেই লজ্জা পাবার যােগাড়। অর্ধনগ্ন এক যুবতী। পা থেকে মাথা পর্যন্ত চোখ বোলালো। নগ্ন পা। পায়ের পশমগুলাে বেশ বড়। উরু পর্যন্ত নিরবেরণ। থলথলে স্বেত রঙের উরুর ঠিক উপরেই আট সাট হয়ে চেপে রয়েছে স্কাট এর নিম্নাংশ। হাতকাটা স্কাট। মেদমহুল ধবধবে হাত দুটি ওর বুকের ওপর, আড়াআড়ি করে রাখা! স্কাট এর কল্যাণে ওর সুউচ্চ বুকের অধিকাংশ উন্মুক্ত। ও দুটো যেন ফেটে বের হয়ে আসতে চাইছে। জিম ব্রাউন রিভলবারের নল নামালাে। কারণ মেয়েটাকে দেখেই বােঝা যাচ্ছে সে আর যে জন্যই আসুক তাকে মারতে আসেনি। মেয়েটা নিজেই ভয়ে অস্থির।

লােকটার রুক্ষ মুখ আর লাল চোখ দেখে প্রমাদ গুনছে জেসিকা। একদৃষ্টে ওর দিকে তাকিয়ে আছে লােকটা। মনে হয় ওকে গিলে খাচ্ছে। এখনই হয়তাে ঝাপিয়ে পড়বে ওর উপর। চেপে ধরবে নিজের বুকের সাথে। মদের দুর্গন্ধভরা ঠোট দুটো চেপে বসবে ওর ঠোটে। তারপর নিজেকে হতে হবে দলিত মথিত। এক সময় ওকে নিংড়ে নিয়ে দু’পায়ে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেবে।…..

…..‘উইলো-‘ জেসিকা তার মাথা নেতিয়ে দিলো উইলাের বুকে। 

জেসিকা। উইলেও ওকে আঁকড়ে ধরলাে। দুজনেই আবেগপ্রবণ হয়ে উঠেছে। ধীরে ধীরে দুজনের ঠোট খুব কাছাকাছি হচ্ছে। একটার উপর অন্যটা উষ্ণতা খুঁজছে। ওদের নিঃশ্বাস ক্রমশঃ দ্রুত হচ্ছে, ঘন ঘন পড়ছে। একসময় ওরা দু’জন দু’জনকে শক্ত করে চেপে ধরলাে। ধীরে ধীরে বসে পড়ছে ওরা। জেসিকার নরম নগ্ন উরুর উপর উইলাের ককশ হাত নির্বিঘ্নে ঘােরা ফেরা করছে। একসময় ওর নরম উরুর উপর উইলাের একটা পা উঠে গেল। মুখটা নামিয়ে এনেছে ওর বুকে। সুউচ্চ মাংস পিণ্ডে ওর দাত বসে গেলাে। জেসিকা মােলায়েম সুরে করাচ্ছে। ওদের নিঃশ্বাস মিলেমিশে একাকার হয়ে যাচ্ছে। প্রচণ্ড ঠাণ্ডাতেও ওরা ক্রমে ক্রমে ঘেমে উঠছে।…..

……জেসিকা লাফিয়ে পড়লো উইলাের বুকে। উইলো দু’হাত বাড়িয়ে প্রস্তুতই ছিল। জাপটে ধরল জেসিকাকে। জেসিকার পিঠে হাত দিয়ে সজোরে নিজের বুকের সাথে চেপে ধরলাে। জেসিকা তার দু’ঠোঁট নামিয়ে আনলো। উইলেও দু’ঠেটি নামিয়ে আনলো। উইলাের দু’ঠোট টেনে নিল নিজের ঠোঁটের মাঝে। ভিজিয়ে দিল ও দুটোকো। দুজনে এরা খুব কাছাকাছি। দুজনের উষ্ণ নিঃশ্বাস দুজনার চোখে মুখে লাগছে। গাগল হয়ে উঠেছে ওরা। জেসিকার উরুর ওপর উইলাের হাত চেপে বসেছে। জেসিকার একটা পা-ও উইলাের ওপর ক্রমে ক্রমে চেপে বসছে। দু হাতে জেসিকা উইলােকে আরে কাছে টানতে চাইছে।…..

…..এক ঝটকায় টেনে নিলাে জেসিকাকে। ওর লােমে ভরা বুকের সাথে চেপে ধরলাে ওর মসৃণ মুখ। মােটামুটি ভল্লকের লােমের মত পশমে ঘষা খেলো জেসিকার নরম মুখ। জ্বলে উঠলো। কতদিন পরে পেলাম তােমাকে রাণী। সারনানকে নিজের ঠোঁট নিচে নামিয়ে আনলো। চেপে ধরলো জেসিকার নরম গােলাপী ঠোঁটের ওপর। সারনানকোর আর তর সইছে না। জেসিকার বুকের আচ্ছাদন একটানে খুলে ফেলল। ছুড়ে দিল তাবুর কোণায়। সারনানকোর বাম হাত চেপে বসলাে জেসিকার ডান স্তনের উপরিভাগে। প্রচণ্ড চাপে জেসিকার মুখ কুচকে গেল। বাঘের থাবা খাওয়া হরিণীর মত ছটফট করতে লাগলাে ও। সারনানকে। ক্রমে ক্রমে পাগল হয়ে উঠছে। আদিম প্রবৃত্তি দ্রুত মাথা চাড়া দিয়ে উঠলাে।…..

…..একসময় ঢলতে ঢলতে উঠে দাড়ালো সারনানকো। দু’হাত বাড়িয়ে জেসিকাকে অক্টোপাশের মত আঁকড়ে ধরলাে। জেসিকার বুকে আড়া গাড়ি ভাবে রাখা হাত সরে গেলাে। সুন্দর বাঁধনের সুডৌল স্তন দুটো উন্মুক্ত হলাে। থর থর করে কাঁপছে ও দুটো। সারনানকোর মুখ ক্রমে ক্রমে নিচের দিকে নেমে আসছে। নীচে আরাে নীচে। একসময় ওর মুখটা জেসিকার মসৃণ বুকের মাঝখানে স্থির হলাে।

সারনানকোর হাত তখন অন্য কাজে ব্যস্ত। জেসিকার দু’উরু নগ্ন করে ফেলেছে। ওর মসণ নরম উরুর উপর ঘুরে ফিরছে। মাঝে মাঝে চাপ দিচ্ছে। পৈশাচিক হাসিতে ফেটে পড়তে চাইছে নরাধমটা।…..

…..উইলো নিজের ঠোট দুটো নামিয়ে আনলাে। চেপে ধরলো জেসিকার নরম পাপড়ীর মত ঠোটের উপর। পরেস্পর পরেস্পরের দু’ঠোট ভিজিয়ে দিল। উইলে ঘাসের উপর শুয়ে পড়লে চিৎ হয়ে। জেসিকা ওর বুকের উপর। উইলাের দু’হাত জেসিকার পিঠে বেষ্ঠিত। আর জেসিকার দু’হাত চিৎ হয়ে শুয়ে থাকা উইলাের ঘাড়ের নিচে দিয়ে বেষ্ঠিত।

কয়েক মিনিট এই ভাবেই ওরা পরেরে পরেস্পরকে লেপ্টে রইলাে। এক সময় জেসিকার মুখটা উইলাের ঘড়ের পাশে সরে গেল। ঘাড়ে চুমা খেলে কয়েকটা। হঠাৎ দুষ্টামি করে উইলাের ঘাড়ে কামড়ে দিলাে ও।

‘তবেরে …? দুহাতে জেসিকাকে আঁকড়ে গড়িয়ে গেল উইলো। এখন জেসিকা মাটিতে চিৎ হয়ে পড়ছে। উইলাে জেসিকার বুকের উপর উপুড় হয়ে চেপে ধরলো ওকে।

এই প্লিজ কি কর ? তােমার ভার আমি সহ্য করতে পারি ?

না পারলে চলবে কেমন? তাছাড়া আমার গলায় কামড় দেওয়ার ফল ভােগ করতে হবে না ?”

‘আচ্ছা মাপ করে দাও।’ জেসিকাও সর্বশক্তি দিয়ে উইলােকে নিচে ফেলতে চেষ্টা করছে। কিন্তু পারছে না। উইলাের গায়ে শক্তি অনেক বেশী। মােটামুটি রেসলিং চলছে ওদের। আর এই কুস্তিতে জেসিকার বুকের কাপড় অনেকটা ফাঁক হয়ে গেছে। কাপড়ের ফাঁক দিয়ে ওর সুউচ্চ মাংস পিণ্ড উকি দিতে চাইছে। বাম স্তনের অর্ধেকেরও বেশি বের হয়ে পড়েছে। ধস্তাধস্তিতে জেসিকার বাম স্তনের উম্মুক্ত মাংসপিণ্ড লাল রাঙা হয়ে গেছে।

উইলো আর দেরী করলাে না। দুষ্টামি মাথা চাড়া দিয়ে উঠলাে। ওর নগ্ন স্থানে কামড় বসিয়ে দিল।

‘উহ, মারবে নাকি ?’ দু’ হাতে উইলাের মুখটা সরিয়ে দিলাে জেসিকা।

‘স্মতি রাখলাম। তােমার বুকের দাগ মুছতে না মুছতেই আমি ফিরে আসবে।

জেসিকা মাথা নামিয়ে ওর বুকটা দেখতে চেষ্টা করছে। উপরের কাপড় কিছুটা সরিয়ে বলল, “ইস গােল করে দাতের দাগ ফেলে কয়েছ কি ?

‘তােমার ভাগ্য ভালাে গালে দাগটা পড়েনি। নাহলে চাচার সামনে মুখ দেখাতে হতাে না’

‘বদির কোথাকার। ‘এখনই বাদর টাইটেল দিলে? ‘কেন।

‘আমি তােমাকে কি এতটুকুতেই ছাড়ছি নাকি? সবে মাত্র পা পেঁচিয়ে ধরেছি …।

আসলেও। জেসিকার নিতম্বের পেছন দিয়ে এক পা দিয়ে আকড়ে ধরেছে উইলাে। নিজের কোমরের সাথে লেপ্টে রেখেছে।

এই কি কর প্লিজ আজ নয়। ভালােই ভালােই ফিরে এসো তারপর..’ কথাগুলাে উচ্চারণ করতে লজ্জায় রাঙা হয়ে গেল ও।

‘না আমি কিছুতেই তােমার কথা শুনবাে না। আমাকে তুমি পাগল করে ফেলছ। তােমার সুউচ্চ নিতম্ব অনেক আগে থেকেই আমাকে পাগল করে ফেলেছে। এতাে কাছে পেয়ে আর ভালাে থাকতে পারছি না আমি। হাঁপাচ্ছে ও। ঘনঘন নিশ্বাস পড়ছে ওর। আমাকে এখন আর বাধা দিয়াে না লক্ষীটি। আর একটু এগােতে দাও, কিছু হবে না। ‘এই খােলা আকাশের তলায়? দু’হাত মুখ ঢাকলাে জেসিকা।

এখানেই তাে আমাদের জন্ম। আমাদের পূর্বপুরুষের আচ্ছাদন তাে এই খােলা আকাশই।’ এক টানে জেসিকার দু’উরুর কাপড় তুলে ফেলেছে ও। জেসিকার নরম মসৃণ উরুর স্পর্শে আরাে পাগল হয়ে উঠলাে ও। আর থাকতে পারছি না। প্লিজ তুমি এখন লজ্জা কেরে না। চোখ বন্ধ কর –

‘না—না। মেয়েদের স্বভাব সুলভ কথাটা উচ্চারণ করলো। জেসিকা। কিন্তু উইলের উষ্ণ নিশ্বাসে আর কিছুক্ষণের মধ্যেই ওর না-না” শব্দ রূপান্তরিত হবে “আহ, আহ,” শব্দে।…..

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *