সাগর সহেলীর ফাঁস – নিক কার্টার

›› অনুবাদ  ›› ১৮+  

অনুবাদঃ প্রফুল্ল কুমার পাত্র

…..জিনার পরনে আধুনিক পােষাক। নীল জিনসের জ্যাকেট আর ট্রাউজার সে তার কোমল তনুবাহারে পড়েছে পুরুষােলী গাম্ভীর্য। তবুও উম্মাদ দুটি অসভ্য বুকের চড়া প্রচণ্ড বিদ্রোহে ফেটে পড়তে চাইছে।…..

…..নিককে দেখে একটু চঞ্চল হল জিনা। হাত তুলে দিল, তার হাতে উড়ছে কারুকাজ করা রুমাল। কতো দিন বাদে সে আবার নিককে পেতে চলেছে। এখন কটি দিন কাটবে উদ্দাম অভিসারে সে জানে নিক আসে উলকার মতো, সব কিছু ভাসিয়ে দিয়ে চলে যায় কিন্তু দেহের প্রতিটি কোণে রেখে যায় তার মতি। শরীর নিয়ে তার মতাে এত ভালাে খেলতে আর ক’জন পারে ? নিককে অনায়াসে সে বলতে পারে শরীরের খেলার পাকা খেলােয়াড়। যে কোন রমণীকে আদর দিতে দিতে শঙ্গারের শেষতম বিন্দুতে উপনীত করতে তার জুড়ি নেই। এ ব্যাপারে সে অনন্য।…..

…..অবশেষে যেন একটু আবেশ এসেছে ওদের দেহে। ওরা ঝিমিয়ে পড়তে চাইছে বুঝি। জিনার পরনে রাতপােষাক আগের সেই আটো সাঁটো ভাব আর নেই, তার পরিবর্তে এখন এসেছে শিথিল ভঙ্গিমা। যেন আত্মসমর্পনের আগে সে নিজেকে তৈরী করে নিচ্ছে। নিক জানে এবার তাকে কি করতে হবে। জীবনে এই প্রথম তাে নয়, এখন প্রায় প্রতিটি রাতেই সে কোন কোন তনয়াকে আনন্দ দেয়। …..জিনাকে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে ধরল। নিজের দেহের সঙ্গে তাকে একেবারে মিশিয়ে দিল। তারপর তার পাতলা দুটি ঠোটে দিল অনুরাগের চুম্বন। দুটি উম্মুখে ঠোট ধেয়ে আসে, নিক দেহের সবটুকু সফল যেন ঢেলে দিতে চায়। শরীরের ভেতর হতে নেমে আসে শিহরণ। ওরা বুঝতে পারে ডাক দিচ্ছে আদিম আবিলতা। ওরা রক্তের মধ্যে দরগত ধনির দ্যোতনা শুনতে পেল। চরমতমমুহুর্ত এখনাে অনেক দুর হলেও সেটা এগিয়ে আসবে। প্রতি রাতের চেনা খেলা হলেও কখনাে পুরােনাে হয় না। মনে হয় যেন এটি নতুন, প্রতি বারে নতুন ভাবেই শুরু হয়। আবার শেষ হলে সেই পুরোনাে অবসাদ। তবতার আকর্ষনকে উপেক্ষা করা যায় না। জিনা জিনস্ খুলতে থাকে। বুকের খাঁজ স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। কমলা রঙের শরীর থেকে যেন ঝরে পড়ছে আবেদনের সহস্ৰ জোনাকী।

নিক এল তার বুকের ওপর। তাকে বিছানাতে শুইয়ে দিল। উদাম দংশন এখানে ওখানে নক্ষত্রের মত ঝরছে। শব্দ নেই, জানলা দিয়ে রাতের বাতাস ঢুকছে। পদ দলে ওঠে, সাদা ঘরে এখন শুরু হল শরীরের পুরােনাে খেলা। নিক আর জিনা কখনাে পাশাপাশি, কখনাে কাত হয়ে পরস্পরকে দিল আমন্ত্রণ। মনে হচ্ছে বুঝি ওর সব আনন্দ আজ রাতেই গ্রহণ করবে।
অনেকক্ষণ বাদে নেমে আসে চরমতম ক্ষণটি। ওদের দুটো শরীর কয়েকবার কেপে কেপে ওঠে। তারপর স্থির হয়ে যায়। রাত ক্রমশঃ যুবতী হল। জানলা দিয়ে ঢুকছে বাতাস। ওরা পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে আবেগে শুয়ে রইল।

ওরা কেউ জানে না যে এখন কোথায় আছে। জানে না কটা বাজে। ওয়া জানে শরীরের আর এক জীবন। নিজেকে দেখে জিনা কি একটু লজ্জা পেল ? তার নিরাবরণ দেহের কোথাও এতটুকু আছাদন নেই। সম্পণ উলঙ্গ হয়ে শুয়ে আছে একলা।…..

…..তারপর আর একটু হেসে, একটু নীচু হয়ে ভরাট দুটি বুকের লােভনীয় উপত্যকার কিছুটা চকিতে দেখিয়ে বলে—দেখাে, লিন্দা কি আমার চেয়েও সুন্দরী? ফু, আমার মনেই হয় না যে আর কেউ তােমাকে এত আনন্দ দিতে পারবে।….এই সমস্ত বােকা বােকা সংলাপ শােনবার সময় নিকের হাসি পায়। তার মনে হয় মেয়েগুলো যেন মাংসের স্তুপ। আর কিছু বােঝে না। জানে শুধ, আমত্যু সহবাস।…..

…..জিনাকে দেখতে পেল। নিরাবরণ না হলেও স্বল্পবাসে সজ্জিতা। তার দেহ থেকে জল ঝরছে না কিন্তু সারা দেহে মাখানাে আছে সতেজ তময়তা। জিনা মিষ্টি করে হাসল। তােয়ালে দিয়ে ঢাকা দুটি কোমল কবুর। ঠিক মারাত্মক খালের ওপরে তােয়ালের সীমান্ত। তার আগে এই মেয়ে ইচ্ছে করেই হতে পারে সর্বনাশিনী। ….অনেকক্ষণ বাদে জল স্নান শেষ করলো । ভিজে দেহে ভিলাতে যাচেছ। হাতে হাত ধরা, সপসপে দেহ থেকে জল পড়ছে। অন্তবাসবিহীন দুটি উত্তঙ্গ বুক প্রথম লজ্জা শব্দটা ভুলতে বসেছে। জিনাকে বেশ গুপ্তা বলে মনে হচেছ। এখন আবার চলবে তার শরীর খেলা।…..

….. জিনা চোখ মেলছে। তার ফিনফিনে পাতলা রাত পোষাক ভেদ করে তার শরীরের সমস্ত কামনা ফুটে উঠেছে। সে যেন শরীর সম্পর্কে সচেতন হয় নি। ঈশ্বরের হাত থেকে ঝরে পড়া আশীবাদের মতো সে পেয়েছে ঐ শারীরিক অহংকার।….

……মেয়েটি তখন নগ্ন অবস্থায় কোণঠাসা হয়ে দাড়িয়েছিল। তাতার এক পাশে দাঁড়িয়েছিল, তার হাতে মেয়েটির পােশাকের টুকরো অংশ।  মেয়েটির দেহ থেকে হ্যারল্ড তার পােশাকগুলাে ছিড়ে ফেলায় সময়ই ভয়ঙ্কর সেই আর্তনাদটা তার গলা ফেটে বেরিয়ে এসেছিল। তাতায়ের বিরাট দেহের আয়তন সারা টেলিভিশন জুড়ে ভেসে উঠেছিল। হ্যারল্ড মেয়েটির দিকে এগিয়ে গেল। জুডাস লক্ষ্য করল, মেয়েটির শরীর খুব ছােট। কিন্তু ঠাসা দেহের গড়ন, ভরাট বুক এবং ছােট পেটটা নিটোল গোল। তার পা দুটো কিন্তু যথেষ্ট যৌবন-সুলভ এবং আকর্ষণীয় রসুন।

মেয়েটির কাছে গিয়ে হ্যারল্ড পট করে বলল, তাতার, তুমি এখন বাইরে গিয়ে অপেক্ষা কর। দৈত্যের চেহারা নিয়ে তাতার ক্ষুধাত লােলপ দৃষ্টিতে মেয়েটির নগ্ন দেহের দিকে তাকিয়েছিল তখনও।…..শােন সুন্দরী, আমাকে তুমি পছন্দ কর, তােমাকে আমার উপভােগ করতে দাও, সে বলল,-এ অনেক ভাল ঐ মঙ্গোলীয় পশুকে সঙ্গ দেওয়ার চেয়ে। তুমি আমার ওপর সদয় হও, তাহলে আমি দেখুন, যেন তোমার কাছে থেকে দরে সরে থাকে।….হ্যারল্ড তার বুকের গভীরে চুমু খেল এখন সে তার সারা দেহের উপর ঠোট বােলাতে থাকল। মেরেষ্টির আগে বহু পুরুষদের যেমন ভাল বেসেছে তেমনি সমান ভাবে তাদের অবহেলা করেছে। কিন্তু তার ক্ষেত্রে অতি আন্তরিক ভাবে সে তার দু বাহু প্রসারিত করে তাকে আহান করল এবং তাকে তার পথে চলতে দেওয়ার সংযােগ করে দিল।

টেলিভিশণের পদায় একমাত্র জুডাসই মেয়েটি কি করছিল তা দেখতে পাচ্ছিল। ওদিকে হ্যায় তখন তার বুকের দুটি সুউচ্চ চড়ার মাঝে মুখ গুজে দিয়েছিল পরম-তৃপ্তিতে। মেয়েটির পক্ষে এটা অত্যন্ত খারাপ, জুডাস অনুভব করল। সাধারণভাবে অনতিপ্রবণ হওয়ার চেয়ে সে আরাে বেশী কিছু যেন। মেয়েদের ভয় দেখিয়ে বাধ্য করাতে চায় সে এবং তারপর সাড়া দেয় প্রকৃত ভয় পেয়ে কিংবা আবেগে আগ্নেয়গিরির মত সবেগে বিদীর্ণ হয়ে ।
হ্যারড যখন তাকে কম্বলের নীচে টেনে নিল এক মুহুর্তের জন্যে কি যেন ভাবল সে, কিন্তু সে সেটার ভুল অর্থ করল। হ্যারল্ড তার দেহটা মেয়েটির নগ্ন দেহের সামনে গড়িয়ে দিতেই সে চোখ বুজে ফেলল, আসন্ন মিলনের প্রতিষেধক কোন পন্থাই অবলম্বন করল না মেয়েটি, কারণ সে ভাবল, এই পুরুষত্বহীন মানুষটা তার কোন ক্ষতি করতে পরেবে না।…..

….তাতারকে সে ডেকে পাঠাল। তাতার ঘরে প্রবেশ করতেই হ্যারল্ড বলল, তাতার, তুমি একে নীচের তলায় নিয়ে যেতে পার। কিন্তু তার আগে এখানে কিছুক্ষণ সময় তুমি ওর সঙ্গে খেলতে পার, কেবল পার, কেবল একটু সময়ের জন্য।
তাছাড়া যেমন তাদের খেলনার পুতুল কোলে তুলে নেয় ঠিক সেই ভাবেই তাতার মেয়েটিকে দু হাত দিয়ে তুলে নিয়ে গিয়ে সামনে সেই টি ডাইনিং টেবিলের উপরে তাকে শুইয়ে দিল। তার ক্ষত দষ্টি মেয়েটির নগ্ন দেহ জরীপ করতে ব্যস্ত তখন। সময় বেশী নেই। যে শরু করতে হবে এবার।

আপনি আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তাতারের হাতে আমায় তুলে দেবেন । মেয়েটি করুণ চোখে তাকাল হ্যান্ডের দিকে। শেষ পর্বের কাজটা তাতার সম্পন্ন করবে যেটা তুমি বলছিলে আমি তােমার জন্যে করতে পারিনি। হ্যারল্ড ঠিক জায়গায় ইঙ্গিত করল,হাজার হক তুমি অনেক কষ্ট করেছ, তাই তাে প্রিয়া, আমি তােমাকে অখুশি রাখতে চাই না।
দৈত্য সমান মঙ্গোলিয়ান লােকটা মেয়েটির পা দুটোর মাঝে, যথেষ্ট ব্যবধান রেখে ঝুলিয়ে দিল। টেবিলের ধার ঘেষেই সে দাঁড়িয়েছিল। পােষাকম তার দেহের নিন্মাঙ্গ। মেয়েটির পা দুটো ইংরেজি ভি আকারে লবায়িত। তাতার এবার আরো ঘনিষ্ঠ হল, জান্তব ক্ষুধা নিয়ে এল। পশুর শক্তি নিয়ে তাতার তার ওপর অত্যাচার চালিয়ে যেতে থাকল, বারবার। যন্ত্রণায় মেয়েটি ছটফট করছে। শেষে আর সহ্য করতে না পেরে মেয়েটি খিস্তি করতেই হ্যারল্ড তাকে ডেকে নিল। ঠিক আছে তাতার এখনকার পক্ষে এটাই যথেষ্ট। হ্যারল্ড বলল। তারপর সে তার হাতের চাবুকটা শন্যে দোলাল। পরিতৃপ্ত হয়ে মঙ্গল মেয়েটির বুকের উপর থেকে নেমে এলাে। তারপর মেয়েটিকে সে তার বিরাট বিরাট হাতের মধ্যে তুলে নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল হ্যান্ডের নির্দেশে।…..

…..যাত্রীবাহী বিমানে প্রচণ্ড ভীড়। দ্বীপপুঞ্জে ছুটি উপভােগ করতে চলেছে সবাই যে যার আত্মীয়-সজনের কাছে। নিক দেখল তার আসনের পাশে একটি মেয়ে আগে থেকেই বসেছিল, তার কোমর বেল্ট লাগানাে, যুবতী, মাথাভতি বাদামী রঙের চুল, আপেলের মত লাল টকটকে গাল। কমলালেবু রঙের জ্যাকেটের আড়ালে নিটোল গোল দুটি স্তন।….

…..বেটি লাও হঠাৎ নিকের একটা হাত গভীর অনুরাগে টেনে নিয়ে তার বুকের উপর রাখল। অসম্ভব নরম বুক। উত্তেজিত হতে সে নিজেকে আরও বেশী উত্তেজিত করার জন্য নিকের হাতটা তার পশম নরম গুণের উপর চেপে ধরল।…..

…..তারপর একটু সময়ের জন্যে নিকের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সে ঘরের দরজা বন্ধ করে আবার ফিরে এলে একটুক্ষণ কি ভেবে গা থেকে কমলালেবু রঙের জ্যাকেটটা খুলে চেয়ারের উপর ইংড়ে ফেলে দিল। এক মুহূর্তের মধ্যে ব্লাউজ এবং স্কাটটাও খুলে ফেলল সে তার দেহ থেকে। তারপর সব শেষে ব্রা। এখন তার দেহে সামান্য সততা বলতেও কিছু নেই। নিরাবরণ দেহ তারও দেহের কোথাও নিয়ন্ত্রণ নেই এবং মনেরও, কোন আবেগ নেই,……কিন্তু তার সরলতায় যেন একটা আলাদা উত্তেজনা ছিল, একটা আলাদা আকর্ষণ ছিল, যা কাছে টানতে বাধ্য করায়, আবেশে (তবেগময় হয়ে যেতে হয় । নিক তার কাছে গিয়ে দাঁড়াল। বেটি তাকে দৃঢ় অঙ্গনে আবদ্ধ করল। ঠিক এই রকমটিই চাইছিল নিক। নিকের মুখের ওপর তার মুখ, তার বুকে দুটি স্তনের উষ্ণ নিপীড়ন। নিক মগ্ধ চোখে দেখছিল দুধ নরম দেহটা তার। নিক চুমু দিয়ে তার দেহ পরিক্রমা শুরু করলে উত্তেজিত হয়ে উঠল সে। হাত-পা ওপর নিচ করে সে তার মুখের জানান দিতে থাকল।……তাহলে এখন এসব খেলা বন্ধ কর এবং তোমার ঐ পাতলা দুটি ঠেটি অন্য কোনাে ভাবে ব্যবহার কর। নিক তার পানে তাকিয়ে কি যেন ইঙ্গিত করে হাসল। নিক তাকে উত্তর দেবার সময় দিল না। সে তাকে আরাে কাছে টেনে নিল। সে তার বুকের ওপর আঙুল ঘষতে থাকল।

নিক বেশ বুঝতে পারল, তার হাতের স্পর্শ পেয়ে উত্তেজিত হয়ে উঠল আস্তে আস্তে। পশম-নরম পূরুস্টু বুক। স্পর্শে মাতাল হয়ে যেতে হয়। তার সারা দেহে বসন্তের সমাগম। কিন্তু তার অভিজ্ঞতা কম, একেবারে নেই বললেই চলে। অক্ষত যৌবনা। বেটির আলিঙ্গন আরাে দৃঢ় হলাে। তার দেহ তখন অসম্ভব উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল, কামনা উপচে উঠছিল। বুঝি তার মনের ইচেছটা বিস্ফারিত হয়ে যাচ্ছিল।

তার দেহটা কেপে কেপে উঠছিল, মােচড় দিয়ে উঠছিল। নিক তাকে সত্যিকারের আদর করার আগেই তার কোমরটা উপর নীচে দলে দলে উঠছিল। চরম সেহোগের পরশ রাখতে নিক যখন বসে পড়ল তার দুপায়ের মাঝখানে, বেটির কণ্ঠ দিয়ে হিস হিস শব্দ বেরিয়ে এলো কেবল, তারপর দেহটা এলিয়ে দিলাে নিকের কাছ থেকে চরম সুখপ্রাপ্তির আশায়। আর সেই কামনা জর্জরিত দেহটা তছনছ করতে থাকল নিক।

হয়ত বা একটু ক্লান্তিতে এক সময় নিক একটু গুমতেই বেটি বলে উঠল, থেমো না, কখনাে থেমাে না তুমি। নিক তাকে তার হাত দুটি নিজের কাধের নীচে চালান করে দিয়ে তাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরতে বলল। এবং ততােধিক শক্ত করে নিক তাকে তার বুকের সঙ্গে কোমরের সঙ্গে কোমর মিশিয়ে দিয়ে সম্পণ প্রবেশ করলে পর তাদের কামনা বাসনা এক সঙ্গে একই সময়ে গলে জল হয়ে গেল।

সেই সময় বেটি হঠাৎ আনন্দে চীৎকার ধনি দিয়ে উঠে। শরীরে যেন প্লাবন বয়ে গেল অনেক কাপনির পর শরীর শান্ত হল। তারপর নিকের পাশে যখন সে শুলাে তখন তার বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। তখন সে লতার মত নিককে জড়িয়ে ধরেছে একটা পা তার দেহের উপর শক্ত করে চেপে ধরে।…..

…..ডঃ ফ্রেশার আবার নিজের থেকেই কথা বলল। তার কথা বলার ধরন শান্ত এবং মার্জিত। তার পরনের আলগা ব্লাউজ গোপনীয়তা আরাে বেশী করে প্রকাশ করে দিচ্ছিল যেন। সেটা নিককে বিস্ময়ে অভিহত করে তুলল।…..

…..কেবিনে ঢুকে নিক দেখল, ডঃ ফ্রেশার তার পােশাক পরিবর্তন করেছে। গাঢ় নীল রাঙর স্কাট, সেই সঙ্গে হালকা নীল রঙের স্লীভলেস ব্লাউজ। এখন তার বুকটা খুব আটসাট দেখাচ্ছিল শ্লীভলেস ব্লাউজের নীচে। এখন সে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে তার স্তনযুগল! নরম, নিটোল গােল। পুরুস্ট, পূর্ণ যুবতীর যে রকমটি হওয়া উচিত ঠিক সেই রকম। একটি টেবিলের সামনে মাইক্রোস্কোপের উপর ঝকে দাঁড়িয়েছিল ডঃ ফ্রেশার।…..

……নিক মুগধ হয়ে তার পানে তাকিয়ে রইল। সে বেশ বুঝতে পারছিল যে, মেয়েটি তাকে লক্ষ, করছিল। নিক তার অশান্ত চোখ দুটিকে মেয়েটির থাইয়ের উপর লুকোচুরি খেলা খেলতে দিল। তারপর সেখান থেকে তার নাভীদেশে, যেখানে কাটটা খুব শক্ত করে বাঁধা ছিল। এখানে এসে তার চোখ স্থির হয়ে গেল।…..

……ড্যানিয়েলের পা দুটোর ভর করে ঝুকেছিল নিক, নিকের মুখের চাপ পড়ছিল তার মাংসল থাই দুটোর ওপর। সেই ভাবেই হাত বাড়িয়ে রডটা পুশ করল এবং রডটাকে তার নিদিষ্ট পথে আনার চেষ্টা করল। তার খুব কষ্ট হচ্ছিল ওভাবে কাজ করতে। তবে ড্যানিয়েলের পুশ তাকে বাড়তি প্রেরণ দিচ্ছিল, কাজের উৎসাহ যোগাচ্ছিল, কাজ করতে গিয়ে তার মাথাটা আরো শক্ত হয়ে বসে গেল ড্যানিয়েলের নগ্ন থাই দুটোর ওপর। তার দেহটা কি নরম আর কি গরম। শ্বাস প্রশ্বাস বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিক অনুভব করল নাভিদেশ অসম্ভব দ্রুতগতিতে ওঠা নামা করছে যেন। সে এখন খুব কাছ থেকে ড্যানিয়েলকে দেখতে পাচ্ছে তার পুরাে দেহখানি। দেখতে পাচ্ছে তার দুটি পায়ে সংযােগস্থলের উচু হয়ে থাকা জায়গাটা, ভারী নিতম্ব, সরু কটিদেশ সুউচ্চ বুকজোড়া। সে আবার ঝুকে পড়ল। ড্যানিয়েলের থাই দুটোর ওপর আবার চাপা পড়ল, ড্যানিয়েল একটা কথাও বলল না। অদ্ভুত ভাবে সে তার ঠোট দুটো চেপে ধরে রেখেছিল। এই মুহুর্তে সে মুখ খুলতে চায় না। হঠাৎ নিক বুঝতে পারল, রডটা তার নিজের চলার পথে স্বাভাবিক ভাবে আবার নড়াচড়া করতে শুরু করে দিয়েছে। তার কাজ শেষ। এবার সে ড্যানিয়েলের শরীরের ওপর ভর করে উঠে বসল সােজা হয়ে। ড্যানিয়েল তখন কাঁপতে শুরু করে দিয়েছিল। তখন নিকের বুকের কাছে বুক, মুখের কাছে মুখে। পশের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে তখন।

ধন্যবাদ। ড্যানিয়েলের গলার সুরটা এবার একটু নরম শোনাল। নিক এবার তার বুকের সঙ্গে নিজেকে মিশিয়ে দিল। ব্রা-বিহীন বেদিং সুট পরা ড্যানিয়েলের স্তন দুটো তার বলিষ্ঠ বুকের চাপে পিষ্ট হতে থাকল এক উষ্ণ আলিঙ্গনের আসন্ন প্রস্তুতি। ড্যানিয়েল এবার আর আপত্তি করল না। ….. নিক তাকে দু হাত বাড়িয়ে নিজের বুকের মধ্যে টেনে নিল। ….তারপর পিছনদিকে হাত দিয়ে ব্রার হুক খুলল এবং কোমর থেকে জাঙ্গিয়া খুলে ফেলতে সে এবার সম্পূর্ণ নগ্নহয়ে দাড়াল ঝরনার নীচে নিরাবরণ দেহ।…. নিক তাকে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিল। চাঁদের আলোর নীচে জুয়েলের নগ্ন শরীরের শােভা দেখছিল সে। নিটল গােল স্তনযুগল। সুন্দর গড়ন। স্তনের বৃন্ত দুটি আঙ্গুরের মত লােভনীয়। চওড়া ঠোঁট কামনা জাগার সরু কোমর। দুটি পায়ের সংযোগস্থল অসম্ভব ফুলো ফুলো। নিক তার কোমরের কাছে অসম্ভব উত্তেজনা অনুভব করল ড্যানিয়েলকে জলে নামতে দেখে।……স্বচ্ছ জলের নীচে ড্যানিয়েলের পুরুষ্ট স্তন দুটি জলে ভাসছিল, যেন দুটি বেত-পদ্ম পাপড়ি মেলার অপেক্ষায়। ড্যানিয়েল সাতারে নামল। একা। সাঁতার কাটা দেহটা তার আরো বেশী সুন্দর দেখাচ্ছিল।  ….ড্যানিয়েলের দেহের গােপন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলাে এখন আরাে বেশী পুষ্ট চাঁদের আলােয়। একমাত্র তার মাথার সােনালী চুল ছাড়া দেহে কোথাও চুলের বালাই নেই। …..

………ড্যানিয়েল তার পরিষ্কার জাঙ্গিয়াটা খোঁজ করল। কিন্তু নিক তাকে বাধা দিয়ে বলল,এখন ওসব ভুলে যাও। এন আমার কাছে তােমার কোন কিছুই অপ্রকাশিত নয় আর! লজ্জা ঢাকার ব্যাপারটা খুব দেরী হয়ে গেছে। তবে তােমার চিন্তা করার কিছু নেই। আমি ছাড়া অন্য কেউ তো আর এখানে নেই। একটা কনুইয়ে ভর দিয়ে ড্যানিয়েল উঠে বসল। তার স্তন দুটো এক দিকে ঝলে পড়ল, পাকা ফলের মতন। এখন নিক তার মাথাটা এবার ড্যানিয়েলের বুকের সঙ্গে একেবারে মিশিয়ে দিল। তার স্তনের বোঁটা এখন নিকের মুখে স্থান করে নিয়েছে। প্রথমে আস্তে পরে সে জোরে জোরে ঠোট ঘষতে থাকল পালা করে স্তনের একটা বৃন্তে। ড্যানিয়েল আর স্থির থাকতে পারল না। ভেতর ভেতর সেও ভীষণ উত্তেজিত। তার নাভীদেশের দ্রুত ওঠা-নামা তার স্বাক্ষর বহন করছিল। বিশ্রাম নেওয়ার জন্যে নিক তার বুকের ওপর থেকে মুখ তুলে তাকাল। ড্যানিয়েলের পানে।……..

………কেবলমাত্র জাঙিয়া পরে আমি এভাবে পারব না। ড্যানিয়েল প্রতিবাদ করে। আমার ভয় হয়, হয়ত তােমাকে এভাবে ফিরে যেতে হবে। আর গেলেই বা? তােমার নগ্ন বুক দেখার জন্যে কেউ তাে আর জেগে বসে নেই সেখানে। একান্তই যদি আমরা কাউকে দেখি, ওপরকার পােশাকটা খুলে দেব তোমাকে।
এখনই বা কেন সেটা দিচ্ছ না? সুন্দর এই দৃশ্যটা আমি উপভােগ করছি, তাই। ড্যানিয়েল দাঁত বার করে হাসল।

ভেলায় উঠে বসে ড্যানিয়েল তার হাতদুটো আড়াআড়ি ভাবে বুকের ওপর রাখল। এতে যে কোন কাজের কাজ হবে না, ড্যানিয়েল তা জানত। তবে যাইহােক সেই ভাবেই মেয়েটি সারাটা পথ পাড়ি দিল।……..

……….হলুদ বেদি সুট তার গায়ের নিকের অনুমান তার বয়স আটাশের কাছাকাছি হবে। দীঘাঙ্গী। চুলের মতন তার চোখের বাদামী রঙ। নাকটা ঈষৎ ক্ষীত। সব মিলিয়ে তার চেহারাটা বেশ আকর্ষণীয়। ব্লাউজ ভেদ করে স্তনের বৃন্ত দুটি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছিলো।……..

…..এখানে আমি আমার ছোট বােনকে খুজতে এসেছি। জয়সি জোরে নিঃশবাস নিলো। তার স্তনের বৃন্ত দুটি আবার স্পষ্ট হয়ে উঠলো ব্লাউজের তলা থেকে।….

…..এবার জয়সি হয় তাকে ধরে রাখা জন্যে ব্ৰাহীন স্তন দুটো তার বলিষ্ঠ বকের ওপর চেপে ধরে বলল—তুমি আবার আমার কাছে ফিরে আসবে বলছ, কিন্তু আমার মনে হয় না যে, তুমি আসবে।….নিক অনুভব করলাে, জয়সির হাতটা তার বুকের ওপর বিলি কাটছে আস্তে আস্তে। নিক এবার চোখ মেলল পুরোপুরি। জয়সি তখন তার বুকের ওপর বুকে পড়েছে। তার ঠোট দুটো কাপছে থরথর করে। তার স্তন দুটি প্রায় বিকিনি মুক্ত হয়ে বিস্ফোরণ ঘটাবার অপেক্ষায় সময় গুনছে।…..

…..পাশে অর্ধনগ্ন যুবতী, মাথার উত্তপ্ত সুর্য, সমুদ্রের ঠাণ্ডা হাওয়া। সব মিলিয়ে নিক বাধ্য হল তার আহ্বানে সাড়া দিতে জয়সির পিঠে হাত রেখে সে তাকে আকর্ষণ করল। জয়সি এগিয়ে এলাে সে তার ঠোঁট চেপে ধরল নিকের ওপর। বিকিনি অপসারিত হল জয়সির বুকের ওপর থেকে। নিক দেখল তার স্তনযুগল বেশ বড় ন্যাশপাতির মত। বাদামী রঙের বৃন্ত দুটি বড় হয়ে দাঁড়িয়ে উঠেছিল, বড় এবং স্পশ্ট। ড্যানিয়েলের মত দেব-দেবীর শরীর নয় তার, কিন্তু নিক বুঝল, কিন্তু কিছু একটা আছে তার মধ্যে ! জয়সি তার স্তনযুগল নিকের বুকের ওপর চেপে ধরল, তাদের নরম পরশ তাকে অসম্ভব উত্তেজিত করে তুলল। আপনার থেকেই তার কোমর উত্তেলিত হল।

ডেকের ওপর জয়সকে আস্তে আস্তে শুইয়ে নিক তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। জিভ দিয়ে সে সেটাকে বত্তাকারে চুমা দিতে থাকল। অসম্ভব সুখতৃপ্তিতে কান্নার মত করে ককিয়ে উঠল জয়সি। দু’হাত বাড়িয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে। জয়সির শরীরে যেন শিহরণের প্লাবন বয়ে যাচ্ছে। নিকের পরিষমন শক্ত হয়ে উঠেছিল।
সে আর স্থির থাকতে পারছিল না। জয়সির শেষ বাধায় টান দিল সে জয়সি কোমরটা উচু করল। শেষ বাধা নেমে গেল পায়ের নীচে। সামান্যই পােষাক ছিল নিকের পরনে। কয়েক মুহুর্ত সময় লাগল পােশাক থেকে বেরিয়ে আসতে। নিক ধীরে ধীরে উত্তেজিত হয়ে উঠল। জয়সির ঠোটে তার ঠোট। তার বুকে দুটি স্তনের উষ্ণ নিপীড়ন। নিকের তাড়া ছিল না।
সে ধীরে ধীরে তাকে চরম উত্তেজনাময় মহতে পৌছে দিতে তৎপর হল। কিন্তু হঠাৎ অস্বাভাবিক ভাবে দ্রুত জয়সি তার দেহে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ফেলল ক্লাইমেক্স টেনে। কিন্তু নিক তখনও অপরাজিত। অবশ্য জয়নি তাকে সাহায্য করে গেল এ ব্যাপারে। আর একবার, নিক তার ফিসফিস কণ্ঠস্বর শুনতে পেল, আর একবার এবং এখুনি। নিক তার অনুরােধ ফেলতে পারল না।
সে আবার শেষ থেকে শুরু করল। কিন্তু দুজনে এক সঙ্গে চরম সুখকর মুহুর্তে না পৌছন পর্যন্ত জয়সিকে ধরে রাখার জন্যে প্রাণপন চেষ্টা করল, তাকে কোন ভূমিকা না নিতে দিয়ে। এবার তারা দুজনে একই সঙ্গে বিস্ফোরণ ঘটাল। দুজনেই চোখ বুজে এলাে এক সঙ্গে। নিক তার বুকের ওপর পড়ে রইল তেমনি অবস্থায়। তারপর এক সময় জয়সি শান্ত চোখ মেলে তাকাল নিকের দিকে। এত সুখ জীবনে এর আগে আমি কখনও পাইনি।….

…..নিক ব্যস্ত হয়ে তখনি তার কেবিনে এলাে আর এক দফা নিকের আবাক হওয়ার পালা। ড্যানিয়েল সুন্দর করে সেজেছে, তার রুপ যেন ফেটে পড়েছে। উচু করে বেধেছে আজ।
পরনে লাল বিকিনি।
তােমাকে আজ খুব সুন্দর দেখাচ্ছে ড্যানিয়েল। নিক তার উদ্ধত বুকের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে সম্ভাষণ করল। বিকিনির আড়ালে তার স্তন যুগল অসম্ভব ফোলা ফোলা দেখাচ্ছিল। যেন লাল গােলাপ ফুটে রয়েছে বুকের মাঝে।….

…..না, আমি সে সবের কিছুই জানি না। ড্যানিয়েলের কথার মধ্যে কিসের একটা বাধ বাধ ভাব যেন। বিকিনির ভেতর থেকে তার স্তন দুটি ফুটে বেরুতে উদ্ধত। যেন দুটি গোলাপের কড়ি পাপড়ি মেলে দেওয়ার অপেক্ষায়। নিকের মনে পড়ল সেদিন চাঁদের নীলাভ আলোয় কি ঝলমলেই না দেখাচ্ছিল। নীল সমুদ্রের জল। যেন দুটি শ্বেতপম জলের ওপর ভাসছিল।….

…..এবার ড্যানিয়েল আর আপত্তি করল না। পরিপুর্ণ দৃষ্টি নিয়ে তাকাল নিকের পানে। না, আদৌ আমার আপত্তি করার কিছ; নেই। অতঃপর নিক হাত রাখল তার বুকের ওপর। ড্যানিয়েল তার দিকে কামার্ত চোখ নিয়ে তাকাল। তার দেহটা শক্ত হয়ে উঠল ক্রমশঃ বিকিনির বােতামগুলাে আগেই খুলে ফেলেছিল নিক। এখন বাকী শুধু তার ব্রা মুক্ত করা এবার সেই কাটও সম্পন্ন করল সে। ধবধবে বেত শঙ্খ বুক। ব্রা-হীন বুক যেন পাপড়ি মেলে দিল সেই মুহুর্তে। কামার্ত চোখ নিয়ে তাকাল নিক তার সুন্দর স্তন দুটির দিকে। সেই সঙ্গে অদ্ভুত শিহরণ খেলে গেল ড্যানিয়েলের সারা শরীর দিয়ে। তারপর নিক তার ঠোটের সঙ্গে নিজের ঠোট দুটি মিলিয়ে দিল। ….নিক এবার তার কাজে মন দিল। ড্যানিয়েলকে শুইয়ে দিল। তারপর সে নিজেকে তার দেহের সঙ্গে মিশিয়ে দিল…. নিক, এ তুমি কি করছ নিক? তুমি ভীষণ দুস্টু। বলে ড্যানিয়েল তার নগ্ন বুকের খাঁজে নিকের মাথাচপে ধরল শক্ত করে। সেই অবস্থায় তার হাত ড্যানিয়েলের দেহ পরিক্রমা করতে করতে শেষে দুই উরুর সন্ধিস্থলে এসে থামল। বিকিনির শেষ বোতামটা সে খুলে দিল। ড্যানিয়েলের নগ্ন দেহটা তখন থরথর করে কাপছিল। তার চোখে কিসের অমশ্রণ যেন। নিক আর স্থির থাকতে পারছিল না।

অতঃপর ড্যানিয়েল নিজকে তার বুকের ওপর থেকে লাফিয়ে পাশে শুতে দিল এবং তার বুকের ওপর সে উঠে এলো। ড্যানিয়েল নিজেই এবার নিকের ভূমিকা নিতে চাইল।
ড্যানিয়েল মুদু হাসল। নিকের দ’হাতে তখন তার দুটি স্তন শােভা পাচ্ছিল। সেই সঙ্গে মৃদু চাপের পরশও অনুভব করছিল সে। ড্যানিয়েলের ঠোটে অসমাপ্ত তৃপ্তির ছোঁয়া। তেমনি হাসতে হাসতে সে আবার বলল, ঐ রকম পরিশ্রম আমি আরাে করতে চাই। তবে এবা আমি ভুমিকা নেব। তোমাকে কিছু করতে হবে না। তুমি কেবল চুপটি করে শুয়ে থাক দুটে ছেলের মতন।

এখনই নিককে ছাড়তে মন চাইছিল না ড্যানিয়েলের। তবু তাকে ছাড়তে হল। সে বলল, এবার ওঠা যাক। ট্রিটনে যাবার সময় হয়ে এলো বোধ হয়। তাকে ছেড়ে ভ্যানিয়েল তার নগ্ন দেহটা আবার নিকিনির মধ্যে আবদ্ধ করার জন্যে প্রতি হল। তার নগ্ন দেহের দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে নিকের মনে হল, সেই সব সামান্য কয়েকজন মেয়েদের মধ্যে ড্যানিয়েল হচ্ছে একজন, যাকে সবক্ষণ নগ্ন অবস্থায় দেখতে সুন্দর লাগে।…….ড্যানিয়েল তার পানে তাকিয়ে রইল অনেক্ষণ। তার সুন্দরুটি ঠোটে ততোধিক মিষ্টি হাসি ফুটে উঠল। ড্যানিয়েল তার মাথাটা নিজের নগ্ন বুকের মধ্যে চেপে ধরে বলল, ঠিক আছে, আমি যাব তােমার সঙ্গে। আর ঠিক সেই মুুহুর্তে তার বুকের ওপর থেকে মাথাটা তুলে নিয়ে ভ্যানিয়েলের ঠোটে চুমাে খেল। ড্যানিয়েল তার পাতলা ঠোট দুটি চেপে ধরল নিকের দুই ঠোটের ফাকে।…..

……ড্যানিয়েলকে সঙ্গে নিয়ে হকের অফিসে এলো নিক। টান টান পােষাক ড্যানিয়েলের দেহের প্রতিটি ভৌগলিক রেখা ফুটিয়ে তুলছিল স্পষ্ট করে। …..

……কোমরে বেল্ট লাগানাে যুবতী। মাথাভর্তি বাদামী চুল, আপেলের মতো টকটকে লাল তার গাল। কমলা লেবু রঙের জ্যাকেটের আড়ালে ঢাকা ছিল তার নিটোল দুটি স্তন। পরনে ছিল নীল কার্ট। সুডৌল পা, দষ্টি কেড়ে নেবে।….

…..শুধু কি সাড়া ? নিকের দেহকে প্রকট করে সে কি নিকের ঘুমিয়ে থাকা উত্তেজনাটা বাড়িয়ে তােলেনি? নিকের সচল হাতের তাল বার বার চেপে ধরেন নিজের নরম বুকে ? যাতে নিকের রক্তে সঞ্চারিত হতে পারে কামনার বাণ? সবই করেছিল সেটা নিক ভাবতে থাকে।….

…..জলের তলে চলেছিল তাদের খেলা। ড্যানিয়েল যেন ভাসান্ত জলপরীর মতাে সাতার কাটছিল। তার সারা শরীরে ছড়ানাে ছিল সমুদ্র তরঙ্গের উদ্বেল আনন্দ। ড্যানিয়েলের বিরাট দুটি স্তনের কথা মনে হতে পুলকিত হল নিক। অমন পুরুস্ট বুক সে অনেক দিন দেখেনি। ….

……জিনা নয়, ড্যানিয়েলও নয়, নিক ডাক দেবে লিন্দাকে। সেই কালো মেয়েটির শরীরে খুজে নেবে মনের ঠিকানা। কত দিন হল সে লিন্দাকে দেখে নি। তার ঝলসানাে স্তন বৃন্তে মুখ রাখেনি। তার কালো কুন্তল ঢাকা ত্রিকোণে হাত রাখেনি! লিন্দা, লিন্দা, লিন্দা। বাজতে থাকে মনের মধ্যে। নিক চলেছে তারই সন্ধানে।….

…..লিন্দা তার শরীরে অপুর্ব মােচড় দিয়ে কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলে আমার দেহের চেয়েও দামী কিছু আছে নাকি? লিন্দার স্তন দুটি স্পন্দিত হল। সেই দিকে এক মুহুর্ত তাকিয়ে তাকে গভীর ভাবে চুমু দিল নিক। তারপর চলে গেল পেছনে না তাকিয়ে।…..

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *