নরওয়েজিয়ান উড – হারুকি মুরাকামি

›› অনুবাদ  

অনুবাদঃ কৌশিক জামান

…….নাগাসাওয়াকে নিয়ে ডরমে বেশ কিছু কিংবদন্তি চালু ছিল। একটা ছিল যে, সে একবার তিনটা জ্যান্ত শামুক খেয়েছিল। তার লিঙ্গও নাকি বিশাল। আরেকটা ছিল, সে একশােরও বেশি মেয়ের সাথে শুয়েছে।……

……পুরুষাঙ্গের সাইজ জানা সহজ ছিল। আমি তার সাথে ডরমের কমন গােসলখানায় গিয়েছিলাম। সাইজ ভালােই বড়। কিন্তু একশাে মেয়ের সাথে শােওয়ার ব্যাপারটা বাড়াবাড়ি ছিল। “খুব বেশি হলে পঁচাত্তর হবে,” সে বলেছিল। “সবার কথা আমার মনে নেই। তবে মােটামুটি নিশ্চিত অন্তত সত্ত্বর হবেই,” আমি যখন তাকে বললাম আমি মাত্র একজনের সাথে শুয়েছি, সে বলল, “এটা কোন ব্যাপারই না। আমি ব্যবস্থা করবাে। সহজ ব্যাপার। আমার সাথে বাইরে যে-ও। তােমার জন্য মেয়ে জোগাড় করা কোন সমস্যাই হবে না।”……

……আমিও যে অচেনা মেয়েদের সাথে সেক্সের জন্য পাগল ছিলাম তা নয়। আমার জন্য ব্যাপারটা ছিল যৌনতাড়না প্রশমনের একটি সােজা উপায়। তাছাড়া আমি অবশ্যই তাদেরকে স্পর্শ করতে পছন্দ করতাম, খালি সকালে উঠে আর সহ্য হত না। ঘুম ভাঙলে দেখতাম একটা আজব ধরণের মেয়ে আমার পাশে ঘুমাচ্ছে। ঘর ভর্তি মদের গন্ধ। বিছানা আর পর্দায় সেই স্পেশাল ‘লাভ হােটেল ঝকমারি। আর মাথাবাবাজি হ্যাঙ্গওভারে ভারি হয়ে আছে। তারপর সেই মেয়ে ঘুম থেকে উঠবে আর মেঝেতে তার আন্ডারওয়্যার খুঁজবে। আর জামা পরতে পরতে কিছু একটা বলবে যেমন, “আশা করি তুমি কনডম ব্যবহার করেছিলে। এই মাসের সবচেয়ে জঘন্য দিন ছিল এটা আমার জন্য।” তারপর আয়নার সামনে বসে তার মাথাব্যথা নিয়ে গজগজ করবে আর লিপস্টিক, নকল আইল্যাশ লাগাবে। আমি এদের সাথে পুরাে রাত কাটাতে চাইতাম না কিন্তু রাতে কারফিউ থাকে বলে উপায় থাকতাে না। মেয়ে পটাতে চাইলে ডরম থেকে সারারাতের জন্য পাশ নিয়ে বের হতে হত। পরদিন সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করে ডরমে যখন ফেরত যেতাম তখন নিজের উপর ঘেন্না চলে আসতাে। সূর্যের আলােয় মনে হত চোখ পুড়ে যাচ্ছে, গলার ভেতর সাহারা মরুভূমি, আর মাথা মনে হত নিজের কাছে আর নেই।

এভাবে তিন-চার মেয়ের সাথে শােওয়ার পর এদিন জিজ্ঞেস করলাম নাগাসাওয়াকে, “আচ্ছা, সত্তরজন মেয়ের সাথে সেক্স করার পর তােমার কি মনে হয় না, পুরাে ব্যাপারটা অর্থহীন?”

“এই কথা প্রমান করে, তুমি একজন ভদ্রলােক,” বলল সে। “কগ্র্যাচুলেসন্স। অচেনা মেয়েদের সাথে সেক্স করে একদম কিছু পাওয়ার নেই। একসময় তুমি স্রেফ বিরক্ত হয়ে যাবে আর নিজেকে ঘৃণা করতে থাকবে। আমার জন্যও ব্যাপারটা একই।”…….

…….আমি তখন আলাে নিভিয়ে দিলাম আর তার দেহ থেকে আলতাে স্পর্শে কাপড়গুলাে সরিয়ে তাকে অনাবৃত করে ফেললাম। তার সাথে নিজের কাপড়গুলােও খুলে নিলাম। এপ্রিলের সেই বৃষ্টিস্নাত রাত আমাদের জন্য ক্রমশই উষ্ণ হয়ে উঠলাে। একজন আরেক জনের নগ্ন দেহকে আমরা এমনভাবে জড়িয়ে রেখেছিলাম যে, আমাদের শরীরের উষ্ণতায় পরিবেশের শীতলতা আর আমাদের স্পর্শ করলাে না। অন্ধকারের মাঝে আমরা একে অপরের দেহের বিভিন্ন অংশ নগ্ন স্পর্শের মাধ্যমে খুঁজে নিচ্ছিলাম। আলাের কোন প্রয়ােজন ছিল না। তার ছােট কোমল স্তন দুটোকে আমার হাতের মুঠোয় নিয়ে চুমু খেয়েছিলাম। আর সে আমার লিঙ্গ চেপে ধরে রেখেছিল। এক উষ্ণ-সিক্ত আনে নাওকো জানিয়ে দিয়েছিল তার ভেতরে আমাকে পাবার আকাংখা।

কিন্তু যখন তার দেহের ভেতরে প্রবেশ করালাম ব্যথায় তার শরীর কেঁপে উঠলাে। অবাক হয়ে প্রশ্ন করলাম এটিই তার প্রথম ছিল কিনা। সে সম্মতি-সূচক মাথা ঝাকালাে। অথচ ভেবেছিলাম সে আর কিজুকি একসাথে শুয়ে অভ্যস্ত। তারপর আমি অনেকটুকু সময় তাকে জড়িয়ে ধরে স্থির পড়ে থাকলাম। একসময় সে শান্ত হয়ে আসলাে আর আমি আবার ধীরে ধীরে নড়তে লাগলাম। অবশেষে সে নিরবতা ভেঙে আমাকে জড়িয়ে ধরে আর্তনাদে ফেটে পড়লাে যা ছিল আমার শােনা করুণতম অর্গাজমের আর্তনাদ।

সবকিছু পর আমি নাওকোকে জিজ্ঞেস করলাম কেন সে কিজুকির সাথে কিছু করেনি। প্রশ্নটা করা ছিল বিশাল ভুল। সাথে সাথে সে ঘুরে শুল, নিঃশব্দে কাঁদতে লাগল আবার। আমি ক্লজিট থেকে বিছানা বের করে বিছিয়ে তাতে নাওকোকে শুইয়ে চাদর দিয়ে ঢেকে দিলাম তার শরীর। তারপর সিগারেট ধরিয়ে জানালা দিয়ে বাইরের বৃষ্টি দেখতে থাকলাম। এপ্রিলের অবিরাম বৃষ্টি।…….

……..জুনে আমি দু-বার নাগাসাওয়ার সাথে বাইরে গেলাম মেয়েদের সাথে রাত কাটাতে। দুবারই ব্যাপারটা সহজ ছিল। প্রথম মেয়েটা ধস্তাধস্তি লাগিয়ে দিয়েছিল যখন আমি হােটেলের বিছানায় তার কাপড় খুলতে গেলাম। বিরক্ত হয়ে বাদ দিয়ে আমি যখন বই পড়তে লাগলাম তখন সে আবার এসে ঘষাঘষি শুরু করল। আর দ্বিতীয় মেয়েটা সেক্সের পর শুরু করল যাবতিয় ব্যক্তিগত প্রশ্ন-কতজন মেয়ের সাথে শুয়েছি, কোথেকে এসেছি, আমার স্কুল কি ছিল…….

…….একা হতেই নিজের উপর ঘেন্না চলে আসল আমার। এসব কি করছি আমি? অথচ আর কি কিছু করার ছিল। আমার শরীর নারীদেহের জন্য ক্ষুধার্ত হয়ে ছিল। যখন ঐ মেয়েদের সাথে রাত কাটাচ্ছিলাম, আমি আসলে ভাবতাম নাওকোর কথা। অন্ধকারে তার সাদা নগ্ন দেহের কথা। …….

…….আমি কাপড়-চোপড় খুলে ফেলে বিয়ার নিয়ে বাথটাবে গিয়ে বসলাম। সে-ও পােশাক খুলে এসে বসল। আমরা বাথটাকে চাপাচাপি করে বসে বিয়ার খেলাম। কেউই মাতাল হতে পারলাম না যদিও, আবার ঘুমও পাচ্ছিল না। ওর শরীর ছিল অনেক ফর্সা আর কোমল। বিশেষ করে পাগুলাে ছিল খুবই সুন্দর। আমি তার সৌন্দর্যের প্রশংসা করলে ঘোঁৎ ঘোৎ শব্দ করে থ্যাংকস দিল।

কিন্তু একসাথে বিছানায় যেতেই সে যেন এক অন্য মানুষ বনে গেলাে। আমার আলতাে স্পর্শও তাকে উত্তেজিত করে তুলছিল। শরীর মুচড়ে আর্তনাদ করে উঠছিল সে। তার শরীরে প্রবেশ করার সাথে সাথে সে আমার পিঠ নখ দিয়ে খামচে দিল। অর্গাজম হওয়ার আগ পর্যন্ত মােট ষােল বার সে অন্য আরেকজনের নাম ধরে ডাকতে থাকলাে। অর্গাজম যতটা সম্ভব দীর্ঘ করানাের জন্য আমি গােণায় মনােযােগ দিয়েছিলাম। শেষ হওয়ার পর আমরা দুজনেই ঘুমিয়ে পড়লাম।………

…….নাওকো একটু দুঃখিত হাসি দিয়ে আমার দিকে তাকাল।

“আমাদের ছােটবেলার সম্পর্কও অন্যরকম ছিল। যেন আমাদের শরীর কোথাও জোড়া লাগান ছিল। আমরা কখনাে আলাদা হলে কোন ধরনের মাধ্যাকর্ষণ বলের টানে আবার একসাথে হয়ে যেতাম। খুবই স্বাভাবিক যে আমরা বয়ফ্রেন্ড-গার্লফ্রেন্ড হয়ে গেলাম। এনিয়ে চিন্তার কোন সুযােগ ছিল না বা বাছাই করারও কোন সুযােগ ছিল না। আমরা প্রথম চুমু খেয়েছিলাম বার বছর বয়সে। অন্তরঙ্গ সময় কাটাতে শুরু করেছি তের থেকে। আমি ওর রুমে যেতাম কিংবা সে আমার রুমে আসতাে আর আমি হাত ব্যবহার করে ওকে সুখ দিতাম । আমাদের কখনাে মনে হয়নি সাবধানতার দরকার আছে। সে যদি আমার স্তন কিংবা যােনি নিয়ে খেলতে চাইত, আমি কিছুই মনে করতাম না। সে যদি বীর্যপাত করতে চাইত, আমি খুশি মনে তাকে সাহয্য করতাম। আমি নিশ্চিত কেউ যদি আমাদের কাউকে বলতাে যে আমরা ভুল করছি তাহলে আমরা অবাক হতাম। কারন আমরা কিছু ভুল করছিলায় না। আমরা তাই করছিলাম যা আমাদের করার কথা। আমরা একে অপরের দেহের সব অংশ চিনেছি। যেন আমরা যৌথভাবে দেহ দুটির মালিক। অন্তত আমি যা বললাম, আমরা এর বেশি কিছু করিনি, আমার ভয় ছিল আমি সন্তানসম্ভবা হয়ে যেতে পারি। আমরা জানতাম না কি করে সেটা না হওয়া যায় তাই কোথাও না কোথাও থামতেই হত। যাইহােক এই হল কাহিনী আমরা কিভাবে একসাথে বেড়ে উঠেছি, হাতে হাত ধরে, একজন আরেকজনর অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে। বয়সন্ধিতে অন্যদের যেরকম বদল হয়, অহংকার আসে, সেক্স এর বাপারে ধারনা হয়, আমাদের সেরকম কিছুই হয়নি। আমরা সেক্সের বাপারে খােলাখুলি ছিলাম, অহংকার ধরনের কিছু হয়নি, বা হলেও একজন আরেকজনের মধ্যে মিশে গেছে বুঝতেও পারিনি কিছু। বুঝতে পারছাে কি বলছি?”…….

…….কাছে গিয়ে নাওকোকে ছোঁয়ার চেষ্টা করলাম, কিন্তু সে পিছিয়ে গেল। তার ঠোট কাপছিল। এক মুহূর্ত পরে আস্তে আস্তে তার গাউনের বােতাম খুলতে লাগল সে। আমার মনে হচ্ছিল আমার স্বপ্ন তখনও চলছে। ওর লম্বা সুন্দর আঙুলগুলাে আস্তে আস্তে উপর থেকে শুরু করে একটার পর একটা বােম খুলতে লাগলাে। সাতটা ছােট ছােট সাদা বােতাম। তারপর গাউনটা কাঁধ থেকে খসে পড়তে দিল। অন্ধকারে ছুঁড়ে ফেলল যেন কোন পােকা গায়ের উপর এসে পড়েছিল। গাউনের নিচে আর কিছু ছিল না। ওর পড়নে শুধু ছিল মাথার ব্যারেট। বিছানার পাশে সম্পূর্ন নগ্ন দাড়িয়ে সে আমাকে দেখতে লাগলাে। কামনায় পরিপূর্ন তার চকচকে নগ্ন দেহ চাদের কোমল আলােয় স্নান করে নিচ্ছিল। তার প্রতিটি নড়া চড়া এক ধরণের অদ্ভুত আলাে-ছায়ার খেলার সৃষ্টি করছিল। তার সুগঠিত গােলাকার স্তন, ছােট ছােট স্তনবৃন্ত, নাভির খাজ, তার নিতম্ব আর গুপ্তকেশ, সব একসাথে এমন একটি ছায়া তৈরি করেছিল যেরকমটি শান্ত পুকুরে ঢিল পড়লে তরঙ্গ সৃষ্টি হয়।

কি অপূর্ব নিখুঁত দেহ! আমি মনে মনে ভাবলাম। কবে নাওকোর দেহ এরকম সুন্দর এরকম নিখুঁত হল? গত বসন্তে আমি তার যে দেহ দেখেছিলাম, সেটা কোথায় গেল?

সে রাতে নাওকো যখন কাঁদছিল আর আমি তাকে নগ্ন করে দিচ্ছিলাম তখন তাে এরকম নিখুঁত মনে হয়নি। তার স্তন ছিল শক্ত, স্তনবৃন্তগুলাে বেরিয়ে ছিল, নিতম্ব ছিল দৃঢ়। সে সুন্দরি ছিল তাতে কোন সন্দেহ নেই। তার দেহও ছিল অসামান্য রকমের আকর্ষণীয়। সেই রাতে সে আমাকে যথেষ্ট উত্তেজিত করে। তুলেছিল, উত্তেজনায় আমি একরকম ভেসে গিয়েছিলাম। কিন্তু তারপরেও তাকে জড়িয়ে ধরে যখন চুমু খাচ্ছিলাম তখন কেমন যেন অস্বাভাবিকতা অনুভব করছিলাম। নাওকোকে জড়িয়ে ধরে বলতে চাইছিলাম, “এই মিলন, কিছু আসে যায় না এসবে। আমরা যা বলছি বা যা করছি তা হল স্রেফ দুটি অপরিপূর্ণ মাংস পিন্ডের ঘষাঘষি। এসব করে শুধুই নিজেদের অপূর্ণতা ভাগাভাগি করছি আমরা।” কিন্তু কিছু বলিনি। আশংকা ছিল সে বুঝবে না। আমি শুধু ওকে শক্ত করে ধরে ছিলাম। আর তখন অনুভব করেছি তার শরীরের ভেতর শক্ত, অস্বাভাবিক, অপরিচিত কিছু একটা। এমন কিছু একটা যা আমাকে দূরে ঠেলে রেখেছিল। আর সেই অনুভূতি একই সাথে আমাকে উত্তেজিত করেছিল বিপুলভাবে, আবার নাওকোর প্রতি আমার হৃদয়কে পরিপূর্ণ করে তুলেছিল।

এখন নাওকোর যে শরীর আমার সামনে উন্মুক্ত, সে রাতের সাথে এর কোন মিল নেই। মনে হচ্ছিল চাঁদের আলােয় পুরমাে দেহ বদলে গিয়ে নতুন নিখুঁত দেহে পরিণত হয়েছে। এ দেহ এখন একজন পরিপূর্ণ নারীর দেহ। আমি শুধু বিস্মিত হয়ে চেয়ে আছি, বুক থেকে নিতম্ব কি দারুন বাঁকে সুগঠিত, গােল ভরাট স্তন, নিঃশ্বাসের তালে তালে মেদহীন পেটের উঠানামা, আর নিচে কোমল, কালাে গােপন ছায়া।

প্রায় পাঁচ মিনিটের মত সম্পুর্ন নগ্ন দেহে দাড়িয়ে থেকে গাউন দিয়ে আবার ঢেকে বােম লাগিয়ে নিল সে। শেষ বােতাম লাগানাে হতেই আবার ডেসে তার রুমের দিকে উড়ে গেল। শব্দহীনভাবে দরজা খুলে ভেতরে অদৃশ্য হয়ে গেল।……..

……..আমি তাকে ভালাে করে ম্যাসাজ করে দিতে লাগলাম। তারপর সে আবার ক্ষমা চেয়ে বলল, তার ব্রা খুলে দিতে আমার কোন সমস্যা আছে কিনা, তার নাকি ব্যথা লাগছে। আমিও কিছু না বুঝে তাই করলাম। ওর পরনে ছিল স্কিন টাইট ব্লাউজ, আমার বেশ কসরত করে ওর ব্লাউজের বােতামগুলাে আর ব্রায়ের হুক খুলতে হল। তের বছরের একজন মেয়ের তুলনায় ওর বুক বেশ উন্নত। আমার প্রায় দ্বিগুন। আর সে কিশােরিদের ব্রা পরা ছিল না, তার ব্রা ছিল একদম পূর্ণবয়স্কা মডেলদের মত দামি। অবশ্যই আমি তখন এসবে এত মনােযােগ দেইনি, আমি গাধার মত তার পিঠ মাসাজ করতে লাগলাম।……

…….“তারপর আমি জানি না, আমি ওর মাথা বুকে চেপে ছিলাম আর সান্ত্বনা দিচ্ছিলাম। সে আমাকে জড়িয়ে ধরে ছিল। তার হাত আমার পিঠে ঘসছিল, আমার কেমন জানি অদ্ভুত লাগতে লাগল, আমি উত্তেজিত বােধ করতে শুরু করলাম। মানে, বুঝতে পারছাে, এরকম ছবির মত সুন্দর একটি মেয়ে আমার সাথে বিছানায়, আমাকে জড়িয়ে ধরে আছে, আমার শরীরে হাত ঘষছে। এমনভাবে যা আমি আমার স্বামীর সাথেও বােধ করিনি। আমার মনে হচ্ছিল, যতবারই সে আমাকে স্পর্শ করছে, আমার শরীরের সব স্কু একটার পর একটা ঢিলে হয়ে খুলে আসছে, আর আমি কিছু বােঝার আগেই সে আমার ব্লাউজ আর ব্রা খুলে ফেলে বুকে তার মুখ ঘষতে লাগল। শুধু সেই সময়ই আমি বুঝতে পারলাম, সে উপরে যাই সাজুক ভেতরে একজন সমকামি…লেসবিয়ান। এরকম আমার আগেও একবার হয়েছিল, হাই-স্কুলে থাকতে, উপরের ক্লাসের মেয়েদের সাথে। যাহােক, আমি তাকে থামতে বললাম।

“ওহ্ প্লিজ!’ বলল সে, ‘আর একটু, আমি খুব একা। আমাকে বিশ্বাস করাে, তুমি ছাড়া আমার কেউ নেই, আমাকে দূরে ঠেলে দিও, সে আমার হাত নিয়ে তার বুকে রাখল-তার চমক্কার সুডৌল স্তন, অবশ্যই আমি একজন নারী, কিন্তু তারপরেও ওর স্তন ছুতেই আমার ভেতর দিয়ে যেন বিদ্যুৎ বয়ে গেল। আমি বুঝতে পারছিলাম না কি করা উচিত Nআমি খালি বােকার মত না

না করছিলাম। মনে হচ্ছিল অবশ হয়ে গিয়েছি, নড়তে পারছিলাম না এক বিন্দু। হাই-স্কুলে মেয়েদের ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দিতে পেরেছিলাম, কিন্তু এবার আমি কিছুই করতে পারছিলাম না। আমার শরীর কোন নির্দেশ নিচ্ছিল না। সে তার বাম হাত দিয়ে আমার ডান হাত ধরে রেখে আমার বুকে চুমু খাচ্ছিল, আর ডান হাত দিয়ে আমার পেছনে, পাশে আর নিচে হাতাচ্ছিল। দৃশ্যটা বুঝতে পারছাে? আমি আমার বেডরুমে বিছানায়, জানালার পর্দা টানা, তের বছরের একটা মেয়ে আমাকে প্রায় নগ্ন করে ফেলেছে, আমার শরীরের বিভিন্ন অংশে স্পর্শ করে যাচ্ছে আর আমি যৌন উত্তেজনায় মােচড়াচ্ছি। এখন ভাবলে আজব লাগে। পুরােই পাগলামি না? কিন্তু সে সময় সে যেন আমাকে জাদু করে ফেলেছিল।”

সিগারেটে টান দেয়ার জন্য একটু বিরতি দিল রেইকো।……

……“এরকম কিছুক্ষণ চলল, তারপর ওর ডান হাত নিচে নামাতে নামাতে আমার প্যান্টির মধ্যে ঢুকিয়ে দিল। ততক্ষনে আমি পুরােপুরি উত্তেজিত। বলতে লজ্জা লাগছে কিন্তু এটা সত্যি আমি কখনাে এরকম উত্তেজিত হইনি, একবারও না। সেক্সের ব্যাপারে আমার কখনাে সেরকম আগ্রহ ছিল না। কিন্তু সে যখন তার সুন্দর লম্বা নরম আঙুলগুলাে আমার প্যানটির ভেতর ঢুকালাে আর…বুঝতেই পারছাে…আমার পক্ষে বলে বােঝানাে মুশকিল। মানে, একজন ছেলের মােটা গাবদা হাত ওখানে দেয়ার থেকে পুরােপুরি আলাদা ব্যাপার। অন্যরকম একটা অনুভূতি। আমার মনে হচ্ছিল মাথার তার সব ছিড়ে যাবে যে কোন সময়। তারপরেও আমার অবশ ব্রেনের কোথাও এই চিন্তা আসল যে আমাকে এটা থামাতে হবে। একবার যদি আমি এটা হতে দেই, আমি আর কখনাে থামাতে পারবাে না, আমাকে সারা জীবন এই গােপনিয়তা বহন করতে হবে, আমার মাথায় আবার সব জট পাকিয়ে যাচ্ছিল। আমি আমার মেয়ের কথাও ভাবলাম। কেমন হবে যদি সে আমাকে এই অবস্থায় দেখে ফেলে? তার শনিবার আমার বাবা-মায়ের বাসায় তিনটা পর্যন্ত থাকার কথা, যদি সে কোন কারনে আগে চলে আসে না বলে? এইসব চিন্তা আমাকে শক্তি যােগাল, বিছানা থেকে উঠে দাঁড়ালাম আমি। থামাে, এক্ষুনি থামাে!’ আমি চিৎকার করে বললাম।

“সে থামল না, বরং টান দিয়ে আমার প্যান্টি নামিয়ে তার জিহ্বা দিয়ে শুরু করল। আমি আমার স্বামীকেও কখনাে এমন করতে দেইনি। আমার কাছে খুবই ব্রিতকর লাগে। আর এখন কিনা একটা তের বছরের মেয়ে এই কাজ করছে। আমি সব ছেড়ে দিলাম। কঁদা ছাড়া আমার কোন উপায় ছিল না। আর অনুভূতিটি ছিল স্বর্গিয় ।

* “থামাে!’ আমি আরেকবার চিক্কার করে বললাম, তারপর যত জোরে সম্ভব একটা চড় বসিয়ে দিলাম ওর গালে। অবশেষে সে থামল, উঠে আমার দিকে তাকাল। আমরা দু-জন নগ্ন, বিছানায় হাটুর উপর ভর দিয়ে একজন আরেকজনের দিকে তাকিয়ে আছি। ওর বয়স তের, আমার একত্রিশ, আমি জানি

কেন কিন্তু ওর নগ্ন শরীরের দিকে তাকিয়ে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলাম। ঐ দৃশ্য আমার মনে এখনও স্পষ্ট। বিশ্বাস করতে পারছিলাম না আমি একটা তের বছরের মেয়ের শরীরের দিকে তাকিয়ে আছি, এখনও বিশ্বাস হয় না। ওর তুলনায় আমার যে শরীর ছিল তা দেখলে তুমি কেঁদে ফেলতে, বিশ্বাস করাে।”

আমার বলার কিছু ছিল না, বললামও না কিছু।

“কি সমস্যা তােমার? আমাকে বলল সে। তােমার তাে ভালােই লাগছিল, বলাে লাগছিল না? আমি জানতাম তােমার ভালাে লাগবে, প্রথম দিনে যখন দেখা হল তখনই বুঝেছিলাম। একজন পুরুষের সাথে মিলিত হবার চেয়ে তাে ভালাে, নাকি? দেখাে তুমি কতখানি উত্তেজিত, ভিজে গেছে। আমি তােমাকে আরও সুখ দিতে পারবাে, বিশ্বাস করাে। সত্যি বলছি তােমার মনে হবে শরীর যেন গলে যাচ্ছে। তুমি চাও আমি তা করি, চাও না?’ সে ঠিকই বলেছিল। তার সাথে এসব করা আমার স্বামীর সাথে করার চেয়ে অনেক ভালাে ছিল। আমি আসলে চাচ্ছিলাম সে আরও করুক! কিন্তু আমি তা হতে দিতে পারিনি, সপ্তাহে একবার করবাে খালি,’ সে বলল। ‘কেউ কখনাে জানবে না, আমাদের মধ্যেই গােপন থাকবে।” 

“কিন্তু আমি বিছানা থেকে নেমে শরীরে রােব জড়ালাম আর ওকে বললাম বেরিয়ে যেতে, আর কখনাে যেন না আসে। …….

…….সে রাতে আমার স্বামী আমাকে বিছানায় চাইলাে, আমার জন্য মুক্তির রাস্তা ছিল বলা যেতে পারে, আমি তাকে কিছুই জানাইনি-আমি পারিনি আসলে। আমি তাকে খালি বলছিলাম ধীরে করতে সব কিছু, অন্য সময়ের চেয়ে বেশি সময় নিয়ে করতে। আর সে তাই করেছিল। সে ক্ষুদ্র ব্যাপারগুলােতে মনােযােগ দিয়ে যত্নসহকারে সময় নিয়ে সব করেছিল। ঐ রাতে আমার যে রকমভাবে অরগাজম হয়েছিল আগে তা কখনাে হয়নি, আমার পুরাে বিবাহিত জীবনে নয়। তােমার কি মনে হয় কেন? কারন সেই মেয়ের আঙুলের স্পর্শ তখনও আমার শরীর ছিল, সেজন্যই।

“কী আর বলবাে, খুবই বিব্রতকর, খুবই লজ্জাজনক ছিল পুরাে ব্যাপারটা। দেখাে আমি ঘেমে গিয়েছি। আমি বিশ্বাস করতে পারছি না আমি তােমাকে এগুলাে বলছি, ‘আমার স্বামী আমাকে বিছানায় চাইলাে,’ ‘ওরকম অরগাজম কখনাে হয়নি’!” রেইকো ঠোট বাঁকিয়ে আবার হাসল। “কিন্তু কাজ হয়নি, দুতিনদিন পরেও তার স্পর্শ সেখানে ছিল। আর তার শেষ কথাগুলাে আমার মাথায় প্রতিধ্বনি তুলছিল।…….

…….নাওকো বই নিয়ে সােফায় বসে ছিল। পা ভাজ করে কপালের পাশে হাত রেখে বই পড়ছিল। তার আঙুল দেখে মনে হচ্ছিল প্রত্যেকটা শব্দ মাথায় ঢােকার আগে পরীক্ষা করা হচ্ছে। বৃষ্টির ফোঁটা বাড়ির চালে পড়ে শব্দ শুরু করল। ল্যাম্প লাইটের আলাে যেন নাওকোর চারপাশে হালকা ধুলাের মত ভাসছিল। রেইকোর সাথে অনেকক্ষণ কথা বলার পর নাওকো যৌবন যেন নতুনভাবে আমাকে ধাক্কা মারল।…….

…….আমি অন্ধকারে মাথা ঝাকালাম। আমার বুকে ওর ভরাট স্তনের চাপ টের পাচ্ছিলাম। ওর গাউনের উপর দিয়ে হাত বুলিয়ে ওর দেহের ভাঁজ বুঝতে পারছিলাম। কাধ থেকে নিতম্ব পর্যন্ত আমি বার বার হাত বুলালাম। ভাঁজ আর দেহের কোমলতা আমার মাথায় গেঁথে নিচ্ছিলাম। এরকম কিছুক্ষণ শান্তভাবে মিশে থেকে, নাওকো আমার কপালে চুমু খেয়ে বিছানা থেকে নেমে গেল। অন্ধকারে ওর ধূসর নীল গাউন যেন পানিতে মাছের মত ঝিলিক দিল।

“গুড বাই,” আস্তে করে বলল সে।……

……জট পাকিয়ে যাওয়া মাথা নিয়ে আমি কমিউটার ট্রেনে উঠে ডরমে ফেরত আসলাম। পর্দা নামিয়ে দিয়ে, লাইট নিভিয়ে দিয়ে আমি টানটান হয়ে বিছানায় শুয়ে পড়লাম, মনে হচ্ছিল যেন নাওকো যে কেলি মুহূর্তে হামাগুড়ি দিয়ে আমার কাছে চলে আসবে। চোখ বন্ধ করে আমি অনুভব করতে পারছিলাম আমার বুকে ওর স্তনের হালকা ঘর্ষণ, শুনতে পাচ্ছিলাম আমার কানে ওর ফিসফিস, আর অনুভব করছিলাম আমার হাতের ভেতর ওর শরীরের ভাঁজগুলাে। অন্ধকারে আমি ফিরে গিয়েছিলাম ওর ছােট্ট দুনিয়ায়। ঘাসভূমির গন্ধ নাকে আসছিল, সেই সাথে রাতে বৃষ্টির শব্দ। আমি তার নগ্ন শরীরের কথা চিন্তা করলাম, চাঁদের আলােয় যেরকম দেখেছিলাম। আর বার্ড হাউজ পরিস্কার করার দৃশ্য, হলুদ রেইন কোট পরে সজির পরিচর্যা করার দৃশ্য। উত্তেজিত অবস্থায় আমি নাওকোর কথা ভেবে মাস্টারবেট করলাম। এতে আমার মাথা পরিস্কার হল, কিন্তু ঘুমে কোন কাজ দিল না। আমি খুবই কাহিল ছিলাম, ঘুমের জন্য মারা যাচ্ছিলাম, কিন্তু ঘুম কোনভাবেই আসতে রাজি হল না।……

……“অপেক্ষা করতে সমস্যা নেই কিন্তু সব লােকজন আমার পায়ের দিকে তাকিয়ে আছে।”

“এরকম ছােট স্কার্ট পরে ছেলেদের ডরমে এসে আর কি আশা করাে? তারা তাে তাকাবেই তােমার দিকে।”

“আচ্ছা, সমস্যা নেই, আমি আজকে কিউট একটা প্যান্টি পরেছি-একদম গােলাপি আর লেইসওয়ালা।

“আরাে খারাপ করেছাে,” দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললাম আমি।……

……“আচ্ছা, বলাে তাে ওয়াতানাবে,” মিদোরি ভূমি বিল্ডিংগুলাের দিকে তাকিয়ে বলল, “এখানকার সব ছেলেই কি মাস্টারঘেট করে?”

“সম্ভবত করে,” বললাম তাকে।

“ঐ সময় কি ছেলেরা মেয়েদের কথা ভাবে?”

“তাই তাে মনে হয়। আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে মাস্টারবেট করার সময় কেউ স্টক মার্কেট, ক্রিয়াপদের কাঠামাে কিংবা সুয়েজ খাল নিয়ে চিন্তা করে কিনা। নাহ, আমি মােটামুটি নিশ্চিত সবাই মেয়েদের কথাই ভাবে।”

“সুয়েজ খালের কথা কেন বললে? কথার কথা আর কি।”

“তারমানে সবাই যার যার মত বিশেষ কোন মেয়ের কথা ভাবে?”……

…….“এসব ব্যাপার-স্যাপারে তুমি অনেক ভদ্র,” মিদোরি বলল “তােমার এই ব্যাপারটা আমি পছন্দ করি। তারপরেও তুমি আমাকে অল্পের জন্য হলেও কল্পনা করতে পারাে না? আমি তােমার সেক্সয়াল ফ্যান্টাসিতে কিংবা দিবাস্বপ্ন যাই বলাে না কেন, তাতে থাকতে চাই। তােমাকে বলছি কারন আমা বন্ধু। আর কাউকে আমি কিভাবে এসব বলবাে? আমি তাে আর হেঁটে যেছে যেতে কাউকে বলতে পারি না, তুমি যখন আজকে রাতে মাস্টারবেট করবে, আমাকে নিয়ে কল্পনা করবে, প্লিজ?’ তােমাকে বন্ধু ভাবি তাই তোমাকে অনুরােধ করছি। আর পরে আমাকে বলবে কিরকম ছিল ব্যাপারটা মানে, তুমি কি কি করলে এইসব আরকি।”

আমি দীর্ঘশ্বাস ফেললাম।

“তুমি কিন্তু ভেতরে ঢােকাতে পারবে না। কারন আমরা বন্ধু, তাই না? যতক্ষণ না তুমি ভেতরে ঢােকাচ্ছাে, তুমি যা খুশি করতে পারাে, যে কোন কিছু কল্পনা করতে পারাে।”

“আমি জানি না, আমি কখনাে এত নিয়মনীতির মধ্যে মাস্টারবেট করেছি কিনা,” বললাম তাকে।

“তুমি কি শুধু আমাকে নিয়ে কল্পনা করবে?” “ঠিক আছে, আমি তােমাকে কল্পনা করবাে।”

“ওয়াতানাবে, আমি চাই না তুমি আমাকে ভুল বােঝাে, আমি হতাশ কিংবা নিম্যানিক নই। তােমাকে উত্তেজিত করতেও চাইছি নয়। আমি আসলে এই ব্যাপারে শুধুই আগ্রহি। আমি এইসব সম্পর্কে জানতে চাই। তুমি জানাে আমি মেয়েদের স্কুলে বড় হয়েছি। আমি ছেলেদের সম্পর্কে জানতে চাই, তাদের শরীর কিভাবে কাজ করে বুঝতে চাই। মেয়েদের ম্যাগাজিন থেকে না, আসল কেসস্টাডি থেকে।”

“কেস স্টাডি?” আমি আর্তনাদ করে উঠলাম।

“আমি এসব সম্পর্কে যে জানতে চাই তা আমার বয়ফ্রেন্ড পছন্দ করে না। সে ক্ষেপে গিয়ে আমাকে নিম্ফো কিংবা অসুস্থ বলে গালি দেয়। সে এমনকি আমাকে ব্লোজব পর্যন্ত করতে দেয় না। এই আরেকটা জিনিস যা আমি জানার জন্য মারা যাচ্ছি।”

“তুমি কি ব্লোজব করাতে ঘৃণা করাে?” “না, একদমই না, মােটেই ঘৃণা করি না।” “তাহলে কি পছন্দ করাে?”

“হ্যাঁ, বলা যেতে পারে। কিন্তু আমরা কি এ নিয়ে পরে কখনাে কথা বলতে পারি? দেখাে, আজকে কি সুন্দর রবিবারের সকাল, আমি মৃস্টারবেশন আর ব্লোজব নিয়ে কথা বলে দিনটার বারােটা বাজাতে চাইছি না। এখন চল অন্য কিছু নিয়ে কথা বলি। তােমার বয়ফ্রেন্ড কি আমাদের ভার্সিটিতেই পড়ে?”

“অবশ্যই না। সে পড়ে আরেকটা ভার্সিটিতে আমাদের দেখা হয়েছিল হাই-স্কুলের ক্লাবের কাজের সময়। আমি ছিলাম মেয়েদের স্কুলে, সে ছিল ছেলেদের স্কুলে, তুমি জানাে এসব ব্যাপার কি করে ঘটে, একসাথে কনসার্ট আর হাবিজাবি। পাশ করে বের হওয়ার পর আমরা সিরিয়াস হই। আচ্ছা ওয়াতানাবে?”

“কি?”

“তুমি কিন্তু একবার ইয়েটা করবে, মানে আমাকে কল্পনা করবে ওই সময়। ঠিক আছে?”

“ঠিক আছে বাবা, পরেরবার চেষ্টা করবাে,” আমি বললাম।…..

……“সুতরাং তখন আমি বুঝতে পারলাম, এই লােকগুলাে আসলে ভন্ড। তাদের চিন্তা আসলে কী করে বড় বড় কথা বলে নতুন মেয়েদের পটানাে যায় আর তাদের স্কার্টের মধ্যে হাত ঢােকানাে যায়। যখন তারা সিনিয়র হয়ে যায় তখন চুল ছােট করে কেটে হেলতে দুলতে মিতসুবিসি কিংবা আইবিএম অথবা ফুজি ব্যাঙ্কে যায় চাকরি করতে। তারা সুন্দর মেয়ে দেখে বিয়ে করে যারা কখনাে মার্ক্স পড়েনি আর বাচ্চা-কাচ্চার বিচিত্র নাম রাখে যা শুনলে তােমার বমি এসে যাবে।

“আমার ধারনা সে একজন বিবাহিত মহিলা।” “তাই?”

“হ্যাঁ, তার বয়স বত্রিশ-তেত্রিশ হবে। সে সুন্দরি আর বড়লােক। সবসময় ওইসব দামি ফার কোট, চার্লস জর্ডান জুতা পরে, আর সিল্কের অন্তর্বাস। ওই মহিলা সেক্সের জন্য খুবই ক্ষুধার্ত থাকে, বিছানায় নােংরা জঘন্য জিনিসগুলাে করতে পছন্দ করে। তােমরা ছুটির দিন ছাড়া অন্যদিনগুলােতে বিকেলে দেখা করাে, যৌন ক্ষুধা মেটাও। ছুটির দিনে তার স্বামী বাসায় থাকে বলে দেখা করতে পারাে না। ঠিক বলেছি না?”

“খুবই ইন্টারেস্টিং।”

“সে চায় তুমি তার চোখ বেঁধে, হাত পা বেঁধে, সারা শরীরের প্রতিটা ইঞ্চি চেটে দাও। তারপর সে তােমাকে তার মধ্যে অদ্ভুত সব জিনিস ঢােকাতে বাধ্য। করে। সে কন্টরসনিস্টের মত বিভিন্ন ভঙ্গি করে আর তুমি পােলরয়েড ক্যামেরা দিয়ে তার ছবি তােলাে।”

“মজার ব্যাপার মনে হচ্ছে।”

“সে এসব করার জন্য সবসময় উন্মুখ হয়ে থাকে। যা যা কল্পনায় করা সম্ভব সব বাস্তবে করতে চায়। প্রতিদিন এসব নিয়ে ভাবে। তার অনেক অবসর সময় চিন্তা-ভাবনা করার জন্য। হুমম, এরপর ওয়াতানাবে আসলে আমরা এইটা করবাে, কিংবা ঐটা। তুমি বিছানায় উঠলেই তার মাথা খারাপ হয়ে যায়, সব পজিশন ট্রাই করে আর প্রত্যেকটায় অন্তত তিনবার করে অরগাজম হয়। তারপর সে তােমাকে বলে, ‘আমার শরীর খুব সেক্সি না? কচি মেয়েদের সাথে সেক্স করে তুমি আর মজা পাবে না। ওইসব কচি মেয়েরা তােমার জন্য এসব করবে? কি মজা না? কিন্তু তুমি তাে এখনাে কিছুই করলে না! ”

“আমার মনে হয় তুমি ইদানিং অনেক বেশি পর্নো মুভি দেখছাে, আমি হাসতে হাসতে বললাম।

“তােমার তাই মনে হয়? আমিও এই নিয়ে একটু চিন্তায় আছি। পর্নো মুভি দেখতে আমার অনেক ভালাে লাগে। আমাকে একদিন নিয়ে যাবে দেখাতে?”

“ঠিক আছে, আমি বললাম, “এরপর যেদিন তুমি (ফ্রি থাকো সেদিন যাবাে।”

“সত্যি? আমার তাে আর তর সইছে না। চল, একটা এসঅ্যান্ডএম’র শশাতে যাই। চাবুক টাবুক থাকে যেগুলােতে। মেয়েকে সবার সামনে ইয়ে করতে বাধ্য করে। আমার ওইগুলাে সবচেয়ে বেশি আলাে লাগে।”

“আমরা যাবাে সমস্যা নেই।” 

“তুমি জানো পর্নো শােগুলােতে আমার সবচেয়ে বেশি কি ভালাে লাগে?” “আমি কোন কিছু ভাবতেও পারছি না।”

“যখন কোন সেক্সের দৃশ্য শুরু হয়, সবাই একসাথে ঢােক গেলে। গপ করে একটা শব্দ হয়,” মিদোরি বলল। “ওই শব্দ শুনতে আমার খুব মজা লাগে! কি মিষ্টি শব্দ! গপ!”…..

…..“আর পর্নো মুভি দেখার কি হল?”

“আগে মুভি তারপর ড্রিঙ্ক। তারপর যত জঘন্য ব্যাপার আছে সবকিছু নিয়ে আমরা কথা বলবাে, ঠিক আছে?”

“আমি মােটেও জঘন্য ব্যাপার নিয়ে কথা বলি না,” প্রতিবাদ করে বললাম আমি। “ওটা তােমার কাজ।”

যাহােক, আমরা ওইসব নিয়ে কথা বলবাে আর প্লাস্টার করে বিছানায় যাবাে।”

“তারপর কি হবে তুমি ভালাে করেই জানাে,” আমি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললাম, “আমি করতে চাইবাে, অথচ তুমি দেবে না।”

সে হাসতে লাগল।……

…..খেটেছি, আমাদের একটু ছুটি দরকার। আমার বােন তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে ঘােরাঘুরি করতে চায়, তাই আমিও ভাবলাম আমারটাকে নিয়ে ঘােরাঘুরি করি আর পাগলের মত লাগাই,” মিদোরি মুখ চেপে কান চুলকাল। “উপস্, সরি।”

“সমস্যা নেই,” আমি বললাম, “তারপর? তুমি নারা গেলে?”

“হ্যাঁ, জায়গাটা আমার সবসময়ই ভালাে লেগেছে। মঠগুলাে, হরিণের পার্ক।”

“আর পাগলের মত সেক্স করলে?”

“না, একদমই না। একবারও না,” দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল সে। “যেই মুহূর্তে আমরা হােটেলে ঢুকে রুমে ব্যাগ রাখলাম, আমার পিরিয়ড শুরু হল। একদম বন্যার মত।”

আমি হাসি থামাতে পারলাম না।……

……“তাে, তুমি কি করছিলে,” জানতে চাইলাে সে।

“কিছুই না। সবসময় যা করি, তাকে বললাম, কিন্তু তারপরই আমার মনে পড়ল মিদোরিকে দেয়া কথামত তাকে কল্পনা করে মাস্টারবেট করার চেষ্টা করেছিলাম। ওকে নিচু গলায় বললাম সেটা যাতে আশেপাশে কেউ শুনতে না পায়।

মিদোরির চোখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল, আঙুল মটকাল শব্দ করে। “কেমন হল ব্যাপারটা? ভালাে ছিল?”

“নাহ, অর্ধেক গিয়ে বিরক্ত হয়ে গিয়েছিলাম। তারপর আর করিনি।” “মানে, বলতে চাও নেতিয়ে গিয়েছিল?” “একদম।”

“ধ্যাত, বিরক্ত হয়ে বলল সে। “নিজেকে বিরক্ত হতে দেয়া চলবে না। সেক্সি কিছু ভাবাে। যাও, তােমাকে অনুমতি দিলাম। আচ্ছা, এক কাজ করা যেতে পারে! পরেরবার আমি ফোনে কথা বলবো তােমার সাথে, “ওহ্ দারুন! অনেক ভালাে লাগছে…ওহ! বেশ লাগছে, থামাে! বেরিয়ে গেল আমার…ওহ! এরকম কোরাে না আমার সাথে!’ এরকম কথা বলবাে তােমার সাথে আর তুমি ওদিকে হাত চালিয়ে যাবে।”…….

……“বাদ দাও। আমি আরেকবার দেখি চেষ্টা করবাে আমার মত করে।” “নিজের সেরাটা চিন্তা কোরাে,” মিদোরি বলল। “ঠিক আছে।”

“আমার মনে হয় দোষটা আমার। আমি হয়তাে যথেষ্ট সেক্সি নই…শারীরিক দিক দিয়ে।”

“সেরকম কিছু না, ওকে আশ্বাস দিলাম, “পুরােটাই কল্পনার ব্যাপার।”

“তুমি জানাে,” সে বলল, “আমার পেছনটা অনেক স্পর্শকাতর। আঙুলের হালকা ছোঁয়া দিলে উমমম…”।

“মাথায় থাকল ব্যাপারটা।”

“আচ্ছা, আমরা এখন একটা পর্নো মুভি দেখতে যাই না কেন?” মিদোরি প্রস্তাব করল, “নােংরা, এস অ্যান্ড এম ধরনের একটা।”

আমরা বার থেকে একটা ইল শপে গেলাম। তারপর সেখান থেকে গেলাম সিকুর সবচেয়ে মন্দা চলা থিয়েটারগুলাের একটায় যেখানে এক টিকিটে তিনটা এডাল্ট মুভি চলে। একমাত্র জায়গা যেটা আমরা কোন খবরের কাগজে পেলাম সেখানে এস এন্ড এম জিনিসপত্র চলে। হলের ভেতর বলার অযােগ্য রকমের। বাজে গন্ধ। আমরা ঠিক সময়ে গিয়ে হাজির হয়েছিলাম। এস অ্যান্ড এম জিনিসপত্র মাত্র শুরু হয়েছে। কাহিনী হল, একজন সেক্রেটারি আর তার হাইস্কুলে পড়ুয়া বােনকে একদল লােক অপহরন করেছে, টর্চারের ভয় দেখানাে হচ্ছে। ছােট বােনকে রেপ করা হবে এই ভয় দেখিয়ে বড় বােনকে জঘন্য সব কাজ করতে বলা হচ্ছে। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই বড় বােনকে একজন মর্ষকামিতে পরিণত হতে দেখা গেল। ছােট বােনও এইসব কাজ কারবার দেখে উত্তেজিত হয়ে গেল। খুবই ফালতু আর একই জিনিস বার বার হচ্ছে, আমি কিছুক্ষনেই বিরক্ত হয়ে গেলাম।

“আমি ছােট বােনটা হলে এত সহজে পাগল হতাম না,” মিদোরি বলল। “আমি দেখে যেতে থাকতাম।”

“তাতে কোন সন্দেহ নেই,” বললাম তাকে,

“যাহােক, তোমার কি মনে হয় না একজন স্কুল পড়ুয়া মেয়ে হিসেবে তার নিপলগুলাে একটু বেশি কালাে? তাও আবার একজন ভার্জিন?”

“একদম ঠিক বলেছাে।”

মিদোরি স্ক্রিনের দিকে আঠার মত তাকিয়ে থাকল। আমি মুগ্ধ হয়ে গেলাম কাউকে এরকম মনােযােগের সাথে পর্নো মুভি দেখতে দেখে। টিকিটের টাকা উসুল । সে তার চিন্তা-ভাবনা আমার কাছে নিয়মিতভাবে পেশ করতে থাকল।

“বাপ রে, দেখাে কি জিনিস!” কিংবা “একসাথে তিনজন! মেয়েটাকে তাে ছিড়েই ফেলবে!” অথবা “আমি এরকম জিনিস কারাে সাথে করে দেখতে চাই, ওয়াতানাবে।” মুভির চেয়ে মিদোরিকে দেখেই বেশি মজা পাচ্ছিলাম আমি।

বিরতির সময় আলাে জ্বলে উঠলে আমি খেয়াল করলাম পুরাে হলে আর কোন মেয়ে নেই। একজন আমাদের কাছে বসে ছিল, সম্ভবত ছাত্র। মিদোরিকে দেখে সিট বদলে দূরে গিয়ে বসল।

“আচ্ছা, আমাকে বলাে তাে ওয়াতানাবে, এরকম জিনিস দেখলে কি তােমার ওটা দাঁড়িয়ে যায়?”

“হ্যাঁ, অবশ্যই, কখনাে কখনাে,” আমি বললাম, “এর জন্যই তাে এরা এসব মুভি বানায়।”

“তারমানে তুমি বলছাে, যখনই এরকম দৃশ্য শুরু হয়, হলে প্রত্যেকটা লােকের ওই জিনিস দাড়িয়ে যায়? ত্রিশ-চল্লিশ জনের সবার জিনিস একসাথে দাঁড়িয়ে আছে? ভাবলে খুবই আজব লাগে, তাই না?”

“তুমি বলার পর এখন সেরকম আজবই লাগছে।” দ্বিতীয় মুভিটা একটু সাধারণ ধরনের পর্নো কাহিনী। এর অর্থ হল আগেরটার চেয়েও বিরক্তিকর। প্রচুর ওরাল সেক্সের দৃশ্য। আর প্রতিবার তারা ফেলাসিও বা কানিলিঙ্গাস কিংবা সিক্সটি নাইন করতে গেলে ভয়াবহ সব চটচট শব্দ আর সাউন্ড এফেক্ট দিয়ে হল ফাটিয়ে দিচ্ছিল। এসব শুনে আমার মনে হচ্ছিল, এ কোন আজব গ্রহে এসে পড়লাম।

“এসব শব্দ কার মাথা থেকে আসে আমার কৌতূহল হচ্ছে,” মিদোরিকে বললাম আমি।

“আমার তাে দারুন লাগছে!” বলল সে।

যােনিতে লিঙ্গ ঢােকা আর বের হওয়ারও শব্দ আছে সেখানে। আমার কোন ধারনাই ছিল না এরকম কোন শব্দ বাস্তবে থাকতে পারে। লােকটা ভারি শ্বাস ফেলছিল, মেয়েটা ওইসব গতানুগতিক শব্দ করে যাচ্ছিল, “আহ্, খুব ভালাে লাগছে!” কিংবা “আরও! আরও!!” সেই সাথে মােচড় খাচ্ছিল। এমনকি খাট কাঁপার ক্যাচকেঁচ শব্দও হচ্ছিল। এই দৃশ্য চলতেই থাকল চলতেই থাকল। মিদোরি প্রথম দিকে মজা পাচ্ছিল। পরে মনে হল সেও বিরক্ত হয়ে গেল একই জিনিস দেখে। বলল, চল আমরা যাই।

“ভালােই মজা হল,” মিদোরি বলল, “পরে আরেকদিন আমরা আবার দেখবাে, কি বলাে।”

“আবার কি দেখার আছে? তারা তাে একই জিনিসই বার বার করে, আমি বললাম।

“এছাড়া আর কি করবে? আমরাও তাে একই জিনিস বার বার করি।” কথায় যুক্তি আছে।……

……রেইকো টুকিটাকি কিছু কাজের জন্য অ্যাপার্টমেন্টের বাইরে গেল যাতে নাওকো আর আমি একসাথে সময় কাটাতে পারি।

আমি ওর গলায়, কাঁধে, বুকে চুমু খেয়ে দিচ্ছিলাম, সে আগেরবারের মত তার হাত দিয়ে আমার উত্তেজনা প্রশমন করল। এরপর তাকে কোলে নিয়ে জড়িয়ে ধরে আমি বলেছিলাম, গত দুমাস কিভাবে তার স্পর্শ আমাকে সঙ্গ দিয়েছে, আর আমি কিভাবে তার কথা ভেবে মাস্টারবেট করেছি।

“তুমি কারাে সাথে শুতে যাওনি?” নাওকো প্রশ্ন করল। “একবারও না,” বললাম তাকে।

“আচ্ছা, তাহলে তােমার স্মৃতিতে আমি বিশেষ কিছু যােগ করতে চাই,” সে নিচে সরে গিয়ে আমার লিঙ্গতে ঠোট লাগাল। ঠোট আর জিহবার নড়াচড়ার সাথে তার লম্বা সােজা চুল আমার পেটের উপর গড়াগড়ি খেতে লাগল যতক্ষণ আমি দ্বিতীয়বারের মত বীর্যপাত করলাম। “তােমার কি মনে হয় তােমার স্মৃতিতে এটা থাকবে?” জানতে চাইলাে সে। “অবশ্যই,” আমি বললাম, “চাইলেও কখনাে ভুলতে পারবাে না।”

আমি তাকে শক্ত করে ধরে তার প্যান্টির মধ্যে হাত ঢুকালাম, কিন্তু সেখানটা শুকনাে হয়ে ছিল। নাওকো মাথা নাড়িয়ে আমার হাত বের করে আনল। আমরা একজন আরেকজনকে জড়িয়ে অনেকক্ষণ শুয়ে থাকলাম, কোন কথা বললাম না।…..

…….আমি ছাতা খুললাম, গেমসের জায়গাটার পেছনে গেলাম দুজনে। আমাদের শরীর একসাথে লেগে গেল, তারপর মিলিত হল ঠোটগুলাে। ওর জিন্সের জ্যাকেট আর চুল থেকে বৃষ্টির গন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। মেয়েদের শরীর এত নরম আর উষ্ণ কেন? আমি আমার বুকে ওর স্ফীত স্তনে চাপ টের পাচ্ছিলাম কাপড়ের উপর দিয়েই। কতদিন আমার কারাের সাথে শারীরিক সম্পর্ক হয়নি?……

……“হুম,” মনে হল সন্তুষ্ট সে। “আমাকে আবার বুকে জড়িয়ে ধরবে?”

ওর বিছানায় গেলাম, জড়াজড়ি করে শুয়ে থাকলাম আমরা। বৃষ্টি শুনতে শুনতে চুমু খেলাম। তারপর সবকিছু নিয়ে কথা বললাম আমরা। মহাবিশ্বর সৃষ্টি থেকে শুরু করে কে কতটা শক্ত, সিদ্ধ ডিম পছন্দ করি, সব।

“দুনিয়া অনেক বড়।”

“উঁচু পর্বত, গভীর সমুদ্র,” বলল মিদোরি। সে আমার বাথরােবের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে পুরুষাঙ্গ হাতে নিয়ে ঢােক গিলে বলল, “নাহ্ ওয়াতানাবে, ঠাট্টা বাদ, লাভ নেই এসব করে। আমি এই বিশাল শক্ত জিনিসটা কিছুতেই আমার ভেতর নিতে পারবাে না।”

“মজা করছাে?” দীর্ঘশ্বাস ফেললাম আমি।

“হ্যাঁ,” খিলখিল করে হাসল সে। “চিন্তা কোরাে না, একদম ঠিক আছে। আমি একবার দেখি? রাগ করবে না তাে?”

“যত খুশি দেখতে পারাে।” মিদোরি বাথরােবের নিচে মাথা ঢুকিয়ে দিল। হাতে নিয়ে মেপে দেখল ওটা। তারপর মাথা বের করে আমাকে বলল, “দারুন, আমার পছন্দ হয়েছে! বাড়িয়ে বলছি না, সত্যি চমৎকার।”

“ধন্যবাদ,” বললাম তাকে।

“কিন্তু আসলেই ওয়াতানাবে, তােমার সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তুমি আমার সাথে সেক্স করতে চাও না। নাকি চাও?”

“তােমার সাথে সেক্স করতে চাই না তা নয়,” বললাম আমি, “আসলে পাগল হয়ে আছি সেক্সের জন্য। কিন্তু সেটা করা ঠিক হবে না এখন।”

“তুমি খুব জেদি। তােমার জায়গায় আমি হলে আগে করতাম পরে ভাবতাম কী হবে না হবে।”

“তুমি এরকম করতে?” “নাহ, চাপা মারলাম,” আস্তে করে বলল মিদোরি। “আমিও হয়ত করতাম । তােমার এসব আমি ভালােবাসি।” | “কতটুকু ভালােবাস তুমি আমাকে?” জানতে চাইলাম আমি। সে কোন উত্তর না দিয়ে আমার উপর চেপে আসল। আমার বুকে চুমু খেতে লাগল অবিরাম। হাত দিয়ে আমার লিঙ্গ ধরে নাড়াতে লাগল। প্রথম এ পার্থক্য আমার মাথায় আসল, তা হল ওর আর নাওকোর নাড়ানাের মধ্যে পার্থক্য আছে। দুজনেই শান্ত আর সুন্দরভাবে করেছে কিন্তু তারপরেও থােয় যেন একটা পার্থক্য ঠিকই টের পাচ্ছি। দু-জনের কাছে অভিজ্ঞতা দু-রকমের।…….

……“আমার বুক ছুঁয়ে দেখতে চাও? অথবা নিচে…ওখানে?” মিদোরি বলল।

“কি বললে এটা! অবশ্যই চাই, কিন্তু ঠিক হবে না। সব কিছু একসাথে করলে আমার জন্য একবারে বেশি বেশি হয়ে যাবে।”

মিদোরি মাথা ঝাকাল, প্যান্টি খুলে আমার লিঙ্গর মাথাটা ধরলাে। “তুমি এর উপর বীর্য ফেলতে পারাে,” বলল সে।

“কিন্তু তাহলে জিনিসটা নষ্ট হয়ে যাবে তাে।”

“তুমি থামবে দয়া করে? আমি কিন্তু কেঁদে ফেলবাে,” মিদোরি এমনভাবে বলল যেন এখনই কেঁদে ফেলবে। “আমাকে স্রেফ ধুতে হবে। নিজেকে ধরে রেখাে না, করে ফেললা । বেশি চিন্তা হলে আমাকে একসেট নতুন প্যন্টি কিনে দিও। নাকি আমার প্যান্টি বলে তােমার করতে সমস্যা হচ্ছে?”

“মােটেও না,” আমি বললাম।

“ঠিক আছে তাহলে এখানে ফেলাে, ছেড়ে দাও নিজেকে, খালি করে দাও তােমার সঞ্চয়।”

শেষ হওয়ার পর মিদেরি আমার বীর্য মনােযােগ দিয়ে দেখতে লাগল। “বাপরে! অনেক তাে!”

“বেশি নাকি?”

“আরে নাহ, ঠিকই আছে, বােকা ছেলে,” হেসে বলল সে, তারপর আমাকে চুমু খেল।……

……শেষ আরেকটা করা যাক,” বলল সে। একান্নতমটা বাজাল তার প্রিয় বাখের একটা মিউজিক। শেষ হলে ফিসফিস করে বলল, “আচ্ছা ওয়াতানাবে, আমরা সেক্স করলে কেমন হবে ব্যাপারটা?”

“আশ্চর্য,” আমি বললাম, “আমিও একই কথা ভাবছিলাম।”

আমরা ভেতরে গিয়ে পর্দা টেনে দিলাম। অন্ধকার রুমে আমরা একজন আরেকজনের শরীর স্পর্শ করতে লাগলাম যেন এরচেয়ে সাধারণ কাজ এই দুনিয়াতে আর কিছু নেই। আমি ওর ব্লাউজ আর শাক্স খুলে ফেললাম, খুলে নিলাম ওর অন্তর্বাস।

“আমার জীবনটা কী অদ্ভুত, রেইকো বলল, “কখনাে ভাবিনি আমার চেয়ে উনিশ বছরের ছােট কোন যুবক একদিন আমার প্যান্টি খুলবে।”

“তুমি কি নিজে খুলতে চাও?” “না না, তুমিই খােলাে। চামড়ার ভাজ দেখে ধাক্কা খেও না কিন্তু।” “তােমার ভাঁজ আমার ভালাে লাগে।” “তুমি আমাকে কাঁদিয়ে ছাড়বে মনে হচ্ছে, ফিসফিস করে বলল সে।

আমি ওর সারা শরীরে চুমু খেলাম। ভাঁজ পড়া অংশগুলােতে জিহ্বা দিয়ে অত্যন্ত যত্নের সাথে আদর কলাম তাকে। তার স্তন বাচ্চা মেয়েদের মত, সেগুলােতে চুমু খেয়ে আলতাে করে কামড় দিলাম আমি। তার যােনির ভাঁজে আঙুল ঢুকিয়ে আলতাে করে নাড়াতে লাগলাম। | “ভুল জায়গায় হাত চালাচ্ছাে, ওয়াতানাবে, আমার কানে ফিসফিস করে বলল সে। “ওটা আরেকটা ভাঁজ।”

“আমি বিশ্বাস করতে পারছি না এরকম সময়েও তুমি ফাজলামি করছাে!”

“দুঃখিত,” সে বলল, “আমি আসলে ভয় পাচ্ছি। অনেক বছর এসব করিনি | তাে…নিজেকে সতের বছরের যুবতি মনে হচ্ছে। একজন লােকের সাথে দেখা করতে গেলাম হঠাৎ দেখি আমি নগ্ন দাঁড়িয়ে আছি।”

“সত্যি বলতে কি, আমারাে মনে হচ্ছে সতের বছরের কোন যুবতিকে নষ্ট করছি।”

তার ভাজ’-এর মধ্যে আঙুল ঢুকিয়ে অন্য হাত দিয়ে তার নিপল ধরে গলা আর কানের মাঝে চুমু খেতে লাগলাম। ওর নিঃশ্বাস আরাে ঘন হয়ে আসল, কাঁপতে লাগল গলা। আমি ওর লম্বা সুন্দর পা-দুটো ফাঁক করে ওর ভেতরে আমার পুরুষাঙ্গ ঢােকালাম।

“তুমি নিশ্চয়ই আমাকে গর্ভবতি করে দিতে চাইছে না?” সে আমার কানে কানে বলল। “আমি খুবই লজ্জায় পড়বাে যদি এই বয়সে মা হই। ব্যবস্থা | নিয়েছাে তাে?”

“এ নিয়ে চিন্তা কোরাে না,” বললাম তাকে, “রিলাক্সড থাকো।”

আমি যখন পুরােপুরি ওর ভেতরে সে কাঁপতে কাঁপতে দীর্ঘশ্বাস ফেলল। ওর পিঠ আঁকড়ে ধরে আমি ওর ভেতরে ঢুকছিলাম তখন হঠাৎ আমাকে অপ্রস্তুত করে অরগাজম হয়ে গেল। থামার কোন সুযােগই পেলাম না। থাবা দিয়ে ওকে সরিয়ে দিলাম।

“আমি দুঃখিত,” বললাম তাকে, “নিজেকে থামাতে পারিনি।”

“বােকার মত কথা বােলাে না,” রেইকো আলতাে করে আমার নিতম্বে চাপড় দিয়ে বলল। “তােমার এ নিয়ে ভাবতে হবে না। অন্য মেয়েদের সাথে করার সময় কি তােমার এসব মনে থাকে?”

“হাঁ, থাকে।”

যাহােক, আমাকে নিয়ে ভাবতে হবে না। ভুলে যাও। যা করেছে ভালাে করেছাে। ভালাে লাগছে করে?”

“অসাধারন। সেজন্যই নিজেকে সামলাতে পারিনি।” “সামলানাের কিছু ছিল না, ঠিকই আছে। আমারও অসাধারন লেগেছে।” “তুমি কি জানাে, রেইকো,” বললাম আমি । “কি?”

“আমার মনে হয়, তােমার আবার একজন প্রেমিক খুঁজে নেয়া উচিত। তুমি অসাধারন। নিজের সম্ভাবনাকে অপচয় করছে।”

“ঠিক আছে, আমি ভেবে দেখবাে,” বলল সে। “আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে আসাহিকাওয়াতে লােকজন আদৌ প্রেম করে কিনা।” ।

কিছুক্ষণ পর আমি আবার উত্তেজিত হয়ে গেলাম । রেইকো দম বন্ধ করে আমার নিচে চাপা পড়া তার দেহটা মােচড়াতে লাগলো। তাকে জড়িয়ে আস্তে আস্তে নড়াচড়া করতে থাকলাম আর কথা বলতে লাগলাম। সে অবস্থায় কথা বলতে দারুন লাগছিল। আমি হাসির কিছু বললে সে হেসে উঠছিল, আর ওর কাঁপুনি আমার লিঙ্গতে টের পাচ্ছিলাম। আমরা সেভাবে একজন আরেকজনকে অনেকক্ষণ জড়িয়ে ধরে থাকলাম।

“অসাধারন অনুভূতি,” রেইকো বলল। “নড়াচড়া করতেও খারাপ লাগছিল না,” বললাম তাকে। “তাহলে চালিয়ে যাও, আরেকবার করে দেখা যাক।” আমি ওর পা তুলে যতদূর সম্ভব ভেতরে ঢুকলাম, তারপর বৃত্তের মত করে।

ঘুরিয়ে নাড়ালাম, পুরােপুরি উপভােগ করে ছাড়িয়ে নিলাম নিজেকে।

সে রাতে আমরা মােট চারবার মিলিত হয়েছিলাম। প্রতিবার শেষে আমার বুকে শুয়ে থেকে কাপছিল রেইকো আর চোখ বন্ধ করে লম্বা লম্বা দীর্ঘশ্বাস ফেলছিল।

“আমার আর এসব বাকি জীবন না করলেও হবে,” রেইকো বলল। “দয়া করে আমাকে বলাে ওয়াতানাবে, এসব সত্যি সত্যি ঘটছে। আমাকে বললাে, এক জীবনের জন্য যথেষ্ট সেক্স করেছি আমি।

“কেউ তা বলতে পারে না,” আমি বললাম, “কারাের জানার কোন উপায় নেই এটা।”………….

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *